
উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন ধারা তৈরি করে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ অর্থায়নের প্রথম দুটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। ‘ফুল মিউচুয়াল রিলায়েন্স ফ্রেমওয়ার্ক’ নামে নতুন অংশীদারত্ব মডেলটিকে উন্নয়ন অর্থায়নের সম্ভাবনাময় ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার এডিবির সদর দপ্তরে সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন।
এই ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় যেকোনো দেশ চাইলে এডিবি বা বিশ্বব্যাংক দুই সংস্থার মধ্যে একটিকে নেতৃত্বদানকারী ঋণদাতা হিসেবে নির্বাচনের সুযোগ পাবে। প্রকল্প নকশা, প্রস্তুতি, বাস্তবায়ন থেকে মূল্যায়ন—সব দিকই পরিচালনা করবে সেই প্রতিষ্ঠান। এতে দুই সংস্থার আলাদা আলাদা প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি কমবে, প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে আরও দ্রুত, ব্যয়ও কমবে।
এডিবি প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা বলেন, ‘উন্নয়ন অর্থায়নকে সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করতে আমরা কাজ করছি। দুর্যোগ-সহনশীলতা বৃদ্ধি থেকে অবকাঠামো উন্নয়ন, জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।’
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা বলেন, ‘এই কাঠামো নেওয়ার মূল কারণ একটাই, আমাদের ক্লায়েন্টরা বলেছিল, তাদের জীবন সহজ করতে হবে, আরও দ্রুত কাজ করতে হবে। এটি আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, তবে আরও বড় পদক্ষেপ সেই দেশগুলোর জন্য, যারা বাস্তব ফলাফলের জন্য আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে।’

দেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের লক্ষ্যভ্রষ্টতা দেখা দিয়েছে। যাঁদের জন্য কর্মসূচিগুলো, সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় অংশ সুবিধার বাইরে; বিপরীতে সুবিধা পাওয়া মানুষের বড় অংশ দরিদ্র বা ঝুঁকিপূর্ণ নন। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীদের আমদানি পরিকল্পনায় কিছুটা আস্থা ফিরলেও এর প্রতিফলন এখনো প্রকৃত আমদানিতে দেখা যাচ্ছে না। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। বিপরীতে এলসি নিষ্পত্তির মাধ্যমে পরিমাপ করা প্রকৃত আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
গ্যাস-সংকটের কারণে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় অনেক কারখানাকে বয়লার ও জেনারেটর সচল রাখতে ডিজেলসহ অন্য বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে উৎপাদনের পরিমাণ।
৫ ঘণ্টা আগে
পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স পেয়েছে বাংলালিংকের শতভাগ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও পিএসপি লিমিটেড’। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরে অনুমোদিতভাবে পরিশোধ সেবা দিতে পারবে। বাংলালিংক ‘মুক্ত পে’ ব্র্যান্ডের অধীনে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা চালু করবে।
৯ ঘণ্টা আগে