নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

তৃতীয় পক্ষের অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে ‘নতুন ধারার জালিয়াতি’ হচ্ছে— এমন অভিযোগ আসার কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘রিচার্জিং-এ নতুন ধারার জালিয়াতি তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ থেকে মোবাইল প্যাকেজ ওভার চার্জিং!’
পোস্টে তিনি জানান, বিকাশের মতো তৃতীয় পক্ষের প্ল্যাটফর্মে উচ্চ মূল্যে মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজ বিক্রির মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক অনুমোদিত হারের তুলনায় বেশি চার্জ করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে।
ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, ‘মোবাইল প্যাকেজ ওভার চার্জিং: এ কল ফর রেগুলেটরি অডিট অ্যান্ড কনজ্যুমার প্রটেকশন’ শিরোনামের প্রতিবেদনে মোবাইল অপারেটর অ্যাপে তালিকাভুক্ত দাম ও বাহ্যিক চ্যানেলের মাধ্যমে চার্জ করা মূল্যে উল্লেখযোগ্য অসংগতি পাওয়া গেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্যাকেজগুলো গ্রাহকদের সঙ্গে কোনো যুক্তি বা স্পষ্ট যোগাযোগ ছাড়া অনুমোদিত মূল্যের চেয়ে ২০ থেকে ৮০ শতাংশ বেশি হারে বিক্রি হয়েছিল।
মোবাইল অপারেটরের নিজস্ব অ্যাপে ৩০ দিনের ৪৫ জিবি ডেটা প্যাকের দাম ছিল ৪৯৭ টাকা; কিন্তু একই প্যাক বিকাশের মাধ্যমে ৫৯৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা ২০ শতাংশ বেশি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস অ্যান্ড পিআর শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিকাশের প্ল্যাটফর্মে মোবাইল রিচার্জ-সংক্রান্ত সব প্যাকেজ ও প্যাকেজের মূল্য সংশ্লিষ্ট টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত। পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের জন্য শুধু পেমেন্ট সুবিধা দিয়ে থাকে। বিকাশ অ্যাপের মোবাইল রিচার্জ স্ক্রিনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা রয়েছে, অফারের বিস্তারিত বা কোনো নির্দিষ্ট অফার পাবেন কি না জানতে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’

তৃতীয় পক্ষের অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল রিচার্জের ক্ষেত্রে ‘নতুন ধারার জালিয়াতি’ হচ্ছে— এমন অভিযোগ আসার কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ফয়েজ আহমদ বলেন, ‘রিচার্জিং-এ নতুন ধারার জালিয়াতি তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ থেকে মোবাইল প্যাকেজ ওভার চার্জিং!’
পোস্টে তিনি জানান, বিকাশের মতো তৃতীয় পক্ষের প্ল্যাটফর্মে উচ্চ মূল্যে মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজ বিক্রির মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক অনুমোদিত হারের তুলনায় বেশি চার্জ করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে।
ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, ‘মোবাইল প্যাকেজ ওভার চার্জিং: এ কল ফর রেগুলেটরি অডিট অ্যান্ড কনজ্যুমার প্রটেকশন’ শিরোনামের প্রতিবেদনে মোবাইল অপারেটর অ্যাপে তালিকাভুক্ত দাম ও বাহ্যিক চ্যানেলের মাধ্যমে চার্জ করা মূল্যে উল্লেখযোগ্য অসংগতি পাওয়া গেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্যাকেজগুলো গ্রাহকদের সঙ্গে কোনো যুক্তি বা স্পষ্ট যোগাযোগ ছাড়া অনুমোদিত মূল্যের চেয়ে ২০ থেকে ৮০ শতাংশ বেশি হারে বিক্রি হয়েছিল।
মোবাইল অপারেটরের নিজস্ব অ্যাপে ৩০ দিনের ৪৫ জিবি ডেটা প্যাকের দাম ছিল ৪৯৭ টাকা; কিন্তু একই প্যাক বিকাশের মাধ্যমে ৫৯৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা ২০ শতাংশ বেশি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস অ্যান্ড পিআর শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিকাশের প্ল্যাটফর্মে মোবাইল রিচার্জ-সংক্রান্ত সব প্যাকেজ ও প্যাকেজের মূল্য সংশ্লিষ্ট টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত। পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের জন্য শুধু পেমেন্ট সুবিধা দিয়ে থাকে। বিকাশ অ্যাপের মোবাইল রিচার্জ স্ক্রিনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা রয়েছে, অফারের বিস্তারিত বা কোনো নির্দিষ্ট অফার পাবেন কি না জানতে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১০ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে