আসাদুজ্জামান নূর, ঢাকা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ২০২২-২৩ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবের বিভিন্ন বিষয়ে অসংগতি ও গোঁজামিল পেয়েছেন নিরীক্ষক। কোম্পানির দেখানো আয়, ব্যয়, মজুত পণ্য, সম্পদ, গ্রাহকের কাছে পাওনা, স্থায়ী সম্পদ, কর প্রদান, অবণ্টিত লভ্যাংশ, ব্যাংক হিসাবসহ অনেক বিষয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ প্রায় ১৯৬ কোটি ৫ লাখ। কোম্পানিটির ২০২২-২৩ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেন্ট্রাল ফার্মার কাছে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৯৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা কর দাবি করে ২০২২ সালের ১৫ মার্চ চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর বিপরীতে কোম্পানির কেবল ২৮ কোটি ২ লাখ টাকার প্রভিশনিং করা আছে। বাকি ৭০ কোটি ৮০ লাখ টাকার বিপরীতে কোনো প্রভিশনিং বা এনবিআরের সঙ্গে বিষয়টি সমাধান করেনি।
অন্যদিকে সেন্ট্রাল ফার্মার কাছে বিভিন্ন অর্থবছরের জন্য ২৩ কোটি ১ লাখ টাকার ভ্যাট ও শাস্তি দাবি করেছে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কোম্পানি ওই অর্থ প্রদান বা সমাধান করেনি, প্রভিশনিংও করেনি।
নিরীক্ষক জানিয়েছেন, কোম্পানিটির আর্থিক হিসাবে জনতা ব্যাংক থেকে ২৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকার ঋণ দেখানো হয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ব্যাংক সার্টিফিকেট দিতে পারেনি। ব্যাংকে চিঠি দিয়েও ওই ঋণের বিষয়ে সাড়া পাননি নিরীক্ষক।
গ্রাহকদের কাছে ৮ কোটি ৪ লাখ টাকা পাওয়া যাবে বলে আর্থিক হিসাবে উল্লেখ করেছে সেন্ট্রাল ফার্মা। এ-সংক্রান্ত পর্যাপ্ত প্রমাণ দিতে পারেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিটির আর্থিক হিসাবে অগ্রিম প্রদান হিসেবে ২৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার সম্পদ দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা অগ্রিম কর প্রদান। বাকি ২৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি নিরীক্ষককে।
সেন্ট্রাল ফার্মার ৬৮ লাখ টাকার মজুত পণ্য, ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার ওষুধ বিক্রি, ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার কাঁচামাল ক্রয় এবং ৩৯ লাখ টাকার প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল ক্রয়ের সত্যতা পাননি নিরীক্ষক। এমনকি ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার ওষুধ বিক্রির বিপরীতে ২ কোটি ৮ লাখ টাকার কাঁচামাল ব্যবহার, ১৭ লাখ টাকার সরাসরি ব্যয়, ২ কোটি ৯২ লাখ টাকার ম্যানুফ্যাকচারিং ওভারহেড কস্ট (পণ্য উৎপাদনের সব নিরপেক্ষ খরচের সমষ্টি), ৮২ লাখ টাকার প্রশাসনিক ব্যয়, স্পেয়ার পার্টস অ্যান্ড সাপ্লাইস হিসেবে দেখানো ১ কোটি ৪৮ লাখ এবং ১ কোটি ৮ লাখ টাকার বিক্রি ও বিতরণ ব্যয়ের বিপরীতে প্রমাণাদি দেখাতে পারেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
জনতা ব্যাংকের ঢাকা লোকাল অফিসে সেন্ট্রাল ফার্মার তিনটি হিসাব রয়েছে। যেগুলো ট্যাক্সের জন্য ২০১৫ সাল থেকে ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এখনো বিষয়টির সমাধান হয়নি। ফলে ইসলামী ব্যাংকে কোম্পানিটি একটি হিসাব পরিচালনা করে। ওই হিসাব ছাড়াও অধিকাংশ লেনদেন নগদে করে কোম্পানি। এতে ব্যয় কম বা বেশি দেখানো যায়। আয়ও বাড়িয়ে বা কমিয়েও দেখানো যায় বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।
কোম্পানিটিতে এখনো আইপিও আবেদনকারীদের ৬০ লাখ টাকা পড়ে রয়েছে। আইপিওতে আবেদন করে শেয়ার না পাওয়া সত্ত্বেও ওই টাকা কোম্পানিতে রয়ে গেছে। কোম্পানিটিতে ৯ লাখ টাকার অবণ্টিত লভ্যাংশ রয়েছে। কিন্তু এই অর্থ বিএসইসির নির্দেশনা মেনে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে (সিএমএসএফ) স্থানান্তর করেনি।
সেন্ট্রাল ফার্মার আর্থিক হিসাবে ২৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকার স্থায়ী সম্পদ দেখানো হয়েছে; কিন্তু এর মধ্যে কারখানা ও অধিকাংশ মেশিনারিজ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তারপরও তারা ইমপেয়ারমেন্ট করে প্রকৃত অবস্থা বা বাজারদর নির্ণয় করেনি।
এসব বিষয়ে জানতে সেন্ট্রাল ফার্মার কোম্পানি সচিব মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এসব বিষয়ে তো কিছু অভিযোগ আছেই। পণ্য বিক্রি ও ভ্যাটের বিষয়ে আমরা নথি দিয়েছি। অগ্রিম আয়কর প্রদানের বিষয়ে দিতে পারিনি। আমরা ৯৮ কোটি টাকা আয়কর পরিশোধ করিনি, সেটা এনবিআরের সঙ্গে আন্ডার প্রসেসে আছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ২০২২-২৩ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবের বিভিন্ন বিষয়ে অসংগতি ও গোঁজামিল পেয়েছেন নিরীক্ষক। কোম্পানির দেখানো আয়, ব্যয়, মজুত পণ্য, সম্পদ, গ্রাহকের কাছে পাওনা, স্থায়ী সম্পদ, কর প্রদান, অবণ্টিত লভ্যাংশ, ব্যাংক হিসাবসহ অনেক বিষয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ প্রায় ১৯৬ কোটি ৫ লাখ। কোম্পানিটির ২০২২-২৩ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেন্ট্রাল ফার্মার কাছে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৯৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা কর দাবি করে ২০২২ সালের ১৫ মার্চ চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর বিপরীতে কোম্পানির কেবল ২৮ কোটি ২ লাখ টাকার প্রভিশনিং করা আছে। বাকি ৭০ কোটি ৮০ লাখ টাকার বিপরীতে কোনো প্রভিশনিং বা এনবিআরের সঙ্গে বিষয়টি সমাধান করেনি।
অন্যদিকে সেন্ট্রাল ফার্মার কাছে বিভিন্ন অর্থবছরের জন্য ২৩ কোটি ১ লাখ টাকার ভ্যাট ও শাস্তি দাবি করেছে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কোম্পানি ওই অর্থ প্রদান বা সমাধান করেনি, প্রভিশনিংও করেনি।
নিরীক্ষক জানিয়েছেন, কোম্পানিটির আর্থিক হিসাবে জনতা ব্যাংক থেকে ২৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকার ঋণ দেখানো হয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ব্যাংক সার্টিফিকেট দিতে পারেনি। ব্যাংকে চিঠি দিয়েও ওই ঋণের বিষয়ে সাড়া পাননি নিরীক্ষক।
গ্রাহকদের কাছে ৮ কোটি ৪ লাখ টাকা পাওয়া যাবে বলে আর্থিক হিসাবে উল্লেখ করেছে সেন্ট্রাল ফার্মা। এ-সংক্রান্ত পর্যাপ্ত প্রমাণ দিতে পারেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিটির আর্থিক হিসাবে অগ্রিম প্রদান হিসেবে ২৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার সম্পদ দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা অগ্রিম কর প্রদান। বাকি ২৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি নিরীক্ষককে।
সেন্ট্রাল ফার্মার ৬৮ লাখ টাকার মজুত পণ্য, ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার ওষুধ বিক্রি, ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার কাঁচামাল ক্রয় এবং ৩৯ লাখ টাকার প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল ক্রয়ের সত্যতা পাননি নিরীক্ষক। এমনকি ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার ওষুধ বিক্রির বিপরীতে ২ কোটি ৮ লাখ টাকার কাঁচামাল ব্যবহার, ১৭ লাখ টাকার সরাসরি ব্যয়, ২ কোটি ৯২ লাখ টাকার ম্যানুফ্যাকচারিং ওভারহেড কস্ট (পণ্য উৎপাদনের সব নিরপেক্ষ খরচের সমষ্টি), ৮২ লাখ টাকার প্রশাসনিক ব্যয়, স্পেয়ার পার্টস অ্যান্ড সাপ্লাইস হিসেবে দেখানো ১ কোটি ৪৮ লাখ এবং ১ কোটি ৮ লাখ টাকার বিক্রি ও বিতরণ ব্যয়ের বিপরীতে প্রমাণাদি দেখাতে পারেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
জনতা ব্যাংকের ঢাকা লোকাল অফিসে সেন্ট্রাল ফার্মার তিনটি হিসাব রয়েছে। যেগুলো ট্যাক্সের জন্য ২০১৫ সাল থেকে ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এখনো বিষয়টির সমাধান হয়নি। ফলে ইসলামী ব্যাংকে কোম্পানিটি একটি হিসাব পরিচালনা করে। ওই হিসাব ছাড়াও অধিকাংশ লেনদেন নগদে করে কোম্পানি। এতে ব্যয় কম বা বেশি দেখানো যায়। আয়ও বাড়িয়ে বা কমিয়েও দেখানো যায় বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।
কোম্পানিটিতে এখনো আইপিও আবেদনকারীদের ৬০ লাখ টাকা পড়ে রয়েছে। আইপিওতে আবেদন করে শেয়ার না পাওয়া সত্ত্বেও ওই টাকা কোম্পানিতে রয়ে গেছে। কোম্পানিটিতে ৯ লাখ টাকার অবণ্টিত লভ্যাংশ রয়েছে। কিন্তু এই অর্থ বিএসইসির নির্দেশনা মেনে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে (সিএমএসএফ) স্থানান্তর করেনি।
সেন্ট্রাল ফার্মার আর্থিক হিসাবে ২৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকার স্থায়ী সম্পদ দেখানো হয়েছে; কিন্তু এর মধ্যে কারখানা ও অধিকাংশ মেশিনারিজ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তারপরও তারা ইমপেয়ারমেন্ট করে প্রকৃত অবস্থা বা বাজারদর নির্ণয় করেনি।
এসব বিষয়ে জানতে সেন্ট্রাল ফার্মার কোম্পানি সচিব মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এসব বিষয়ে তো কিছু অভিযোগ আছেই। পণ্য বিক্রি ও ভ্যাটের বিষয়ে আমরা নথি দিয়েছি। অগ্রিম আয়কর প্রদানের বিষয়ে দিতে পারিনি। আমরা ৯৮ কোটি টাকা আয়কর পরিশোধ করিনি, সেটা এনবিআরের সঙ্গে আন্ডার প্রসেসে আছে।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে