আজকের পত্রিকা ডেস্ক

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে ২ বছর অনুপস্থিত থাকায় চাকরি হারিয়েছেন রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল মাহমুদ জুয়েল। গত রোববার তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণ করে আদেশ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতে সই করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।
এনবিআরের আদেশে বলা হয়, ২০২২ সালের ২১ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত রাসেল মাহমুদ জুয়েল অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেছেন। এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা’ ২০১৮ এর বিধি-৩ (গ) অনুযায়ী ‘পলায়ন’ (ডেজারশান)—এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী জুয়েলের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় রেজিষ্টার্ড ডাক যোগে প্রেরণ করা হলেও তা ফেরত আসে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা জুয়েল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করেননি। ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আগ্রহও প্রকাশ করেননি।
পরবর্তীতে ওই মামলার বিষয়ে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব আরজিনা খাতুনকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পাওয়া দলিলাদির বিশ্লেষণে ২০২২ সালের ২১ আগস্ট থেকে জুয়েলের অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগটি প্রমাণিত হয়েছে।
এনবিআরের আদেশে আরও বলা হয়, পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জুয়েলকে দোষী সাব্যস্ত করে গুরুদণ্ড আরোপের সিদ্ধান্ত হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়।
দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিল করার নির্দেশনা থাকলেও জুয়েল কোনো জবাব দাখিল করেননি। তাই সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে তাঁকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৪ (৩) (গ) বিধি অনুযায়ী ‘চাকরি হতে অপসারণ’ গুরুদন্ড প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশন ঐক্যমত পোষণ করেন। ফলে রাসেল মাহমুদ জুয়েলকে বিধিমালার ৪ (৩) (গ) অনুযায়ী গুরুদণ্ড হিসেবে পলায়নের তারিখ থেকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো।

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে ২ বছর অনুপস্থিত থাকায় চাকরি হারিয়েছেন রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল মাহমুদ জুয়েল। গত রোববার তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণ করে আদেশ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এতে সই করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।
এনবিআরের আদেশে বলা হয়, ২০২২ সালের ২১ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত রাসেল মাহমুদ জুয়েল অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেছেন। এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা’ ২০১৮ এর বিধি-৩ (গ) অনুযায়ী ‘পলায়ন’ (ডেজারশান)—এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী জুয়েলের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় রেজিষ্টার্ড ডাক যোগে প্রেরণ করা হলেও তা ফেরত আসে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা জুয়েল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করেননি। ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আগ্রহও প্রকাশ করেননি।
পরবর্তীতে ওই মামলার বিষয়ে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব আরজিনা খাতুনকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পাওয়া দলিলাদির বিশ্লেষণে ২০২২ সালের ২১ আগস্ট থেকে জুয়েলের অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগটি প্রমাণিত হয়েছে।
এনবিআরের আদেশে আরও বলা হয়, পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জুয়েলকে দোষী সাব্যস্ত করে গুরুদণ্ড আরোপের সিদ্ধান্ত হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়।
দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিল করার নির্দেশনা থাকলেও জুয়েল কোনো জবাব দাখিল করেননি। তাই সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে তাঁকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৪ (৩) (গ) বিধি অনুযায়ী ‘চাকরি হতে অপসারণ’ গুরুদন্ড প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশন ঐক্যমত পোষণ করেন। ফলে রাসেল মাহমুদ জুয়েলকে বিধিমালার ৪ (৩) (গ) অনুযায়ী গুরুদণ্ড হিসেবে পলায়নের তারিখ থেকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৯ ঘণ্টা আগে