
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) গ্রাহকদের যেকোনো ফি এখন থেকে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের মাধ্যমে ঘরে বসেই পরিশোধ করা যাবে।
সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে বিআরটিএর ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার সিএনএস লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এসংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে নগদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম, কী-স্টেকহোল্ডার রিলেশনের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং সিএনএস লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার মেজর জিয়াউল আহসান সারোয়ার (অব.) ও হেড অব অপারেশন মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন।
নগদ ও সিএনএস লিমিটেডের এই চুক্তির ফলে এখন থেকে মোটরযান নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিটসহ বিআরটিএর যেকোনো সেবার ফি এখন থেকে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধ করার জন্য গ্রাহকদের আর স্বশরীরে ব্যাংক অথবা বিআরটিএর নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে হবে না। নগদের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ফি পরিশোধ করার সঙ্গে সঙ্গে নগদ পেমেন্ট সিস্টেমেই চলে আসবে ই-রিসিট। সেটি দেখিয়ে পরে সুবিধামতো সময়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর জটিলতা ছাড়াই গ্রাহক ব্যাংক অথবা বিআরটিএর নির্ধারিত স্থান থেকে মূল রিসিট সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।
এ সময় নগদের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম বলেন, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় নগদের মাধ্যমে বিআরটিএর ফি পরিশোধের এই সুযোগের ফলে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ফি দেওয়ার ভোগান্তি থেকে মিলবে মুক্তি, বাঁচবে কর্মঘণ্টা। নগদ বরাবরই নাগরিক জীবনযাত্রা আরো সহজ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নগদের এ ধরনের সেবার মাধ্যমে ক্যাশলেস সোসাইটির পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
বিআরটিএ গ্রাহকদের সব ধরনের ফি পরিশোধের পাশাপাশি বর্তমানে নগদের মাধ্যমে খুব সহজের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোনসহ বিভিন্ন ধরনের সেবার ফি পরিশোধ করা যায়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন, ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম ও ঋণের কিস্তি এবং ক্রেডিট কার্ডের বিলসহ আরও নানা ধরনের বিল পরিশোধ সেবা চালু রয়েছে ডাক বিভাগের এমএফএস প্রতিষ্ঠান নগদে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) গ্রাহকদের যেকোনো ফি এখন থেকে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের মাধ্যমে ঘরে বসেই পরিশোধ করা যাবে।
সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে বিআরটিএর ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার সিএনএস লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এসংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে নগদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম, কী-স্টেকহোল্ডার রিলেশনের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং সিএনএস লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার মেজর জিয়াউল আহসান সারোয়ার (অব.) ও হেড অব অপারেশন মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন।
নগদ ও সিএনএস লিমিটেডের এই চুক্তির ফলে এখন থেকে মোটরযান নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিটসহ বিআরটিএর যেকোনো সেবার ফি এখন থেকে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধ করার জন্য গ্রাহকদের আর স্বশরীরে ব্যাংক অথবা বিআরটিএর নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে হবে না। নগদের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ফি পরিশোধ করার সঙ্গে সঙ্গে নগদ পেমেন্ট সিস্টেমেই চলে আসবে ই-রিসিট। সেটি দেখিয়ে পরে সুবিধামতো সময়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর জটিলতা ছাড়াই গ্রাহক ব্যাংক অথবা বিআরটিএর নির্ধারিত স্থান থেকে মূল রিসিট সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।
এ সময় নগদের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম বলেন, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় নগদের মাধ্যমে বিআরটিএর ফি পরিশোধের এই সুযোগের ফলে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ফি দেওয়ার ভোগান্তি থেকে মিলবে মুক্তি, বাঁচবে কর্মঘণ্টা। নগদ বরাবরই নাগরিক জীবনযাত্রা আরো সহজ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নগদের এ ধরনের সেবার মাধ্যমে ক্যাশলেস সোসাইটির পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
বিআরটিএ গ্রাহকদের সব ধরনের ফি পরিশোধের পাশাপাশি বর্তমানে নগদের মাধ্যমে খুব সহজের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোনসহ বিভিন্ন ধরনের সেবার ফি পরিশোধ করা যায়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন, ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম ও ঋণের কিস্তি এবং ক্রেডিট কার্ডের বিলসহ আরও নানা ধরনের বিল পরিশোধ সেবা চালু রয়েছে ডাক বিভাগের এমএফএস প্রতিষ্ঠান নগদে।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
৪ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
৫ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
৫ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৮ ঘণ্টা আগে