নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের বড় পতন হয়েছে। এক সপ্তাহেই আউন্সে (২৮ দশমিক ৩৫ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ ডলার। বিশ্ববাজারে গত সপ্তাহে প্লাটিনাম ও রুপার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত সপ্তাহে রুপার দাম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে ৪ শতাংশের ওপরে। অবশ্য এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান ঘটেছিল।
তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮৪৩ দশমিক শূন্য ৬ ডলার। সপ্তাহ শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৯২ দশমিক ৬৯ ডলার। অর্থাৎ এক সপ্তাহে আউন্সে স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ দশমিক ৩৭ ডলার বা ২ দশমিক ৮১ শতাংশ।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে রুপার দাম ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে। আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
তবে গত সপ্তাহের দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বাজুস সূত্রে জানা গেছে, সমিতি আগামী সোমবার বিশ্ববাজারে দামের অবস্থা দেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছে। যদি আগামী সোমবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশের বাজারেও দাম কমানো হতে পারে।
এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর ভরিতে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করে সংগঠনটি।
সর্বশেষ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম হয়েছে ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৭১ হাজার ১৫০ এবং ১৮ ক্যারেটের ৬২ হাজার ৪০২ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ৫২ হাজার ৮০ টাকা। অবশ্য স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস।
বিশ্ববাজারে দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘আমরা সোমবার বিশ্ববাজারের চিত্র দেখতে চাই। যদি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশেরও বাজারেও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে।’

গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের বড় পতন হয়েছে। এক সপ্তাহেই আউন্সে (২৮ দশমিক ৩৫ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ ডলার। বিশ্ববাজারে গত সপ্তাহে প্লাটিনাম ও রুপার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত সপ্তাহে রুপার দাম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে ৪ শতাংশের ওপরে। অবশ্য এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান ঘটেছিল।
তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮৪৩ দশমিক শূন্য ৬ ডলার। সপ্তাহ শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৯২ দশমিক ৬৯ ডলার। অর্থাৎ এক সপ্তাহে আউন্সে স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ দশমিক ৩৭ ডলার বা ২ দশমিক ৮১ শতাংশ।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে রুপার দাম ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে। আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
তবে গত সপ্তাহের দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বাজুস সূত্রে জানা গেছে, সমিতি আগামী সোমবার বিশ্ববাজারে দামের অবস্থা দেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছে। যদি আগামী সোমবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশের বাজারেও দাম কমানো হতে পারে।
এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর ভরিতে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করে সংগঠনটি।
সর্বশেষ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম হয়েছে ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৭১ হাজার ১৫০ এবং ১৮ ক্যারেটের ৬২ হাজার ৪০২ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ৫২ হাজার ৮০ টাকা। অবশ্য স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস।
বিশ্ববাজারে দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘আমরা সোমবার বিশ্ববাজারের চিত্র দেখতে চাই। যদি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশেরও বাজারেও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে।’

সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর পরও রাজধানীসহ দেশে বেসরকারি খাতের এলপিজি বাজারে নৈরাজ্য বন্ধ হয়নি। সরকার-নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০-৭০০ টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বরং দাম বাড়ানোর পর সরবরাহব্যবস্থার সংকট আরও বেড়েছে। অনেকেই দোকানে গিয়ে গ্যাস পাচ্ছেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারের গভীরতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে লাভজনক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান (এসওই) ও সরকারি অংশীদারিত্ব থাকা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর (এমএনসি) শেয়ার পুঁজিবাজারে আনার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে সরকার। লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজারে আনা
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সম্প্রসারণের গতি আগের মাস নভেম্বরের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। যদিও এই গতি খুব শক্তিশালী নয়, তবু রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ব্যবসায়িক চাপের মধ্যেও অর্থনীতি যে এখনো সম্প্রসারণের ধারায় রয়েছে, তা সাম্প্রতিক পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই)
৯ ঘণ্টা আগে
লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের শেয়ার থাকা বহুজাতিক কোম্পানি পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ১০টি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
১০ ঘণ্টা আগে