নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিক্রি হ্রাস ও ঢাকার কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের (বিএটিবিসি) মুনাফায় ধস নেমেছে। চলতি বছরের এপ্রিল-জুন মেয়াদে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের তুলনায় ৮১ শতাংশ কমে এসেছে।
গতকাল রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে প্রকাশিত তথ্যমতে, ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিএটিবিসির ইপিএস দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ টাকা ৮০ পয়সা। এক বছর আগে এই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ টাকা ৪৮ পয়সা। কোম্পানিটি ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এক প্রান্তিকে কখনো এত কম মুনাফা করেনি।
এই ধসের প্রভাব পড়েছে অর্ধবার্ষিক হিসাবেও। জানুয়ারি থেকে জুন—এই ছয় মাসে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৭ টাকা ৬৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ১৭ টাকা ১৪ পয়সা।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিক্রি কমে যাওয়া এবং ঢাকার কারখানা বন্ধ হওয়ার ফলে ব্যয় বাড়ে ও উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে মুনাফায়।
গত ১৪ মে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)’ মহাখালী ডিওএইচএস থেকে বিএটিবিসির তামাক কারখানা সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়। এরপর ১ জুলাই কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কোম্পানির নিবন্ধিত অফিস মহাখালী থেকে স্থানান্তর করে আশুলিয়ার দেওড়া, ধামসোনা, বলিভদ্র বাজারে নেওয়া হয়।
বিএটিবিসি বাংলাদেশে ডানহিল, লাকি স্ট্রাইক, কেন্ট, পলমল, কুল, বেনসন এবং রথম্যান্স ব্র্যান্ডের তামাকজাত পণ্য উৎপাদন করে। বিশ্বব্যাপী ব্যবসা পরিচালনাকারী এ প্রতিষ্ঠানটি তামাক বিক্রির দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম। ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫৪ কোটি।

বিক্রি হ্রাস ও ঢাকার কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের (বিএটিবিসি) মুনাফায় ধস নেমেছে। চলতি বছরের এপ্রিল-জুন মেয়াদে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের তুলনায় ৮১ শতাংশ কমে এসেছে।
গতকাল রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে প্রকাশিত তথ্যমতে, ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিএটিবিসির ইপিএস দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ টাকা ৮০ পয়সা। এক বছর আগে এই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ টাকা ৪৮ পয়সা। কোম্পানিটি ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এক প্রান্তিকে কখনো এত কম মুনাফা করেনি।
এই ধসের প্রভাব পড়েছে অর্ধবার্ষিক হিসাবেও। জানুয়ারি থেকে জুন—এই ছয় মাসে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৭ টাকা ৬৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ১৭ টাকা ১৪ পয়সা।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিক্রি কমে যাওয়া এবং ঢাকার কারখানা বন্ধ হওয়ার ফলে ব্যয় বাড়ে ও উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে মুনাফায়।
গত ১৪ মে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)’ মহাখালী ডিওএইচএস থেকে বিএটিবিসির তামাক কারখানা সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়। এরপর ১ জুলাই কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কোম্পানির নিবন্ধিত অফিস মহাখালী থেকে স্থানান্তর করে আশুলিয়ার দেওড়া, ধামসোনা, বলিভদ্র বাজারে নেওয়া হয়।
বিএটিবিসি বাংলাদেশে ডানহিল, লাকি স্ট্রাইক, কেন্ট, পলমল, কুল, বেনসন এবং রথম্যান্স ব্র্যান্ডের তামাকজাত পণ্য উৎপাদন করে। বিশ্বব্যাপী ব্যবসা পরিচালনাকারী এ প্রতিষ্ঠানটি তামাক বিক্রির দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম। ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫৪ কোটি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৫ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১৯ ঘণ্টা আগে