নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে রেমিট্যান্স আসায় নতুন রেকর্ড হয়েছে। সর্বশেষ ১০ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত রেমিট্যান্স বাড়ার লক্ষ্যে হুন্ডি বন্ধ করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ায় রেমিট্যান্সপ্রবাহে একের পর এক রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরেই একক মাস হিসাবে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। যার প্রভাবে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১১ মে পর্যন্ত ২৫ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১৯ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে এই অর্থবছরে প্রবাসীরা সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৭ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার। তার আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার।
থিংকট্যাংক ‘উন্নয়ন অন্বেষণের’ চেয়ারপারসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বেড়েছে বলেই রেমিট্যান্স বাড়ছে। মানুষ যখন সরকারের ওপর আস্থা রাখতে পারেন, তখন তাঁরা তাঁদের কষ্টার্জিত টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠিয়ে শান্তি পান। তাই সরকার স্থিতিশীল হলে রেমিট্যান্স আসা বাড়বে। আর ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স আনতে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসা বাড়ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, দেশের ইতিহাসে একক মাস বিবেচনায় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল চলতি বছরের মার্চে। ওই মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল রেকর্ড ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। ঈদের পর এপ্রিলে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার; মাসের হিসাবে যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। এরপর শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে—সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য (ইউকে), মালয়েশিয়া, কুয়েত, ইতালি, ওমান, সিঙ্গাপুর ও কাতার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক পদক্ষেপ নেওয়ায় হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি এখন বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে ডলারের বিনিময় হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রবাসীরা ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে টাকা পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছেন না। আর আগে ঘোষিত ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনা এখনো চালু। ফলে হুন্ডি ও অর্থ পাচার কমার পাশাপাশি বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ছে। এ ছাড়া সরকারের পালাবদলে দেশ থেকে অর্থ পাচার কমেছে। আর পাচারকারীরা হুন্ডির আশ্রয় নিতেন। সে জন্য পাচার কমায় হুন্ডিও কমেছে। আর হুন্ডি কমায় রেমিট্যান্স বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য থেকে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে ছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ এবং অক্টোবরে এসেছে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।
এরপর গত নভেম্বরে এসেছে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি এবং সবশেষ এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রেমিট্যান্স বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একের পর এক পদক্ষেপ নেয়। পাশাপাশি সরকার নীতিগত সহায়তা এবং প্রবাসীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রচারণা চালায়। গত বছর সরকার বদলে হুন্ডি কারবারিদের দৌরাত্ম্য কমায় রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে। এ ছাড়া প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ইতিবাচক খবর প্রবাসীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করেছে। এসব কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স বেড়েছে।

দেশে রেমিট্যান্স আসায় নতুন রেকর্ড হয়েছে। সর্বশেষ ১০ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত রেমিট্যান্স বাড়ার লক্ষ্যে হুন্ডি বন্ধ করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ায় রেমিট্যান্সপ্রবাহে একের পর এক রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরেই একক মাস হিসাবে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। যার প্রভাবে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১১ মে পর্যন্ত ২৫ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১৯ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে এই অর্থবছরে প্রবাসীরা সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৭ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার। তার আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার।
থিংকট্যাংক ‘উন্নয়ন অন্বেষণের’ চেয়ারপারসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বেড়েছে বলেই রেমিট্যান্স বাড়ছে। মানুষ যখন সরকারের ওপর আস্থা রাখতে পারেন, তখন তাঁরা তাঁদের কষ্টার্জিত টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠিয়ে শান্তি পান। তাই সরকার স্থিতিশীল হলে রেমিট্যান্স আসা বাড়বে। আর ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স আনতে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসা বাড়ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, দেশের ইতিহাসে একক মাস বিবেচনায় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল চলতি বছরের মার্চে। ওই মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল রেকর্ড ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। ঈদের পর এপ্রিলে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার; মাসের হিসাবে যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। এরপর শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে—সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য (ইউকে), মালয়েশিয়া, কুয়েত, ইতালি, ওমান, সিঙ্গাপুর ও কাতার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক পদক্ষেপ নেওয়ায় হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি এখন বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে ডলারের বিনিময় হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রবাসীরা ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে টাকা পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছেন না। আর আগে ঘোষিত ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনা এখনো চালু। ফলে হুন্ডি ও অর্থ পাচার কমার পাশাপাশি বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ছে। এ ছাড়া সরকারের পালাবদলে দেশ থেকে অর্থ পাচার কমেছে। আর পাচারকারীরা হুন্ডির আশ্রয় নিতেন। সে জন্য পাচার কমায় হুন্ডিও কমেছে। আর হুন্ডি কমায় রেমিট্যান্স বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য থেকে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে ছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ এবং অক্টোবরে এসেছে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।
এরপর গত নভেম্বরে এসেছে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি এবং সবশেষ এপ্রিলে ২৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রেমিট্যান্স বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একের পর এক পদক্ষেপ নেয়। পাশাপাশি সরকার নীতিগত সহায়তা এবং প্রবাসীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রচারণা চালায়। গত বছর সরকার বদলে হুন্ডি কারবারিদের দৌরাত্ম্য কমায় রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে। এ ছাড়া প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ইতিবাচক খবর প্রবাসীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করেছে। এসব কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স বেড়েছে।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৯ ঘণ্টা আগে