নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারণের গতি আরও মন্থর হয়ে পড়েছে। কৃষি, নির্মাণ, সেবা ও উৎপাদন— সব খাতের গতিই সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরের শেষ মাস জুনে তার আগের মাসের তুলনায় সম্প্রসারণ গতি কমেছে। এ সময় পিএমআই সূচক ৫ দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে ৫৩ দশমিক ১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, গত মে মাসে ছিল ৫৮ দশমিক ৯ পয়েন্ট।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) যৌথভাবে সোমবার বাংলাদেশ পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) এর জুন মাসের প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কৃষি, নির্মাণ, উৎপাদন ও সেবা এই চারটি খাতের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে সামগ্রিক পিএমআই সূচক নির্ধারণ করা হয়।
এর মধ্যে প্রতিটি খাতের সূচকই জুন মাসে কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নির্মাণ খাতে। একটি সংকোচনের ধারায় নেমেছে।
পিএমআই দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য ধারণা দিতে সহায়তা করে, যাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকেরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। পিএমআই শূন্য থেকে ১০০ নম্বরের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। সূচকের মান ৫০-এর বেশি হলে অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং ৫০-এর নিচে হলে সংকোচন বোঝায়। আর মান ৫০ থাকলে বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট খাতে ওই মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, সর্বশেষ পিএমআই রিডিং দেখাচ্ছে যে, বাংলাদেশ অর্থনীতি টানা ৯ মাস ধরে সম্প্রসারণে রয়েছে। তবে জুন মাসে সম্প্রসারণের গতি কিছুটা কমে এসেছে এবং নির্মাণ খাত গত ৮ মাসে প্রথমবারের মতো সংকোচনের মধ্যে পড়েছে। ঈদে দীর্ঘ ছুটি, বর্ষা মৌসুমের সূচনা এবং বাজেটে প্রত্যাশিত বা বাস্তবায়িত কর পরিবর্তনগুলো জুন মাসে অর্থনৈতিক গতিশীলতায় প্রভাব ফেলেছে।
গত বছরের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলনের জেরে পিএমআই মান ৩৬ দশমিক ৯ পয়েন্টে নেমে এসেছিল। আগস্টে তা কিছুটা বেড়ে ৪৯ দশমিক ৭ পয়েন্ট হয়। অক্টোবর মাসে তা ৫৫ দশমিক ৭ পয়েন্টে উঠে আসে। এর পর থেকে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি সম্প্রসারণের ধারায় আছে, তবে এই সম্প্রসারণের গতি কম।
এমসিসিআইর বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেবা খাত টানা ৯ মাস ধরে সম্প্রসারণে আছে, কিন্তু সম্প্রসারণের গতি কমেছে। নতুন ব্যবসা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং অর্ডার ব্যাকলগ সূচকগুলোতে সংকোচন দেখা গেছে, তবে কর্মসংস্থান এবং ইনপুট খরচ সূচকগুলোতে দ্রুত সম্প্রসারণ হয়েছে।
ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের ক্ষেত্রে, উৎপাদন এবং নির্মাণ খাতে ধীর সম্প্রসারণ, কিন্তু কৃষি ও সেবা খাতে দ্রুত সম্প্রসারণ লক্ষ্য করা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, নভেম্বর শেষে পিএমআই সূচক আগের মাস অক্টোবরের তুলনায় ৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ৬২ দশমিক ২ পয়েন্টে উঠেছিল।
পরের মাস ডিসেম্বরে পিএমআই সূচক কিছুটা কমে ৬১ দশমিক ৭ পয়েন্টে নেমে আসলেও জানুয়ারিতে পিএমআই সামগ্রিক স্কোর আবার বেড়ে ৬৫ দশমিক ৭ এ ওঠে আসে।
তবে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে আবার কমতে থাকে পিএমআই সূচক। ওই মাসে জানুয়ারির তুলনায় ১ দশমিক ১ পয়েন্ট কমে ৬৪ দশমিক ৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
মার্চ মাসে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির গতি নির্দেশক সূচক পিএমআই ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৯ পয়েন্ট কমে ৬১ দশমিক ৭-এ দাঁড়িয়েছে।
এপ্রিল মাসে দেশের অর্থনীতির প্রধান চারটি খাত নিয়ে প্রণীত পিএমআই সূচকের মান ৮ দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে যায়। এতে এপ্রিলে সূচকের নেমে আসে ৫২ দশমিক ৯ পয়েন্টে।
তবে মে মাসে দেশের পিএমআই সূচক আবার ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫৮ দশমিক ৯ পয়েন্টে ওঠে আসে। যা জুন মাসে কমে ৫৩ দশমিক ১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সামগ্রিক পিএমআই সূচক সম্প্রসারণ গতি নির্দেশ করলেও চার খাতের মধ্যে নির্মাণ খাত সংকোচনের ধারায় নেমে গেছে। প্রথমবারের মতো খাতটি সংকোচনের ধারায় নেমেছে। এ ছাড়া কৃষি, উৎপাদন এবং সেবা খাতগুলোও ধীর গতির সম্প্রসারণ হয়েছে।
কৃষি খাত টানা ৯ মাস ধরে সম্প্রসারণে রয়েছে, তবে এই সম্প্রসারণের গতি কমেছে। এই খাতে প্রথমবারের মতো চাকরির সূচকে সংকোচন দেখা গেছে, তবে নতুন ব্যবসা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, ইনপুট খরচ এবং অর্ডার ব্যাকলগের সূচকে দ্রুত সম্প্রসারণ দেখা গেছে।
মে মাসে এ খাতের স্কোর ছিল ৬৭ দশমিক ৩ পয়েন্ট, অর্থবছরের শেষ মাস জুনে দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে ৬৬ দশমিক ৫ এ নেমেছে।
উৎপাদন খাতেও পিএমআই সূচক কমেছে। এ খাতে মে মাসে পিএমআই সূচক ছিল ৬৭ পয়েন্ট, জুন মাসে সাড়ে ১২ পয়েন্ট কমে ৫৪ দশমিক ৫ এ নেমেছে।
এমসিসিআই বলছে, উৎপাদন খাত টানা ১০ মাস সম্প্রসারণের মধ্যে থাকলেও সম্প্রসারণের গতি হ্রাস পেয়েছে। এই খাতে ইনপুট ক্রয়, প্রস্তুত পণ্য, আমদানি এবং চাকরির সূচকে সংকোচন দেখা গেছে। নতুন অর্ডার, নতুন রপ্তানি, কারখানা উৎপাদন, ইনপুট মূল্য এবং সরবরাহকারীদের ডেলিভারির সূচকগুলো ধীর সম্প্রসারণ দেখিয়েছে। তবে অর্ডার ব্যাকলগ সূচক টানা ১০ মাসের সংকোচনের পর আবার সম্প্রসারণে ফিরেছে।
নির্মাণ খাতে পিএমআই সূচক কমেছে ১০ দশমিক ২ পয়েন্ট। মে মাসে সূচক ছিল ৫১ দশমিক ৮, যা জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক ৬ পয়েন্ট।
এমসিসিআইর বিশ্লেষণ বলছে, নির্মাণ খাত ৬ মাসের সম্প্রসারণের পর আবার সংকোচনে ফিরে গেছে। নতুন ব্যবসা, নির্মাণ কার্যক্রম, কর্মসংস্থান এবং অর্ডার ব্যাকলগ সূচকগুলো সংকোচনের দিক দেখিয়েছে। ইনপুট খরচ সূচকে ধীর গতির সম্প্রসারণ দেখা গেছে।
সেবা খাতের পিএমআই সূচক কমেছে ২ দশমিক ৯ পয়েন্ট। এ খাতের পিএমআই পয়েন্ট কমে জুনে দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৫ পয়েন্টে, মে মাসে যা ছিল ৫৪ দশমিক ৪ পয়েন্ট।

দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারণের গতি আরও মন্থর হয়ে পড়েছে। কৃষি, নির্মাণ, সেবা ও উৎপাদন— সব খাতের গতিই সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরের শেষ মাস জুনে তার আগের মাসের তুলনায় সম্প্রসারণ গতি কমেছে। এ সময় পিএমআই সূচক ৫ দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে ৫৩ দশমিক ১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, গত মে মাসে ছিল ৫৮ দশমিক ৯ পয়েন্ট।
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) যৌথভাবে সোমবার বাংলাদেশ পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) এর জুন মাসের প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কৃষি, নির্মাণ, উৎপাদন ও সেবা এই চারটি খাতের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে সামগ্রিক পিএমআই সূচক নির্ধারণ করা হয়।
এর মধ্যে প্রতিটি খাতের সূচকই জুন মাসে কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নির্মাণ খাতে। একটি সংকোচনের ধারায় নেমেছে।
পিএমআই দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য ধারণা দিতে সহায়তা করে, যাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকেরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। পিএমআই শূন্য থেকে ১০০ নম্বরের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। সূচকের মান ৫০-এর বেশি হলে অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং ৫০-এর নিচে হলে সংকোচন বোঝায়। আর মান ৫০ থাকলে বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট খাতে ওই মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, সর্বশেষ পিএমআই রিডিং দেখাচ্ছে যে, বাংলাদেশ অর্থনীতি টানা ৯ মাস ধরে সম্প্রসারণে রয়েছে। তবে জুন মাসে সম্প্রসারণের গতি কিছুটা কমে এসেছে এবং নির্মাণ খাত গত ৮ মাসে প্রথমবারের মতো সংকোচনের মধ্যে পড়েছে। ঈদে দীর্ঘ ছুটি, বর্ষা মৌসুমের সূচনা এবং বাজেটে প্রত্যাশিত বা বাস্তবায়িত কর পরিবর্তনগুলো জুন মাসে অর্থনৈতিক গতিশীলতায় প্রভাব ফেলেছে।
গত বছরের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলনের জেরে পিএমআই মান ৩৬ দশমিক ৯ পয়েন্টে নেমে এসেছিল। আগস্টে তা কিছুটা বেড়ে ৪৯ দশমিক ৭ পয়েন্ট হয়। অক্টোবর মাসে তা ৫৫ দশমিক ৭ পয়েন্টে উঠে আসে। এর পর থেকে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি সম্প্রসারণের ধারায় আছে, তবে এই সম্প্রসারণের গতি কম।
এমসিসিআইর বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেবা খাত টানা ৯ মাস ধরে সম্প্রসারণে আছে, কিন্তু সম্প্রসারণের গতি কমেছে। নতুন ব্যবসা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং অর্ডার ব্যাকলগ সূচকগুলোতে সংকোচন দেখা গেছে, তবে কর্মসংস্থান এবং ইনপুট খরচ সূচকগুলোতে দ্রুত সম্প্রসারণ হয়েছে।
ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের ক্ষেত্রে, উৎপাদন এবং নির্মাণ খাতে ধীর সম্প্রসারণ, কিন্তু কৃষি ও সেবা খাতে দ্রুত সম্প্রসারণ লক্ষ্য করা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, নভেম্বর শেষে পিএমআই সূচক আগের মাস অক্টোবরের তুলনায় ৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ৬২ দশমিক ২ পয়েন্টে উঠেছিল।
পরের মাস ডিসেম্বরে পিএমআই সূচক কিছুটা কমে ৬১ দশমিক ৭ পয়েন্টে নেমে আসলেও জানুয়ারিতে পিএমআই সামগ্রিক স্কোর আবার বেড়ে ৬৫ দশমিক ৭ এ ওঠে আসে।
তবে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে আবার কমতে থাকে পিএমআই সূচক। ওই মাসে জানুয়ারির তুলনায় ১ দশমিক ১ পয়েন্ট কমে ৬৪ দশমিক ৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
মার্চ মাসে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির গতি নির্দেশক সূচক পিএমআই ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৯ পয়েন্ট কমে ৬১ দশমিক ৭-এ দাঁড়িয়েছে।
এপ্রিল মাসে দেশের অর্থনীতির প্রধান চারটি খাত নিয়ে প্রণীত পিএমআই সূচকের মান ৮ দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে যায়। এতে এপ্রিলে সূচকের নেমে আসে ৫২ দশমিক ৯ পয়েন্টে।
তবে মে মাসে দেশের পিএমআই সূচক আবার ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫৮ দশমিক ৯ পয়েন্টে ওঠে আসে। যা জুন মাসে কমে ৫৩ দশমিক ১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সামগ্রিক পিএমআই সূচক সম্প্রসারণ গতি নির্দেশ করলেও চার খাতের মধ্যে নির্মাণ খাত সংকোচনের ধারায় নেমে গেছে। প্রথমবারের মতো খাতটি সংকোচনের ধারায় নেমেছে। এ ছাড়া কৃষি, উৎপাদন এবং সেবা খাতগুলোও ধীর গতির সম্প্রসারণ হয়েছে।
কৃষি খাত টানা ৯ মাস ধরে সম্প্রসারণে রয়েছে, তবে এই সম্প্রসারণের গতি কমেছে। এই খাতে প্রথমবারের মতো চাকরির সূচকে সংকোচন দেখা গেছে, তবে নতুন ব্যবসা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, ইনপুট খরচ এবং অর্ডার ব্যাকলগের সূচকে দ্রুত সম্প্রসারণ দেখা গেছে।
মে মাসে এ খাতের স্কোর ছিল ৬৭ দশমিক ৩ পয়েন্ট, অর্থবছরের শেষ মাস জুনে দশমিক ৮ পয়েন্ট কমে ৬৬ দশমিক ৫ এ নেমেছে।
উৎপাদন খাতেও পিএমআই সূচক কমেছে। এ খাতে মে মাসে পিএমআই সূচক ছিল ৬৭ পয়েন্ট, জুন মাসে সাড়ে ১২ পয়েন্ট কমে ৫৪ দশমিক ৫ এ নেমেছে।
এমসিসিআই বলছে, উৎপাদন খাত টানা ১০ মাস সম্প্রসারণের মধ্যে থাকলেও সম্প্রসারণের গতি হ্রাস পেয়েছে। এই খাতে ইনপুট ক্রয়, প্রস্তুত পণ্য, আমদানি এবং চাকরির সূচকে সংকোচন দেখা গেছে। নতুন অর্ডার, নতুন রপ্তানি, কারখানা উৎপাদন, ইনপুট মূল্য এবং সরবরাহকারীদের ডেলিভারির সূচকগুলো ধীর সম্প্রসারণ দেখিয়েছে। তবে অর্ডার ব্যাকলগ সূচক টানা ১০ মাসের সংকোচনের পর আবার সম্প্রসারণে ফিরেছে।
নির্মাণ খাতে পিএমআই সূচক কমেছে ১০ দশমিক ২ পয়েন্ট। মে মাসে সূচক ছিল ৫১ দশমিক ৮, যা জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক ৬ পয়েন্ট।
এমসিসিআইর বিশ্লেষণ বলছে, নির্মাণ খাত ৬ মাসের সম্প্রসারণের পর আবার সংকোচনে ফিরে গেছে। নতুন ব্যবসা, নির্মাণ কার্যক্রম, কর্মসংস্থান এবং অর্ডার ব্যাকলগ সূচকগুলো সংকোচনের দিক দেখিয়েছে। ইনপুট খরচ সূচকে ধীর গতির সম্প্রসারণ দেখা গেছে।
সেবা খাতের পিএমআই সূচক কমেছে ২ দশমিক ৯ পয়েন্ট। এ খাতের পিএমআই পয়েন্ট কমে জুনে দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৫ পয়েন্টে, মে মাসে যা ছিল ৫৪ দশমিক ৪ পয়েন্ট।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
২ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
২ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৫ ঘণ্টা আগে