বিজ্ঞপ্তি

শুদ্ধ বাংলা ভাষার ব্যবহার ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ বর্ষের মহোৎসবে সেরা বাংলাবিদ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন চট্টগ্রামের অভিষেক দাশ। রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড ইস্পাহানি মির্জাপুরের উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষা নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় মেধাভিত্তিক টিভি রিয়েলিটি শো ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’। নতুন প্রজন্মের কাছে শুদ্ধ বাংলা, বানান ও ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শুদ্ধ বাংলা ভাষার ব্যবহার, বানান চর্চা, শুদ্ধ উচ্চারণ ও ব্যাকরণের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায় শেষে চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের নির্ধারণ করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং ভাষাবিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকমণ্ডলী পুরো প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। প্রধান বিচারক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক, ভাষাবিদ তারিক মনজুর, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক এবং বিশিষ্ট অভিনয়শিল্পী ত্রপা মজুমদার। এ ছাড়া অতিথি বিচারক ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।

মহোৎসব ও চূড়ান্তপর্বে চট্টগ্রামের অভিষেক দাশ সেরা বাংলাবিদ হয়ে জিতে নেন ১০ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি। দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ঢাকার রিফা তাসনিয়া পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী চট্টগ্রামের রশ্মি তুলতুল চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি। এ ছাড়া প্রথম ১০ জন প্রতিযোগীর প্রত্যেককে ১টি ল্যাপটপসহ ব্যক্তিগত লাইব্রেরি করার জন্য ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের বাংলা বই ও বইয়ের আলমারি দেওয়া হয়।
উৎসবে অতিথি ছিলেন ইস্পাহানি গ্রুপের ডিরেক্টর জাহিদা ইস্পাহানি, ইমাদ ইস্পাহানি, মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি এবং তেহসিন চৌধুরী ইস্পাহানি। অনুষ্ঠানে চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, ইস্পাহানি টি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক ওমর হান্নান এবং চ্যানেল আই ও ইস্পাহানির অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

শুদ্ধ বাংলা ভাষার ব্যবহার ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ বর্ষের মহোৎসবে সেরা বাংলাবিদ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন চট্টগ্রামের অভিষেক দাশ। রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড ইস্পাহানি মির্জাপুরের উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষা নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় মেধাভিত্তিক টিভি রিয়েলিটি শো ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’। নতুন প্রজন্মের কাছে শুদ্ধ বাংলা, বানান ও ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শুদ্ধ বাংলা ভাষার ব্যবহার, বানান চর্চা, শুদ্ধ উচ্চারণ ও ব্যাকরণের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায় শেষে চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের নির্ধারণ করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং ভাষাবিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকমণ্ডলী পুরো প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। প্রধান বিচারক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক, ভাষাবিদ তারিক মনজুর, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক এবং বিশিষ্ট অভিনয়শিল্পী ত্রপা মজুমদার। এ ছাড়া অতিথি বিচারক ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।

মহোৎসব ও চূড়ান্তপর্বে চট্টগ্রামের অভিষেক দাশ সেরা বাংলাবিদ হয়ে জিতে নেন ১০ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি। দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ঢাকার রিফা তাসনিয়া পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী চট্টগ্রামের রশ্মি তুলতুল চৌধুরী পেয়েছেন ২ লাখ টাকার মেধাবৃত্তি। এ ছাড়া প্রথম ১০ জন প্রতিযোগীর প্রত্যেককে ১টি ল্যাপটপসহ ব্যক্তিগত লাইব্রেরি করার জন্য ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের বাংলা বই ও বইয়ের আলমারি দেওয়া হয়।
উৎসবে অতিথি ছিলেন ইস্পাহানি গ্রুপের ডিরেক্টর জাহিদা ইস্পাহানি, ইমাদ ইস্পাহানি, মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি এবং তেহসিন চৌধুরী ইস্পাহানি। অনুষ্ঠানে চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, ইস্পাহানি টি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক ওমর হান্নান এবং চ্যানেল আই ও ইস্পাহানির অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৮ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১ দিন আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১ দিন আগে