
বিকাশমান অর্থনীতির জোট ব্রিকসে আর্জেন্টিনার যোগ দেওয়ার নাটকীয়তা শেষ হয়েছে। দেশটির অতি ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর দেশ এই জোটে যোগ দিচ্ছে না। আর্জেন্টিনার বৈদেশিক ও অর্থনৈতিক নীতির ক্ষেত্রে এটি এক বড় সিদ্ধান্ত।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য’ গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই নির্বাচনী প্রচারণার অঙ্গীকারের সঙ্গে সংগতি রেখে এ ঘোষণা দিয়েছেন বলেও মনে করছেন অনেকে। হাভিয়ের মিলেই নির্বাচনী প্রচারণায় বলেছিলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়বে আর্জেন্টিনা। এই পশ্চিম ঘেঁষা অবস্থানের কারণে আর্জেন্টিনা ব্রিকসে যোগ দিচ্ছে না।
গত ২২ ডিসেম্বর লিখিত এক চিঠিতে মিলেই ব্রিকসের সদস্যদেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, আর্জেন্টিনার এখনো ব্রিকসে যোগ দেওয়ার সময় হয়নি। চিঠিটি ২২ তারিখে লেখা হলেও গতকাল শুক্রবার তা পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে মিলেই বলেছেন, তাঁর সরকারের পররাষ্ট্রনীতি আগের সরকারের নীতির চেয়ে অনেক দিক থেকে ভিন্ন। তাই আগের প্রশাসন যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তাঁর অনেক কিছুই এখন পর্যালোচনা করা হবে।
গত আগস্টে জোহানেসবার্গে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন থেকে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশকে বিকাশমান অর্থনীতির এই জোটে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ইথিওপিয়া ও আর্জেন্টিনা।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলনের আগে ২২টি দেশ ব্রিকসে যোগ দিতে আবেদন জানিয়েছিল। যোগদানে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল আরও ২০টি দেশ।
আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানানো দেশের মধ্যে বাংলাদেশও ছিল। তবে বাংলাদেশকে এই জোটে সদস্য হিসেবে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
আর্জেন্টিনার নতুন প্রেসিডেন্ট একজন স্বঘোষিত অ্যানারকো-ক্যাপিটালিস্ট বা অরাজক পূঁজিবাদী। চলতি মাসেই ক্ষমতায় আসার পর এই সরকার বেশ কিছু বৈপ্লবিক অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নতুন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এখন থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করা হবে। আগের সরকার যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছিল, নতুন প্রেসিডেন্ট এখন তার বিপরীত পথে হাঁটছেন।
আর্জেন্টিনার সাবেক মধ্য বামপন্থী প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ ব্রিকসে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো এখন বৈশ্বিক জিডিপির এক–চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ জোগান দেয়। কথা ছিল, আগামী ১ জানুয়ারি আর্জেন্টিনা এই জোটে যোগ দেবে।
হাভিয়ের মিলেই প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সবকিছু একেবারে বদলে দিচ্ছেন। আল–জাজিরার সাংবাদিক মনিকা ইয়ানাকিউ বুয়েনস আয়ার্স থেকে জানিয়েছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার তিন সপ্তাহের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট আর্জেন্টিনার মানুষের জীবনের সব ক্ষেত্রে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটানো শুরু করেছেন। বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দ্রুততর করার সঙ্গে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তুলে নেওয়া, ভর্তুকি তুলে নেওয়া—এমন অনেক কিছুই তিনি করছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় হাভিয়ের মিলেই কমিউনিস্ট দেশ যেমন; চীন ও প্রতিবেশী অর্থনৈতিক শক্তি ব্রাজিলের সমালোচনা করে বলেছেন, আর্জেন্টিনা এখন থেকে পশ্চিমের মুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে।
ব্রিকসের নেতাদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে মিলেই বলেছেন, আর্জেন্টিনার জোটে যোগ না দিলেও ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।

বিকাশমান অর্থনীতির জোট ব্রিকসে আর্জেন্টিনার যোগ দেওয়ার নাটকীয়তা শেষ হয়েছে। দেশটির অতি ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর দেশ এই জোটে যোগ দিচ্ছে না। আর্জেন্টিনার বৈদেশিক ও অর্থনৈতিক নীতির ক্ষেত্রে এটি এক বড় সিদ্ধান্ত।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য’ গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই নির্বাচনী প্রচারণার অঙ্গীকারের সঙ্গে সংগতি রেখে এ ঘোষণা দিয়েছেন বলেও মনে করছেন অনেকে। হাভিয়ের মিলেই নির্বাচনী প্রচারণায় বলেছিলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়বে আর্জেন্টিনা। এই পশ্চিম ঘেঁষা অবস্থানের কারণে আর্জেন্টিনা ব্রিকসে যোগ দিচ্ছে না।
গত ২২ ডিসেম্বর লিখিত এক চিঠিতে মিলেই ব্রিকসের সদস্যদেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, আর্জেন্টিনার এখনো ব্রিকসে যোগ দেওয়ার সময় হয়নি। চিঠিটি ২২ তারিখে লেখা হলেও গতকাল শুক্রবার তা পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে মিলেই বলেছেন, তাঁর সরকারের পররাষ্ট্রনীতি আগের সরকারের নীতির চেয়ে অনেক দিক থেকে ভিন্ন। তাই আগের প্রশাসন যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তাঁর অনেক কিছুই এখন পর্যালোচনা করা হবে।
গত আগস্টে জোহানেসবার্গে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন থেকে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশকে বিকাশমান অর্থনীতির এই জোটে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ইথিওপিয়া ও আর্জেন্টিনা।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলনের আগে ২২টি দেশ ব্রিকসে যোগ দিতে আবেদন জানিয়েছিল। যোগদানে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল আরও ২০টি দেশ।
আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানানো দেশের মধ্যে বাংলাদেশও ছিল। তবে বাংলাদেশকে এই জোটে সদস্য হিসেবে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
আর্জেন্টিনার নতুন প্রেসিডেন্ট একজন স্বঘোষিত অ্যানারকো-ক্যাপিটালিস্ট বা অরাজক পূঁজিবাদী। চলতি মাসেই ক্ষমতায় আসার পর এই সরকার বেশ কিছু বৈপ্লবিক অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নতুন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এখন থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করা হবে। আগের সরকার যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছিল, নতুন প্রেসিডেন্ট এখন তার বিপরীত পথে হাঁটছেন।
আর্জেন্টিনার সাবেক মধ্য বামপন্থী প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ ব্রিকসে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো এখন বৈশ্বিক জিডিপির এক–চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ জোগান দেয়। কথা ছিল, আগামী ১ জানুয়ারি আর্জেন্টিনা এই জোটে যোগ দেবে।
হাভিয়ের মিলেই প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সবকিছু একেবারে বদলে দিচ্ছেন। আল–জাজিরার সাংবাদিক মনিকা ইয়ানাকিউ বুয়েনস আয়ার্স থেকে জানিয়েছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার তিন সপ্তাহের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট আর্জেন্টিনার মানুষের জীবনের সব ক্ষেত্রে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটানো শুরু করেছেন। বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দ্রুততর করার সঙ্গে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তুলে নেওয়া, ভর্তুকি তুলে নেওয়া—এমন অনেক কিছুই তিনি করছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় হাভিয়ের মিলেই কমিউনিস্ট দেশ যেমন; চীন ও প্রতিবেশী অর্থনৈতিক শক্তি ব্রাজিলের সমালোচনা করে বলেছেন, আর্জেন্টিনা এখন থেকে পশ্চিমের মুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে।
ব্রিকসের নেতাদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে মিলেই বলেছেন, আর্জেন্টিনার জোটে যোগ না দিলেও ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য...
৮ ঘণ্টা আগে