
সিটি ব্যাংকের ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শতকরা ১৫ ভাগ নগদ ও ১০ ভাগ স্টক লভ্যাংশের অনুমোদন দেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার। ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ, পরিচালক রুবেল আজিজ, হোসেন মেহমুদ, সৈয়দা শায়রীন আজিজ, সাভেরা এইচ মাহমুদ, রেবেকা ব্রোসন্যান, স্বতন্ত্র পরিচালকদ্বয় সেলিম মাহমুদ এমপি ও মতিউল ইসলাম নওশাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, কোম্পানি সেক্রেটারি মো. কাফি খান, পদস্থ কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার এই এজিএমে অংশ নেন।
স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার ২০২৩ সালের ব্যাংকের ৬৩৮ কোটি টাকার সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফার প্রশংসা করে বলেন, ‘এর আগের বছরের ৪৭৮ কোটি টাকা থেকে মুনাফার এই ৩৩ দশমিক ৫ পারসেন্ট প্রবৃদ্ধি সিটি ব্যাংকের শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও সুশাসনের স্মারক।’
আজিজ আল কায়সার আরও বলেন, ‘ব্যাংকের মোট চলতি ও সঞ্চয়ী আমানত বেড়ে গত বছরের ডিসেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে মোট আমানতের ৫১ শতাংশে, যা চার বছর আগেও ছিল মাত্র ৩৬ শতাংশ।’ তিনি সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংক প্ল্যাটফরম সিটিটাচের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে জানান, ২০২৩ সালে গ্রাহকেরা সিটিটাচে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন করেছেন, যা চলতি বছরে ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর অনুযায়ী ব্যাংকের নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক বিবরণী এই সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর আলোচনা করেন।
সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরে তাদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সভায় পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ করা ১৫ পারসেন্ট ক্যাশ এবং ১০ পারসেন্ট স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হয়, এ সময় তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।

সিটি ব্যাংকের ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শতকরা ১৫ ভাগ নগদ ও ১০ ভাগ স্টক লভ্যাংশের অনুমোদন দেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার। ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ, পরিচালক রুবেল আজিজ, হোসেন মেহমুদ, সৈয়দা শায়রীন আজিজ, সাভেরা এইচ মাহমুদ, রেবেকা ব্রোসন্যান, স্বতন্ত্র পরিচালকদ্বয় সেলিম মাহমুদ এমপি ও মতিউল ইসলাম নওশাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, কোম্পানি সেক্রেটারি মো. কাফি খান, পদস্থ কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার এই এজিএমে অংশ নেন।
স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার ২০২৩ সালের ব্যাংকের ৬৩৮ কোটি টাকার সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফার প্রশংসা করে বলেন, ‘এর আগের বছরের ৪৭৮ কোটি টাকা থেকে মুনাফার এই ৩৩ দশমিক ৫ পারসেন্ট প্রবৃদ্ধি সিটি ব্যাংকের শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও সুশাসনের স্মারক।’
আজিজ আল কায়সার আরও বলেন, ‘ব্যাংকের মোট চলতি ও সঞ্চয়ী আমানত বেড়ে গত বছরের ডিসেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে মোট আমানতের ৫১ শতাংশে, যা চার বছর আগেও ছিল মাত্র ৩৬ শতাংশ।’ তিনি সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংক প্ল্যাটফরম সিটিটাচের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে জানান, ২০২৩ সালে গ্রাহকেরা সিটিটাচে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন করেছেন, যা চলতি বছরে ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর অনুযায়ী ব্যাংকের নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক বিবরণী এই সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর আলোচনা করেন।
সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরে তাদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সভায় পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ করা ১৫ পারসেন্ট ক্যাশ এবং ১০ পারসেন্ট স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হয়, এ সময় তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) কাছে মোট ৩৩ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের। এর মধ্যে বিপিসির পাওনা ১১ হাজার ৬৪৭ কোটি ৪ লাখ টাকা এবং পেট্রোবাংলার পাওনা ২১ হাজার ৬৯০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
১৮ মিনিট আগে
সভায় জানানো হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমানের মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে অপারেশনাল মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা।
১ ঘণ্টা আগে
চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরব; যা বিনোদন, ব্যবসা ও ধর্মীয় ভ্রমণের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ চাহিদার ইঙ্গিত দেয়। নেপাল, ভারত, ভুটান ও ইন্দোনেশিয়া যথাক্রমে সপ্তম থেকে দশম স্থানে থেকে শীর্ষ দশের তালিকা সম্পূর্ণ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিনের আলোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিমানের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে