মাহফুজুল ইসলাম, ঢাকা

সম্প্রতি লাইফ বিমাকারীর সলভেন্সি মার্জিন প্রবিধানমালা, ২০২৪-এর গেজেট প্রকাশ করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এ প্রবিধানমালার আওতায় নতুন জীবনবিমা কোম্পানি গঠনের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে যে ব্যয় ধরা হয়, সেগুলোর মধ্যে অফিস স্টেশনারি, জিনিসপত্র, অনাদায়ী প্রিমিয়াম এবং সফটওয়্যারসহ ১০ ধরনের সম্পদকে প্রকৃত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
আইডিআরএর পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, এই আইনটি দেশের বিমা খাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। নতুন বিধানটি জীবনবিমা কোম্পানি গঠনের শুরু থেকেই অনিয়ম প্রতিরোধে সহায়তা করবে। এ ছাড়াও, সলভেন্সি মার্জিনে ৬টি নতুন প্রবিধান এবং ৩টি তফসিল সংযুক্ত করা হয়েছে।
সম্পদ মূল্যায়ন
নতুন সলভেন্সি মার্জিন প্রবিধানমালা, ২০২৪-এ সম্পদ মূল্যায়নসম্পর্কিত বিধান অনুযায়ী, কোম্পানি গঠনে প্রাথমিক ব্যয়, আদায়যোগ্য নয় এমন ঋণ, অ-আদায়যোগ্য অগ্রিম, আসবাবপত্র, স্থাপিত জিনিসপত্র, ডেড-স্টক, সফটওয়্যার এবং স্টেশনারি মালপত্রকে কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ হিসেবে গণনা করা যাবে না। এ ছাড়া, পূর্বে পরিশোধিত খরচ, লাভ ও ক্ষতির হিসাব সমন্বয় স্থিতি, পুনর্বিমাকারীর ৬ মাসের বেশি অনাদায়ী স্থিতি, অস্পর্শযোগ্য (ইনট্যানজিবল) সম্পদ, অনাদায়ী প্রিমিয়াম (যা ৩ মাসের মধ্যে অথবা আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী নিরীক্ষক কর্তৃক রিটার্ন স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়নি) এবং এজেন্টের স্থিতি (যা আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী নিরীক্ষক কর্তৃক রিটার্ন স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত সমন্বয় করা হয়নি)—এসব খরচকে জীবনবিমা কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
জীবনবিমা কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়ন সম্পর্কে আরও বলা হয়েছে, নগদ এবং নগদতুল্য সম্পদ, সরকারি সিকিউরিটিজ (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), স্থায়ী আমানত (যে পরিমাণ আদায়যোগ্য হয়), শেয়ারে বিনিয়োগ (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), মিউচুয়াল ফান্ড (ফেয়ার ভ্যালু, নেট অ্যাসেট ভ্যালু, অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), ডিবেঞ্চার-বন্ড (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), অন্য সিকিউরিটিজ (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), স্থাবর সম্পত্তি (ক্রয়মূল্য অথবা ফেয়ার ভ্যালু, যা কম হয়), অন্য স্পর্শনীয় সম্পদ (ক্রয়মূল্য, অবচায়িত মূল্য অথবা ফেয়ার ভ্যালু, যা কম হয়) এবং পলিসি বোনাসকে প্রকৃত সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হবে।
প্রবিধান ৪-এ দায়ের পরিমাণের একটি বিবরণী প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে, প্রবিধান ৫-এ প্রয়োজনীয় সলভেন্সি মার্জিন এবং সলভেন্সি মার্জিনের একটি বিবরণী প্রস্তুত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রবিধান ৬-এ নন-লাইফ বিমা কোম্পানির সলভেন্সি অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিমা কোম্পানিগুলোর মালিকদের সংগঠন বিআইএ প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ পাভেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে আইন করা হয়েছে। আইন ভালো হয়েছে, তবে এর বাস্তবায়ন কঠিন হবে।’

সম্প্রতি লাইফ বিমাকারীর সলভেন্সি মার্জিন প্রবিধানমালা, ২০২৪-এর গেজেট প্রকাশ করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এ প্রবিধানমালার আওতায় নতুন জীবনবিমা কোম্পানি গঠনের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে যে ব্যয় ধরা হয়, সেগুলোর মধ্যে অফিস স্টেশনারি, জিনিসপত্র, অনাদায়ী প্রিমিয়াম এবং সফটওয়্যারসহ ১০ ধরনের সম্পদকে প্রকৃত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
আইডিআরএর পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, এই আইনটি দেশের বিমা খাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। নতুন বিধানটি জীবনবিমা কোম্পানি গঠনের শুরু থেকেই অনিয়ম প্রতিরোধে সহায়তা করবে। এ ছাড়াও, সলভেন্সি মার্জিনে ৬টি নতুন প্রবিধান এবং ৩টি তফসিল সংযুক্ত করা হয়েছে।
সম্পদ মূল্যায়ন
নতুন সলভেন্সি মার্জিন প্রবিধানমালা, ২০২৪-এ সম্পদ মূল্যায়নসম্পর্কিত বিধান অনুযায়ী, কোম্পানি গঠনে প্রাথমিক ব্যয়, আদায়যোগ্য নয় এমন ঋণ, অ-আদায়যোগ্য অগ্রিম, আসবাবপত্র, স্থাপিত জিনিসপত্র, ডেড-স্টক, সফটওয়্যার এবং স্টেশনারি মালপত্রকে কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ হিসেবে গণনা করা যাবে না। এ ছাড়া, পূর্বে পরিশোধিত খরচ, লাভ ও ক্ষতির হিসাব সমন্বয় স্থিতি, পুনর্বিমাকারীর ৬ মাসের বেশি অনাদায়ী স্থিতি, অস্পর্শযোগ্য (ইনট্যানজিবল) সম্পদ, অনাদায়ী প্রিমিয়াম (যা ৩ মাসের মধ্যে অথবা আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী নিরীক্ষক কর্তৃক রিটার্ন স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়নি) এবং এজেন্টের স্থিতি (যা আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী নিরীক্ষক কর্তৃক রিটার্ন স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত সমন্বয় করা হয়নি)—এসব খরচকে জীবনবিমা কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
জীবনবিমা কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়ন সম্পর্কে আরও বলা হয়েছে, নগদ এবং নগদতুল্য সম্পদ, সরকারি সিকিউরিটিজ (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), স্থায়ী আমানত (যে পরিমাণ আদায়যোগ্য হয়), শেয়ারে বিনিয়োগ (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), মিউচুয়াল ফান্ড (ফেয়ার ভ্যালু, নেট অ্যাসেট ভ্যালু, অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), ডিবেঞ্চার-বন্ড (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), অন্য সিকিউরিটিজ (ফেয়ার ভ্যালু অথবা বাজারমূল্য, যা কম হয়), স্থাবর সম্পত্তি (ক্রয়মূল্য অথবা ফেয়ার ভ্যালু, যা কম হয়), অন্য স্পর্শনীয় সম্পদ (ক্রয়মূল্য, অবচায়িত মূল্য অথবা ফেয়ার ভ্যালু, যা কম হয়) এবং পলিসি বোনাসকে প্রকৃত সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হবে।
প্রবিধান ৪-এ দায়ের পরিমাণের একটি বিবরণী প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে, প্রবিধান ৫-এ প্রয়োজনীয় সলভেন্সি মার্জিন এবং সলভেন্সি মার্জিনের একটি বিবরণী প্রস্তুত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রবিধান ৬-এ নন-লাইফ বিমা কোম্পানির সলভেন্সি অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিমা কোম্পানিগুলোর মালিকদের সংগঠন বিআইএ প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ পাভেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে আইন করা হয়েছে। আইন ভালো হয়েছে, তবে এর বাস্তবায়ন কঠিন হবে।’

দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গণভোট ইস্যুতে প্রচারে আর্থিক সহায়তা চাইলে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর)
১৪ মিনিট আগে
নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৬ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১৩ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১৩ ঘণ্টা আগে