নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগের মতোই কড়াকড়ি অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে। নীতিনির্ধারকেরা চলতি অবস্থাকে বিবেচনায় রেখে নীতিগত সুদের হার (নীতি হার) আগের জায়গায় ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরসহ ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি কিছুটা কমলেও তা এখনো লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রয়েছে। টাকার অবমূল্যায়ন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে মূল্যস্ফীতির ওপর আবারও চাপ তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমানোর ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি যদি ধারাবাহিকভাবে কমে এবং প্রকৃত সুদের হার তিন শতাংশে পৌঁছায়, তখন ধাপে ধাপে নীতি হার হ্রাস করা হতে পারে। তবে তত দিন পর্যন্ত সুদের বর্তমান হারই বহাল থাকবে।
নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে নামার আগপর্যন্ত কোনো প্রকার শিথিলতা আসবে না। নীতি হারের পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর জন্য ঋণ প্রদানের হার (স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি) ১১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আমানত গ্রহণের হার (স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি) ৮ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আর খেলাপি ঋণ ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার কারণে ব্যাংক খাত দীর্ঘদিন ধরেই চাপের মধ্যে রয়েছে। এসব সংকট থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সংস্কারমূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুর্বল ব্যাংকগুলোর জন্য পৃথক ব্যবস্থা, সম্পদের গুণগত পর্যালোচনা এবং আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি (রিস্ক বেসড সুপারভিশন) চালু।
যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধান বাজারে শুল্ক বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে নমনীয়তা এনেছে। বর্তমানে দিনে দু’বার রেফারেন্স বিনিময় হার ঘোষণা করা হচ্ছে, যাতে মুদ্রাবাজারে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা আসে। তবে বিনিময় হারে অতিরিক্ত অস্থিরতা ঠেকাতে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানিয়েছে।
এদিকে সরকারের বাজেট ঘোষণায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য এবং ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ধরে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে তাদের নীতি সহনশীল হলেও কড়াকড়ি থাকবে। অপরদিকে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং ব্যাংক খাতে আস্থাহীনতা—এই তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের আর্থিক নীতির মূল কৌশল স্থির করেছে বলে জানিয়েছে।

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগের মতোই কড়াকড়ি অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে। নীতিনির্ধারকেরা চলতি অবস্থাকে বিবেচনায় রেখে নীতিগত সুদের হার (নীতি হার) আগের জায়গায় ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরসহ ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি কিছুটা কমলেও তা এখনো লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রয়েছে। টাকার অবমূল্যায়ন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে মূল্যস্ফীতির ওপর আবারও চাপ তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমানোর ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি যদি ধারাবাহিকভাবে কমে এবং প্রকৃত সুদের হার তিন শতাংশে পৌঁছায়, তখন ধাপে ধাপে নীতি হার হ্রাস করা হতে পারে। তবে তত দিন পর্যন্ত সুদের বর্তমান হারই বহাল থাকবে।
নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে নামার আগপর্যন্ত কোনো প্রকার শিথিলতা আসবে না। নীতি হারের পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর জন্য ঋণ প্রদানের হার (স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি) ১১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আমানত গ্রহণের হার (স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি) ৮ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আর খেলাপি ঋণ ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার কারণে ব্যাংক খাত দীর্ঘদিন ধরেই চাপের মধ্যে রয়েছে। এসব সংকট থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সংস্কারমূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুর্বল ব্যাংকগুলোর জন্য পৃথক ব্যবস্থা, সম্পদের গুণগত পর্যালোচনা এবং আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি (রিস্ক বেসড সুপারভিশন) চালু।
যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধান বাজারে শুল্ক বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে নমনীয়তা এনেছে। বর্তমানে দিনে দু’বার রেফারেন্স বিনিময় হার ঘোষণা করা হচ্ছে, যাতে মুদ্রাবাজারে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা আসে। তবে বিনিময় হারে অতিরিক্ত অস্থিরতা ঠেকাতে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানিয়েছে।
এদিকে সরকারের বাজেট ঘোষণায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য এবং ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ধরে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে তাদের নীতি সহনশীল হলেও কড়াকড়ি থাকবে। অপরদিকে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং ব্যাংক খাতে আস্থাহীনতা—এই তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের আর্থিক নীতির মূল কৌশল স্থির করেছে বলে জানিয়েছে।

গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীন।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
৪ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট কাটাতে এবার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জরুরি ভিত্তিতে এলপি গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। বিপিসির নিজস্ব সক্ষমতা না থাকায় এলপি...
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার ইতিহাসে এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ১৭ জানুয়ারি ঢাকার হোটেল লো মেরিডিয়েনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সাফা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো ঢাকা আসছেন...
১৬ ঘণ্টা আগে