নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টানা দ্বিতীয় মাসের মতো কমেছে দেশের অর্থনীতির গতি। মার্চ মাসে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির গতি নির্দেশক সূচক পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) সূচক দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ৭-এ, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৯ পয়েন্ট কম। ফেব্রুয়ারিতে সূচক ছিল ৬৪ দশমিক ৬ পয়েন্ট, যা জানুয়ারির তুলনায় ১ দশমিক ১ পয়েন্ট কম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পিএমআই সামগ্রিক স্কোর ছিল ৬৫ দশমিক ৭।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি সংকোচনের ধারায় চলে গিয়েছিল। অক্টোবর মাসে তা আবার সম্প্রসারণের ধারায় ফিরে আসে। নভেম্বরে এই গতি বাড়লেও ডিসেম্বরে সম্প্রসারণের গতি শ্লথ হয়ে যায়। জানুয়ারি মাসে গতি কিছুটা বাড়ে। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে তা আবার কিছুটা কমেছে।
পিএমআই সূচক শূন্য থেকে ১০০ নম্বরের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। সূচকের মান ৫০-এর বেশি হলে অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং ৫০-এর নিচে হলে সংকোচন বোঝায়। আর মান ৫০ থাকলে বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট খাতে ওই মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত বছরের জুলাইয়ে এক ধাক্কায় পিএমআই মান ৩৬ দশমিক ৯ পয়েন্টে নেমে এসেছিল। আগস্টে তা কিছুটা বেড়ে ৪৯ দশমিক ৭ পয়েন্ট হয়। আর অক্টোবরে এসে ৫৫ দশমিক ৭ পয়েন্টে উঠে আসে। এর পর থেকে অর্থনীতি সম্প্রসারণের ধারায় আছে।
ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের শতবর্ষের পুরোনো সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশ এক বছর ধরে যৌথভাবে পিএমআই প্রণয়ন করছে, যা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার সঠিক ও সময়োচিত বিশ্লেষণ প্রদান করে, যাতে ব্যবসা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকেরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। দেশের অর্থনীতির প্রধান চারটি খাত নিয়ে এই সূচক প্রণয়ন করা হয়। সেই চারটি খাত হলো উৎপাদন, কৃষি, নির্মাণ ও সেবা।
মার্চ মাসের সূচক চিত্রে দেখা যায়, চার খাতের মধ্যে কৃষি, উৎপাদন ও নির্মাণ—তিনটিতেই ধীরগতি। এই হ্রাসের পেছনে মূলত কৃষি, উৎপাদন ও নির্মাণ খাতের ধীর সম্প্রসারণ হার দায়ী, যদিও সেবা খাতে দ্রুততর সম্প্রসারণ লক্ষ করা গেছে।

কৃষি খাত: ছয় মাস ধরে সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকলেও মার্চে গতি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে সূচক ছিল ৬৬ দশমিক ৪, যা মার্চে নেমে আসে ৫৮ দশমিক ২-এ।
উৎপাদন খাত: টানা সাত মাস ধরে সম্প্রসারণে থাকলেও গতি কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে সূচক ছিল ৭২ দশমিক ৬, মার্চে তা নেমে দাঁড়ায় ৬৪ দশমিক ৩-এ। বিশেষ করে অর্ডার ব্যাকলগ ও কর্মসংস্থান সূচকে সংকোচনের প্রবণতা স্পষ্ট।
নির্মাণ খাত: চার মাস ধরে সম্প্রসারণের ধারায় রয়েছে। ফেব্রুয়ারির ৫৯ দশমিক ৬ থেকে মার্চে সূচক নেমে আসে ৫৪ দশমিক ১-এ। নির্মাণ কার্যক্রম ও ব্যাকলগ সূচকে নেতিবাচক প্রবণতা থাকলেও কর্মসংস্থান সূচক কিছুটা ইতিবাচক।
সেবা খাত: টানা ছয় মাস ধরে সম্প্রসারণে রয়েছে এবং এই একমাত্র খাত, যেখানে মার্চে সম্প্রসারণের গতি বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির ৬১ দশমিক ৩ থেকে বেড়ে মার্চে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ৫-এ। ঈদ উৎসব ঘিরে খুচরা বাণিজ্য বৃদ্ধিই এর মূল কারণ।
ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও কর্মসংস্থান সূচকগুলোতে দ্রুত সম্প্রসারণ দেখা গেছে, তবে নতুন ব্যবসা ও ইনপুট খরচ সূচকগুলোতে ধীর সম্প্রসারণ হয়েছে। অর্ডার ব্যাকলগ সূচকটি দ্রুততর সংকোচন হয়েছে। ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের দিক থেকে কৃষি ও নির্মাণ খাত দ্রুততর সম্প্রসারণ হয়েছে, যেখানে উৎপাদন খাতের সূচক ধীর সম্প্রসারণে ছিল। সেবা খাতের সূচকটি ১৫ মাসের পর প্রথমবারের মতো সংকোচনে ফিরেছে।
গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ও সিইও মাশরুর রিয়াজ বলেন, সর্বশেষ পিএমআই সূচকগুলো মার্চ মাসে দেশের অর্থনীতির ধীর সম্প্রসারণ নির্দেশ করে। শুধু সেবা খাত ঈদ উৎসবের কারণে দ্রুততর সম্প্রসারণ হয়েছে, যা সাধারণত খুচরা উপখাতের জন্য ব্যবসার সর্বোচ্চ সময়। তবে ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকটি ১৫ মাসের সম্প্রসারণের পর প্রথমবারের মতো সংকোচন হয়েছে।

টানা দ্বিতীয় মাসের মতো কমেছে দেশের অর্থনীতির গতি। মার্চ মাসে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির গতি নির্দেশক সূচক পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) সূচক দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ৭-এ, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৯ পয়েন্ট কম। ফেব্রুয়ারিতে সূচক ছিল ৬৪ দশমিক ৬ পয়েন্ট, যা জানুয়ারির তুলনায় ১ দশমিক ১ পয়েন্ট কম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পিএমআই সামগ্রিক স্কোর ছিল ৬৫ দশমিক ৭।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি সংকোচনের ধারায় চলে গিয়েছিল। অক্টোবর মাসে তা আবার সম্প্রসারণের ধারায় ফিরে আসে। নভেম্বরে এই গতি বাড়লেও ডিসেম্বরে সম্প্রসারণের গতি শ্লথ হয়ে যায়। জানুয়ারি মাসে গতি কিছুটা বাড়ে। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে তা আবার কিছুটা কমেছে।
পিএমআই সূচক শূন্য থেকে ১০০ নম্বরের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। সূচকের মান ৫০-এর বেশি হলে অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং ৫০-এর নিচে হলে সংকোচন বোঝায়। আর মান ৫০ থাকলে বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট খাতে ওই মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত বছরের জুলাইয়ে এক ধাক্কায় পিএমআই মান ৩৬ দশমিক ৯ পয়েন্টে নেমে এসেছিল। আগস্টে তা কিছুটা বেড়ে ৪৯ দশমিক ৭ পয়েন্ট হয়। আর অক্টোবরে এসে ৫৫ দশমিক ৭ পয়েন্টে উঠে আসে। এর পর থেকে অর্থনীতি সম্প্রসারণের ধারায় আছে।
ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের শতবর্ষের পুরোনো সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশ এক বছর ধরে যৌথভাবে পিএমআই প্রণয়ন করছে, যা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার সঠিক ও সময়োচিত বিশ্লেষণ প্রদান করে, যাতে ব্যবসা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকেরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। দেশের অর্থনীতির প্রধান চারটি খাত নিয়ে এই সূচক প্রণয়ন করা হয়। সেই চারটি খাত হলো উৎপাদন, কৃষি, নির্মাণ ও সেবা।
মার্চ মাসের সূচক চিত্রে দেখা যায়, চার খাতের মধ্যে কৃষি, উৎপাদন ও নির্মাণ—তিনটিতেই ধীরগতি। এই হ্রাসের পেছনে মূলত কৃষি, উৎপাদন ও নির্মাণ খাতের ধীর সম্প্রসারণ হার দায়ী, যদিও সেবা খাতে দ্রুততর সম্প্রসারণ লক্ষ করা গেছে।

কৃষি খাত: ছয় মাস ধরে সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকলেও মার্চে গতি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে সূচক ছিল ৬৬ দশমিক ৪, যা মার্চে নেমে আসে ৫৮ দশমিক ২-এ।
উৎপাদন খাত: টানা সাত মাস ধরে সম্প্রসারণে থাকলেও গতি কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে সূচক ছিল ৭২ দশমিক ৬, মার্চে তা নেমে দাঁড়ায় ৬৪ দশমিক ৩-এ। বিশেষ করে অর্ডার ব্যাকলগ ও কর্মসংস্থান সূচকে সংকোচনের প্রবণতা স্পষ্ট।
নির্মাণ খাত: চার মাস ধরে সম্প্রসারণের ধারায় রয়েছে। ফেব্রুয়ারির ৫৯ দশমিক ৬ থেকে মার্চে সূচক নেমে আসে ৫৪ দশমিক ১-এ। নির্মাণ কার্যক্রম ও ব্যাকলগ সূচকে নেতিবাচক প্রবণতা থাকলেও কর্মসংস্থান সূচক কিছুটা ইতিবাচক।
সেবা খাত: টানা ছয় মাস ধরে সম্প্রসারণে রয়েছে এবং এই একমাত্র খাত, যেখানে মার্চে সম্প্রসারণের গতি বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির ৬১ দশমিক ৩ থেকে বেড়ে মার্চে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ৫-এ। ঈদ উৎসব ঘিরে খুচরা বাণিজ্য বৃদ্ধিই এর মূল কারণ।
ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও কর্মসংস্থান সূচকগুলোতে দ্রুত সম্প্রসারণ দেখা গেছে, তবে নতুন ব্যবসা ও ইনপুট খরচ সূচকগুলোতে ধীর সম্প্রসারণ হয়েছে। অর্ডার ব্যাকলগ সূচকটি দ্রুততর সংকোচন হয়েছে। ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের দিক থেকে কৃষি ও নির্মাণ খাত দ্রুততর সম্প্রসারণ হয়েছে, যেখানে উৎপাদন খাতের সূচক ধীর সম্প্রসারণে ছিল। সেবা খাতের সূচকটি ১৫ মাসের পর প্রথমবারের মতো সংকোচনে ফিরেছে।
গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ও সিইও মাশরুর রিয়াজ বলেন, সর্বশেষ পিএমআই সূচকগুলো মার্চ মাসে দেশের অর্থনীতির ধীর সম্প্রসারণ নির্দেশ করে। শুধু সেবা খাত ঈদ উৎসবের কারণে দ্রুততর সম্প্রসারণ হয়েছে, যা সাধারণত খুচরা উপখাতের জন্য ব্যবসার সর্বোচ্চ সময়। তবে ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকটি ১৫ মাসের সম্প্রসারণের পর প্রথমবারের মতো সংকোচন হয়েছে।

এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
২ ঘণ্টা আগে
গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্কের বাড়তি বোঝা শুধু মার্কিন অর্থনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। শুল্কের চাপে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাকের ব্র্যান্ড ক্রেতারা আমদানি কমিয়েছেন ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় উঠেছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম। এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার...
৬ ঘণ্টা আগে
সংকট কাটিয়ে উঠতে বাকিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির সুযোগ দিল সরকার। এজন্য দেশি ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে আমদানি করা যাবে। আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার দিয়ে বলেছে, ‘ক্রেডিটে আমদানির করা...
৬ ঘণ্টা আগে