
নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট আজ মঙ্গলবার বাজারে আসছে। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন নকশার এই ব্যাংক নোট প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে। পরে ধাপে ধাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকেও পাওয়া যাবে।
এর আগে একই সিরিজের ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট এসেছে। বাকি মূল্যমানের নোটও পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত ১০ আগস্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরিত নতুন ১০০ টাকার নোটের সামনের অংশে বাঁ পাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে। পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। নোটের মূল রং নীল।
নতুন নোটে মোট ১০ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ডান কোনায় রং পরিবর্তনশীল ‘১০০’ সংখ্যা, যা নাড়ালে সোনালি থেকে সবুজে রূপ নেবে; বাঁ পাশে লাল ও রুপালি বারের সমন্বয়ে প্যাঁচানো নিরাপত্তা সুতা, যা নাড়ালে লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হবে এবং তাতে খচিত থাকবে ‘১০০ টাকা’; দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য নিচের ডান পাশে তিনটি উঁচু বিন্দু। এ ছাড়া ইন্টাগ্লিও কালি ব্যবহারে মুদ্রিত অংশ হাতের স্পর্শে অসমতল অনুভূত হবে।
গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে সি-থ্রু ইমেজে ‘১০০’ লেখা থাকবে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে স্পষ্ট হবে। নীল ডিজাইনের মধ্যে গুপ্তভাবে ইংরেজিতে ১০০ সংখ্যা বসানো আছে, যা নোট অনুভূমিকভাবে ধরলে দেখা যাবে। কাগজে ছড়ানো থাকবে লাল, নীল ও সবুজ রঙের ক্ষুদ্র ফাইবার, যা ডিটেক্টরে দেখা যাবে। নোটের দুই পাশে ইউভি কিউরিং বার্নিশ থাকায় এটি চকচকে দেখাবে ও স্থায়িত্ব বাড়বে।

নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট আজ মঙ্গলবার বাজারে আসছে। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন নকশার এই ব্যাংক নোট প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে। পরে ধাপে ধাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকেও পাওয়া যাবে।
এর আগে একই সিরিজের ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট এসেছে। বাকি মূল্যমানের নোটও পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত ১০ আগস্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরিত নতুন ১০০ টাকার নোটের সামনের অংশে বাঁ পাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে। পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। নোটের মূল রং নীল।
নতুন নোটে মোট ১০ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ডান কোনায় রং পরিবর্তনশীল ‘১০০’ সংখ্যা, যা নাড়ালে সোনালি থেকে সবুজে রূপ নেবে; বাঁ পাশে লাল ও রুপালি বারের সমন্বয়ে প্যাঁচানো নিরাপত্তা সুতা, যা নাড়ালে লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হবে এবং তাতে খচিত থাকবে ‘১০০ টাকা’; দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য নিচের ডান পাশে তিনটি উঁচু বিন্দু। এ ছাড়া ইন্টাগ্লিও কালি ব্যবহারে মুদ্রিত অংশ হাতের স্পর্শে অসমতল অনুভূত হবে।
গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে সি-থ্রু ইমেজে ‘১০০’ লেখা থাকবে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে স্পষ্ট হবে। নীল ডিজাইনের মধ্যে গুপ্তভাবে ইংরেজিতে ১০০ সংখ্যা বসানো আছে, যা নোট অনুভূমিকভাবে ধরলে দেখা যাবে। কাগজে ছড়ানো থাকবে লাল, নীল ও সবুজ রঙের ক্ষুদ্র ফাইবার, যা ডিটেক্টরে দেখা যাবে। নোটের দুই পাশে ইউভি কিউরিং বার্নিশ থাকায় এটি চকচকে দেখাবে ও স্থায়িত্ব বাড়বে।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৫ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১২ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১২ ঘণ্টা আগে