বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ও জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ঢাকার হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে একটি সংলাপের আয়োজন করে। ‘টেক্সটাইল শিল্পে জ্বালানি দক্ষতা ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক এই সংলাপে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ইডকলের শীর্ষ নেতৃত্ব, ১৫টির বেশি শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল প্রস্তুত প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সংলাপের সূচনা বক্তব্যে ইডকলের নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর মোর্শেদ দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন এবং টেক্সটাইল শিল্পে জ্বালানি দক্ষতাকে মূলধারায় আনার লক্ষ্যের কথা বলেন। তিনি জানান, সংলাপটি বেসরকারি খাতে জ্বালানি দক্ষতায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির বৃহত্তর লক্ষ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জ্বালানি দক্ষতা এখন আর শুধু পরিবেশগত বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক প্রয়োজন। তিনি দেশে বিকল্প জ্বালানির উৎস প্রসার এবং জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে ইডকল ও অন্যদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি প্রচলিত জ্বালানি শক্তির ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সহজ অর্থায়ন প্রক্রিয়া, সরকারি প্রণোদনা এবং ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে বাস্তবসম্মত প্রত্যাশার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এই খাতে বিনিয়োগে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে উদ্যোক্তারা আরও আগ্রহী হবেন। এর পাশাপাশি জোরালো জ্বালানি নিরীক্ষা প্রটোকল এবং সরকারের নীতিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।
আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হক (ইডকল), কামাল আহমেদ (মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার), সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ (সাইহাম গ্রুপ) ডেভিড হাসানাত (ভিয়েনাটেক্স গ্রুপ)।
অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল জিসিএফ ও ইডকলের সহ-অর্থায়নে টেক্সটাইল খাতের জন্য ১৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি ঋণ সুবিধার প্রসার, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি। এই অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল খাত এখন জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সুসংহত অবস্থানে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশে জিসিএফের অর্থায়নে পরিচালিত বৃহত্তম কর্মসূচির স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইডকল, টেক্সটাইল প্রস্তুতকারকদের একটি টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা, স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা, কারিগরি সহায়তা ও নীতিগত পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ও জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ঢাকার হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে একটি সংলাপের আয়োজন করে। ‘টেক্সটাইল শিল্পে জ্বালানি দক্ষতা ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক এই সংলাপে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ইডকলের শীর্ষ নেতৃত্ব, ১৫টির বেশি শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল প্রস্তুত প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সংলাপের সূচনা বক্তব্যে ইডকলের নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর মোর্শেদ দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন এবং টেক্সটাইল শিল্পে জ্বালানি দক্ষতাকে মূলধারায় আনার লক্ষ্যের কথা বলেন। তিনি জানান, সংলাপটি বেসরকারি খাতে জ্বালানি দক্ষতায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির বৃহত্তর লক্ষ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জ্বালানি দক্ষতা এখন আর শুধু পরিবেশগত বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক প্রয়োজন। তিনি দেশে বিকল্প জ্বালানির উৎস প্রসার এবং জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে ইডকল ও অন্যদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি প্রচলিত জ্বালানি শক্তির ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সহজ অর্থায়ন প্রক্রিয়া, সরকারি প্রণোদনা এবং ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে বাস্তবসম্মত প্রত্যাশার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এই খাতে বিনিয়োগে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে উদ্যোক্তারা আরও আগ্রহী হবেন। এর পাশাপাশি জোরালো জ্বালানি নিরীক্ষা প্রটোকল এবং সরকারের নীতিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।
আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হক (ইডকল), কামাল আহমেদ (মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার), সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ (সাইহাম গ্রুপ) ডেভিড হাসানাত (ভিয়েনাটেক্স গ্রুপ)।
অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল জিসিএফ ও ইডকলের সহ-অর্থায়নে টেক্সটাইল খাতের জন্য ১৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি ঋণ সুবিধার প্রসার, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি। এই অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল খাত এখন জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সুসংহত অবস্থানে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশে জিসিএফের অর্থায়নে পরিচালিত বৃহত্তম কর্মসূচির স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইডকল, টেক্সটাইল প্রস্তুতকারকদের একটি টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা, স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা, কারিগরি সহায়তা ও নীতিগত পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ। এতে বেইজিংয়ের নির্ধারিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
২৫ মিনিট আগে
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
৯ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে—সমালোচিত ও বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত আবুল খায়ের হিরুর এমন বার্তার পরই দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ গুণ।
৯ ঘণ্টা আগে