নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে আবারও বড় অঙ্কের ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার বাজার হস্তক্ষেপের অংশ হিসেবে ২৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৩৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিটি ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ছিল ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মো. আরিফ হোসেন জানান, রিজার্ভে চাপ মোকাবিলা ও বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মূলত বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য রক্ষা, রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবাহ তৈরি এবং টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার ক্রয় অব্যাহত রেখেছে।
জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরুর দুই মাসেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার ক্রয়ের অঙ্ক দাঁড়াল ১ হাজার ৭৪৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপ একদিকে যেমন রিজার্ভ বাড়াতে সহায়ক হবে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ডলার সরবরাহ পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলবে। তবে আমদানি ব্যয়, রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ কেমন থাকে, তার ওপরই সামগ্রিক প্রভাব নির্ভর করবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, রিজার্ভে ইতিমধ্যে উন্নতির ধারা শুরু হয়েছে। নিয়মিত ডলার ক্রয়ের মাধ্যমে এ ধারা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে আবারও বড় অঙ্কের ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার বাজার হস্তক্ষেপের অংশ হিসেবে ২৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৩৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিটি ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ছিল ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মো. আরিফ হোসেন জানান, রিজার্ভে চাপ মোকাবিলা ও বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মূলত বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য রক্ষা, রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবাহ তৈরি এবং টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার ক্রয় অব্যাহত রেখেছে।
জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরুর দুই মাসেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার ক্রয়ের অঙ্ক দাঁড়াল ১ হাজার ৭৪৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপ একদিকে যেমন রিজার্ভ বাড়াতে সহায়ক হবে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ডলার সরবরাহ পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলবে। তবে আমদানি ব্যয়, রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ কেমন থাকে, তার ওপরই সামগ্রিক প্রভাব নির্ভর করবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, রিজার্ভে ইতিমধ্যে উন্নতির ধারা শুরু হয়েছে। নিয়মিত ডলার ক্রয়ের মাধ্যমে এ ধারা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৫ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে