
সিলেটের বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে গণসাক্ষরতা অভিযান এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। উদ্যোগটির আওতায়, ইতিমধ্যে ৫ হাজার মানুষকে শুকনো খাবার, ওষুধ, সুরক্ষাসামগ্রী দিয়ে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং শিগগিরই আরও ১০ হাজার মানুষ সহায়তা পাবে।
প্রতি প্যাকেজে ৫ সদস্যের পরিবারে ২ সপ্তাহের খাবার ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত রয়েছে। নিজেদের ও আশপাশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সামগ্রীও প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত। যথাযথ পুষ্টি ও ক্যালরিযুক্ত খাবারের নির্দেশিকা মোতাবেক এই ১৫ হাজার মানুষকে খাবার এবং পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে ওরস্যালাইন-এন প্রদান করে হচ্ছে।
দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে মূলত এই উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। স্বল্প আয় ও আয়হীন পরিবার, নারী ও বিধবা নারীর পরিবার, বস্তিতে বসবাসকারী পরিবার, প্রতিবন্ধী রয়েছে এমন পরিবার এবং জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীরা এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের আওতাধীন।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর সিইও নাজের এজাজ বিজয় বলেন, ‘তথ্য মতে, সিলেটের প্রায় ৭২ শতাংশ স্থান পানির নিচে ছিল। একে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা বলা হচ্ছে। আমি আশা করি, এই ত্রাণ সহায়তার মাধ্যমে আগামী ২ সপ্তাহ পর্যন্ত তাঁরা খাদ্য ও সুরক্ষাসামগ্রীর প্রয়োজন মেটাতে পারবে। আমরা গোটা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব এবং সুবিধাবঞ্চিতরা যেন যথাযথ সাহায্য পায়, তা নিশ্চিতে কাজ করব।’
গণসাক্ষরতা অভিযান-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ‘সাম্প্রতিক এই বন্যা পরিস্থিতি একদিকে যেমন আমাদের প্রকৃতির ক্ষমতার জানান দিয়েছে, অন্যদিকে আবারও প্রমাণ করেছে যে আমরা কখনো হার মানি না। আমাদের ও অন্যান্য স্থানীয় সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে পুনরায় স্কুলে ফিরে পাঠাতে সাহায্য করতে এই অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশ যেভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং সরকারি সংস্থা, এনজিও ও বেসরকারি খাতের মতো স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলা চালিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।’
১৫ হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা প্রদানের পর, বন্যা-পরবর্তী ক্ষতি সামাল দিতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে ২টি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড; স্বাস্থ্যসেবা ও সম্পদের ঘাটতি মোকাবিলা এবং কর্মহীনতা ও অর্থনীতিকে সচল করা।
দীর্ঘ ১১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যাংক হিসেবে, দেশের মানুষকে পিছিয়ে না রেখে এবং পরিবেশগত ক্ষতি ও সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি না করে দেশের বাণিজ্যিক উন্নয়নে ও বিকাশ সাধনে ভূমিকা রাখছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। ব্যাংকের সাম্প্রদায়িক পদক্ষেপসমূহ বহু বছর ধরেই অর্থনীতিসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রেখেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন; লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ; স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা সৃষ্টি; শিক্ষা এবং আর্থিক সাক্ষরতা। জলবায়ু পরিবর্তন দেশের মানুষের জন্য বিরাট ঝুঁকির কারণ, তাই এই বিষয়ে এবং পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিয়ে ব্যাংকটি কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ব আজ নজিরবিহীন কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক মহামারির মতো চ্যালেঞ্জ দ্রুত মোকাবিলায়, সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের প্রয়োজনীয় সাহায্য ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে উন্নয়ন খাতের অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে ব্যাংকটি। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধার নিশ্চিতে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মশক্তি পুনঃ একত্রীকরণ, স্বাস্থ্য এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
গণসাক্ষরতা অভিযান (ক্যাম্প) একটি অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন নেটওয়ার্ক। ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি সরকার, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংস্থার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সিলেটের বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে গণসাক্ষরতা অভিযান এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। উদ্যোগটির আওতায়, ইতিমধ্যে ৫ হাজার মানুষকে শুকনো খাবার, ওষুধ, সুরক্ষাসামগ্রী দিয়ে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং শিগগিরই আরও ১০ হাজার মানুষ সহায়তা পাবে।
প্রতি প্যাকেজে ৫ সদস্যের পরিবারে ২ সপ্তাহের খাবার ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত রয়েছে। নিজেদের ও আশপাশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সামগ্রীও প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত। যথাযথ পুষ্টি ও ক্যালরিযুক্ত খাবারের নির্দেশিকা মোতাবেক এই ১৫ হাজার মানুষকে খাবার এবং পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে ওরস্যালাইন-এন প্রদান করে হচ্ছে।
দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে মূলত এই উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। স্বল্প আয় ও আয়হীন পরিবার, নারী ও বিধবা নারীর পরিবার, বস্তিতে বসবাসকারী পরিবার, প্রতিবন্ধী রয়েছে এমন পরিবার এবং জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীরা এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের আওতাধীন।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর সিইও নাজের এজাজ বিজয় বলেন, ‘তথ্য মতে, সিলেটের প্রায় ৭২ শতাংশ স্থান পানির নিচে ছিল। একে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা বলা হচ্ছে। আমি আশা করি, এই ত্রাণ সহায়তার মাধ্যমে আগামী ২ সপ্তাহ পর্যন্ত তাঁরা খাদ্য ও সুরক্ষাসামগ্রীর প্রয়োজন মেটাতে পারবে। আমরা গোটা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব এবং সুবিধাবঞ্চিতরা যেন যথাযথ সাহায্য পায়, তা নিশ্চিতে কাজ করব।’
গণসাক্ষরতা অভিযান-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ‘সাম্প্রতিক এই বন্যা পরিস্থিতি একদিকে যেমন আমাদের প্রকৃতির ক্ষমতার জানান দিয়েছে, অন্যদিকে আবারও প্রমাণ করেছে যে আমরা কখনো হার মানি না। আমাদের ও অন্যান্য স্থানীয় সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে পুনরায় স্কুলে ফিরে পাঠাতে সাহায্য করতে এই অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশ যেভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং সরকারি সংস্থা, এনজিও ও বেসরকারি খাতের মতো স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলা চালিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।’
১৫ হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা প্রদানের পর, বন্যা-পরবর্তী ক্ষতি সামাল দিতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে ২টি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড; স্বাস্থ্যসেবা ও সম্পদের ঘাটতি মোকাবিলা এবং কর্মহীনতা ও অর্থনীতিকে সচল করা।
দীর্ঘ ১১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যাংক হিসেবে, দেশের মানুষকে পিছিয়ে না রেখে এবং পরিবেশগত ক্ষতি ও সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি না করে দেশের বাণিজ্যিক উন্নয়নে ও বিকাশ সাধনে ভূমিকা রাখছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। ব্যাংকের সাম্প্রদায়িক পদক্ষেপসমূহ বহু বছর ধরেই অর্থনীতিসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রেখেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন; লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ; স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা সৃষ্টি; শিক্ষা এবং আর্থিক সাক্ষরতা। জলবায়ু পরিবর্তন দেশের মানুষের জন্য বিরাট ঝুঁকির কারণ, তাই এই বিষয়ে এবং পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিয়ে ব্যাংকটি কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ব আজ নজিরবিহীন কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক মহামারির মতো চ্যালেঞ্জ দ্রুত মোকাবিলায়, সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের প্রয়োজনীয় সাহায্য ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে উন্নয়ন খাতের অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে ব্যাংকটি। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধার নিশ্চিতে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মশক্তি পুনঃ একত্রীকরণ, স্বাস্থ্য এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
গণসাক্ষরতা অভিযান (ক্যাম্প) একটি অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন নেটওয়ার্ক। ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি সরকার, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংস্থার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

অর্থনীতির চলমান চাপ এবং রাজস্ব ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সরকারি খরচ চালাতে আয়ের অন্যতম উৎসে বড় ধরনের টান পড়েছে। এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাজস্ব আদায়ে। এতে করে অর্থবছরের মাঝপথেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বড় ঘাটতির মুখে পড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এক সপ্তাহ না যেতেই আবারও দেশের বাজারে সোনার দামে রেকর্ড হয়েছে। এবার ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। এটিই দেশের বাজারে সোনার ভরির রেকর্ড দাম। সোনার নতুন এই দাম আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সারা দেশ
৩ ঘণ্টা আগে
এখন বিকাশ অ্যাপ থেকে গ্রাহক নিজেই বিকাশ টু ব্যাংক, সেভিংস, মোবাইল রিচার্জ ও পে বিল সেবাসংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন। সম্প্রতি বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ‘সেলফ কমপ্লেইন্ট’ (ই-সিএমএস) সেবা। অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ, তাৎক্ষণিক ও কার্যকর করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে বিকাশ।
৫ ঘণ্টা আগে
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আদালতের আদেশ মেনে নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের আইনানুগ বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে