
শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত নভেম্বর মাসে এক ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৬ কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এনফোর্সমেন্ট বিভাগের চারটি পৃথক আদেশে এ দণ্ড আরোপ করা হয়।
বিএসইসির তথ্যমতে, দণ্ডিত ব্যক্তি হলেন আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সরোয়ার। তাঁর বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা জরিমানা নির্ধারণ করেছে কমিশন। দণ্ডিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইসলাম এন্টারপ্রাইজকে ৫ কোটি ২৫ লাখ, রাইয়ান ট্রেডিংকে ২ কোটি ৭৩ লাখ এবং ফারুক এন্টারপ্রাইজকে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
বিএসইসির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘বাজারে আইন লঙ্ঘন বা কারসাজির কোনো সুযোগ আমরা দিচ্ছি না। সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত, লেনদেন বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের ভিত্তিতে এসব তদন্ত চালানো হয়। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। নিয়ম ভাঙলে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান—যেই হোক, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাজারকে স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব রাখতে এ কঠোরতা অব্যাহত থাকবে।’
বিএসইসি জানায়, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার লেনদেনে অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা যায়। লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, তাদের কর্মকাণ্ড সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর সেকশন ২২ এবং বিএসইসি আইন, ১৯৯৩-এর ধারা ১৮ লঙ্ঘন করেছে। এ কারণে কমিশন আইনানুগ ক্ষমতাবলে তাদের বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করেছে।
বিএসইসির আদেশে বলা হয়, ৩০ দিনের মধ্যে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে জরিমানার অর্থ কমিশনের অনুকূলে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দিলে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিএসইসি।

চুলের যত্নের পণ্য লিলি সিরাম ওয়েল এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। সুপারশপ ও মডার্ন ট্রেড আউটলেটের পাশাপাশি শহর, উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলের কসমেটিকস, বিউটি স্টোর এবং মুদি-মনোহরি দোকানেও পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধির পর আজ শুক্রবার বেড়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। সব মিলিয়ে টানা দুই দিনে সোনার দাম বেড়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার...
১৬ ঘণ্টা আগে
কনটেইনার, কার্গো ও জাহাজ হ্যান্ডলিং—তিন ক্ষেত্রেই নতুন রেকর্ড গড়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আয় ও উদ্বৃত্তেও ইতিহাস সৃষ্টি করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি। বিদায়ী অর্থবছরে কর-পরবর্তী উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকার বেশি।
১ দিন আগে
রপ্তানি আয়ে লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে থেকে শেষ হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর। বিদায়ী অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৮ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ কম।
১ দিন আগে