
স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের বাজারে উন্মোচন করেছে টেকনো ক্যামন-২০ সিরিজ। এই সিরিজে থাকছে দুটি মডেল ক্যামন-২০ প্রো এবং ক্যামন-২০। আগামী দিনের গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে দুটি মডেলই তৈরি করা হয়েছে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রির প্রথম ক্যামন পাজল ডিকনস্ট্রাকশনিস্ট ডিজাইনে। আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাশাপাশি স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৬৭ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।
ক্যামন-২০ প্রো ও ক্যামন-২০ মোবাইল ফোন দুটির বৈশিষ্ট্য হলো, দুটিতেই ৬৪ মেগাপিক্সেল আরজিবিডাব্লিউ সেন্সর সমৃদ্ধ নাইট পোর্ট্রেট ক্যামেরা সংযুক্ত। এই ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কম আলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অসাধারণ স্বচ্ছতা এবং প্রাণবন্ত রঙের দারুণ সব ছবি তুলতে সক্ষম হবেন। এ ছাড়া এই সিরিজের সব মোবাইল ফোনেই রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা, যার দ্বারা ফোন ব্যবহারকারী নিজের অসাধারণ সব ছবি তুলতে পারবেন ন্যাচারাল বিউটি ইফেক্ট ও দারুণ ডিটেইলিংয়ে।
ক্যামন-২০ প্রো মোবাইল ফোনটি ৬ ন্যানোমিটারের হেলিও জি৯৯ প্রসেসর আর ক্যামন-২০ মোবাইল ফোনটি হেলিও জি৮৫ প্রসেসর সমৃদ্ধ। দুটি ফোনেই রয়েছে ৮ জিবি র্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ, যা ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া ফাইল সংরক্ষণসহ ভালো পারফরম্যান্সে সহায়তা করবে।
অ্যান্ড্রয়েড ১৩-এর সঙ্গে টেকনোর হাইওএস ১৩ ইউজার ইন্টারফেসের কারণে, ক্যামন ২০ মোবাইল ফোনটি আপনাকে দেবে বিরতিহীন ব্যবহার বান্ধব এক দারুণ অভিজ্ঞতা। আইপি ফিফটিথ্রি রেটিং সমৃদ্ধ এই ফোন আপনাকে সীমিত আকারে ধুলা ও পানি থেকে সুরক্ষা দেবে। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য, দুটি ফোনেই ৫,০০০ এমএএইচ ব্যাটারির সঙ্গে এসেছে, যা ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে।
ক্যামন ২০ ফোনটি পাওয়া যাবে প্রিডন ব্ল্যাক, সেরিনিটি ব্লু (ম্যাজিক স্কিন) ও গ্লেসিয়ার গ্লো কালারের সঙ্গে এবং ক্যামন ২০ টুয়েন্টি প্রো ফোনটি পাওয়া যাবে দুটি-সেরিনিটি ব্লু ও প্রিডন ব্ল্যাক কালারে। দুটি মডেলের দাম বিবেচনায়-ক্যামন ২০ প্রো’র দাম ভ্যাট ছাড়া পড়বে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ক্যামন ২০ দাম ভ্যাট ছাড়া ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা। মূল্য, কর্মক্ষমতা ও অসাধারণ ছবির জন্য মডেল দুটি বাংলাদেশি মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য আদর্শ হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের বাজারে উন্মোচন করেছে টেকনো ক্যামন-২০ সিরিজ। এই সিরিজে থাকছে দুটি মডেল ক্যামন-২০ প্রো এবং ক্যামন-২০। আগামী দিনের গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে দুটি মডেলই তৈরি করা হয়েছে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রির প্রথম ক্যামন পাজল ডিকনস্ট্রাকশনিস্ট ডিজাইনে। আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাশাপাশি স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৬৭ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।
ক্যামন-২০ প্রো ও ক্যামন-২০ মোবাইল ফোন দুটির বৈশিষ্ট্য হলো, দুটিতেই ৬৪ মেগাপিক্সেল আরজিবিডাব্লিউ সেন্সর সমৃদ্ধ নাইট পোর্ট্রেট ক্যামেরা সংযুক্ত। এই ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কম আলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অসাধারণ স্বচ্ছতা এবং প্রাণবন্ত রঙের দারুণ সব ছবি তুলতে সক্ষম হবেন। এ ছাড়া এই সিরিজের সব মোবাইল ফোনেই রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা, যার দ্বারা ফোন ব্যবহারকারী নিজের অসাধারণ সব ছবি তুলতে পারবেন ন্যাচারাল বিউটি ইফেক্ট ও দারুণ ডিটেইলিংয়ে।
ক্যামন-২০ প্রো মোবাইল ফোনটি ৬ ন্যানোমিটারের হেলিও জি৯৯ প্রসেসর আর ক্যামন-২০ মোবাইল ফোনটি হেলিও জি৮৫ প্রসেসর সমৃদ্ধ। দুটি ফোনেই রয়েছে ৮ জিবি র্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ, যা ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া ফাইল সংরক্ষণসহ ভালো পারফরম্যান্সে সহায়তা করবে।
অ্যান্ড্রয়েড ১৩-এর সঙ্গে টেকনোর হাইওএস ১৩ ইউজার ইন্টারফেসের কারণে, ক্যামন ২০ মোবাইল ফোনটি আপনাকে দেবে বিরতিহীন ব্যবহার বান্ধব এক দারুণ অভিজ্ঞতা। আইপি ফিফটিথ্রি রেটিং সমৃদ্ধ এই ফোন আপনাকে সীমিত আকারে ধুলা ও পানি থেকে সুরক্ষা দেবে। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য, দুটি ফোনেই ৫,০০০ এমএএইচ ব্যাটারির সঙ্গে এসেছে, যা ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে।
ক্যামন ২০ ফোনটি পাওয়া যাবে প্রিডন ব্ল্যাক, সেরিনিটি ব্লু (ম্যাজিক স্কিন) ও গ্লেসিয়ার গ্লো কালারের সঙ্গে এবং ক্যামন ২০ টুয়েন্টি প্রো ফোনটি পাওয়া যাবে দুটি-সেরিনিটি ব্লু ও প্রিডন ব্ল্যাক কালারে। দুটি মডেলের দাম বিবেচনায়-ক্যামন ২০ প্রো’র দাম ভ্যাট ছাড়া পড়বে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ক্যামন ২০ দাম ভ্যাট ছাড়া ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা। মূল্য, কর্মক্ষমতা ও অসাধারণ ছবির জন্য মডেল দুটি বাংলাদেশি মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য আদর্শ হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর পরও রাজধানীসহ দেশে বেসরকারি খাতের এলপিজি বাজারে নৈরাজ্য বন্ধ হয়নি। সরকার-নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০-৭০০ টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বরং দাম বাড়ানোর পর সরবরাহব্যবস্থার সংকট আরও বেড়েছে। অনেকেই দোকানে গিয়ে গ্যাস পাচ্ছেন না।
৬ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারের গভীরতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে লাভজনক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান (এসওই) ও সরকারি অংশীদারিত্ব থাকা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর (এমএনসি) শেয়ার পুঁজিবাজারে আনার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে সরকার। লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজারে আনা
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সম্প্রসারণের গতি আগের মাস নভেম্বরের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। যদিও এই গতি খুব শক্তিশালী নয়, তবু রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ব্যবসায়িক চাপের মধ্যেও অর্থনীতি যে এখনো সম্প্রসারণের ধারায় রয়েছে, তা সাম্প্রতিক পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই)
১১ ঘণ্টা আগে
লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের শেয়ার থাকা বহুজাতিক কোম্পানি পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ১০টি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
১৩ ঘণ্টা আগে