
ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বাংলাদেশের নতুন যাত্রায় ক্রীড়াঙ্গনকে নিয়ে সরকারের ভাবনা কী, কীভাবে এগোচ্ছে বা এগোতে চাইছে সরকার—পুরো বিষয়টি ‘আজকের পত্রিকা’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আজকের পত্রিকার হেড অব স্পোর্টস রানা আব্বাস।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে আপনারা কী কী উদ্যোগ নিচ্ছেন বা নেওয়া হচ্ছে?
ধন্যবাদ আপনাকে। দেখুন, আমরা দেশের ক্রীড়ামোদী মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং যুবসমাজকে একটি সুস্থ, মাদকমুক্ত ও গতিশীল কাঠামোর মধ্যে ফিরিয়ে আনতে ইতিমধ্যে অনেক কাজ করেছি। আপনারা নিশ্চয় তা দেখেছেন। বড় বড় দালানকোঠা বা কোটি কোটি টাকা খরচ করে স্টেডিয়ামের গ্যালারি বানানোর চেয়ে খেলার মাঠ এবং সরাসরি খেলোয়াড়দের পেছনে বিনিয়োগ করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছি, যেন প্রতিটি উপজেলা এবং স্কুলের খেলার মাঠ বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থানীয় শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। মাঠ যেন তালাবদ্ধ না থাকে।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের স্তর থেকে যেন স্পোর্টস কালচার গড়ে ওঠে, সেই লক্ষ্যে ফুটবল-ক্রিকেটের পাশাপাশি আরও ৩টি খেলাসহ মোট ৫টি ইভেন্ট স্কুলগুলোতে বাধ্যতামূলক করার কাজ চলছে। তৃণমূলের মেধাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে তুলে আনতে আমরা সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে কাজ শুরু করেছি। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের জন্য দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, দাবাসহ ৮টি ইভেন্ট নিয়ে সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত পরিবেশে এই মেগা ট্যালেন্ট হান্ট চলছে, যেখানে লক্ষাধিক কিশোর অংশ নিয়েছে। এই টুর্নামেন্টগুলো থেকে উঠে আসা সেরা প্রতিভাদের আমরা হারিয়ে যেতে দেব না। তাদের বিভাগীয় স্পোর্টস একাডেমি এবং বিকেএসপির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি আধুনিক প্রশিক্ষণ, স্পোর্টস সায়েন্স এবং পড়াশোনার সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নিচ্ছি।
আমাদের দেশের ফুটবল আর ক্রিকেট বাদে বাকি অলিম্পিক বা অন্যান্য ডিসিপ্লিনের ফেডারেশনগুলো সব সময় ফান্ডের অভাবে ভুগেছে। আমরা এই অর্থনৈতিক সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক এবং করপোরেট গ্রুপগুলোর সঙ্গে টাই-আপ করছি, যাতে প্রতিটি ফেডারেশন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। খেলোয়াড়েরা যেন খেলাকে পেশা ও জীবিকা হিসেবে নিশ্চিন্তে বেছে নিতে পারেন, সে জন্য আমরা ইতিমধ্যে প্রথম ধাপে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে নিয়মিত সরকারি বেতনকাঠামো, ক্রীড়া ভাতা এবং বিশেষ ‘স্পোর্টস কার্ডে’র আওতায় নিয়ে এসেছি। পর্যায়ক্রমে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
খেলাকে পেশায় পরিণত করতে ভবিষ্যতে ক্রীড়া কার্ডের মতো আরও কী কী পরিকল্পনা আছে?
প্রাথমিক ধাপে আমরা যে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে নিয়মিত সরকারি বেতনকাঠামো, ক্রীড়া ভাতা এবং বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ডে’র আওতায় নিয়ে এসেছি, এসব আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার শুরু মাত্র। খেলোয়াড়েরা যাতে ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তায় না ভোগেন এবং অভিভাবকেরা যাতে তাঁদের সন্তানদের নিশ্চিন্তে একজন পেশাদার অ্যাথলেট হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, সে জন্য আগামী দিনে আমরা ক্রীড়া কার্ডের পরিধি বাড়িয়ে ৫০০ জনে উন্নীত করব। বর্তমান ক্রীড়া কার্ডকে আমরা শুধু একটি পরিচয়পত্র বা সামান্য ভাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখব না, এই কার্ডের মাধ্যমে খেলোয়াড়েরা যাতে যেকোনো হাসপাতালে বিশেষায়িত ক্রীড়া চিকিৎসা এবং ইনজুরি পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে শতভাগ সরকারি সুবিধা পেতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন এবং ক্রীড়াসামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে তাঁরা বিশেষ করছাড় ও ডিসকাউন্ট পাবেন।
বর্তমানে যাঁরা খেলছেন, শুধু তাঁদের জন্যই নয়, আমাদের সাবেক খেলোয়াড়; যাঁরা দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, কিন্তু এখন আর্থিকভাবে কষ্টে আছেন, তাঁদের জন্যও পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছি। আমাদের সরকারের বয়স তো মাত্র চার মাস হতে চলেছে, আপনারা সামনে আরও ভালো কিছু দেখবেন ইনশা আল্লাহ।
১৮ কোটি মানুষের বাংলাদেশ কখনো অলিম্পিকে মেডেল জেতেনি। অলিম্পিক নিয়ে বর্তমান সরকারের ভাবনা কী?
আপনার এই প্রশ্ন শুধু আমার নয়, সম্ভবত বাংলাদেশের ১৮ কোটি ক্রীড়ামোদী মানুষের। তবে আমি বলতে চাই, বর্তমান সরকার অলিম্পিককে শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা বা অংশগ্রহণের উৎসব হিসেবে দেখছে না। অলিম্পিকে মেডেল জয় করাকে আমরা এখন আমাদের রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া নীতির একটি দীর্ঘমেয়াদি এবং সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছি। আমরা বাস্তববাদী। জানি, রাতারাতি অলিম্পিকের মেডেল জেতা সম্ভব নয়। তাই প্রাথমিকভাবে ৩ থেকে ৪টি নির্দিষ্ট খেলাকে অলিম্পিক টার্গেট হিসেবে বেছে নেব। এগুলোর মধ্যে আর্চারি ও শুটিং থাকবে। ফেডারেশনগুলো চিরাচরিত সরকারি অনুদানের বাইরে গিয়ে শুধু অলিম্পিকে সম্ভাবনাময় অ্যাথলেটদের জন্য যেন একটি বিশেষ ‘হাই পারফরম্যান্স ফান্ড’ গঠন করে, সেই নির্দেশনা থাকবে।
আগেও বলেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় আমরা দেশের বড় বড় করপোরেট হাউস এবং ব্যাংক খাতকে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত করছি। একেকটি করপোরেট গ্রুপকে একেকটি খেলার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পৃষ্ঠপোষক করার ব্যবস্থা নিচ্ছি। এর ফলে অ্যাথলেটদের আধুনিক সরঞ্জাম এবং ফান্ডের অভাব হবে না। একজন অ্যাথলেট যখন অলিম্পিকের জন্য নিজেকে তৈরি করবেন, তখন তাঁর মাথায় যেন সংসার বা ভবিষ্যতের কোনো চিন্তা না থাকে। আমরা যে বিশেষ ক্রীড়া কার্ড চালু করেছি, অলিম্পিক কোরের অ্যাথলেটদের সেখানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ফুটবল কোচের জন্য বড় অঙ্কের অনুদান দিতে রাজি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ফুটবলের পিছিয়ে থাকা অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা কী?
আমাদের ফুটবলকে যদি সত্যিই আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে হয়, তাহলে শুধু বড় অঙ্কের অনুদান দিয়ে বড় বড় হাই প্রোফাইল বিদেশি কোচ আনলেই চলবে না; সেই কোচের হাতে বিশ্বমানের দল তৈরি করতে আমাদের ফুটবল অবকাঠামোকেও সমানতালে উন্নত করতে হবে। কাদায় পূর্ণ মাঠে অনুশীলন করে কখনো টিকি-টাকা বা আধুনিক হাই প্রেসিং ফুটবল খেলা হয় না। সব সময় বলি, আমাদের বড় বড় দালানকোঠা বা কংক্রিটের গ্যালারি বানিয়ে টাকা নষ্ট করার চেয়ে মাঠের ঘাস এবং মাটির মান উন্নত করা বেশি জরুরি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন স্টেডিয়ামের চেয়ে মাঠের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে।
আমরা ইতিমধ্যে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেমন প্রতিটি ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে একটি স্থায়ী খেলার মাঠ স্থাপন করব। প্রতিটি উপজেলায় একটি খেলার মাঠ স্থাপনের জন্য জায়গা নির্ধারণের কাজ চলছে। ঢাকা মহানগরের প্রতি ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডের মাঝামাঝি ৩ থেকে ৪ বিঘা আয়তনের একটি খেলার মাঠ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি আধুনিক ফুটসাল মাঠ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সারা দেশের অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত জায়গাগুলো চিহ্নিত করে তা খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করার পরিকল্পনা হয়েছে। এই কাজগুলো সম্পন্ন হলে আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের ফুটবলের চিত্র পাল্টে যাবে।
ক্রিকেটে থাকলেও বাংলাদেশ ফুটবল-ডেডিকেটেড আধুনিক কোনো স্টেডিয়াম নেই। আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণে আপনারা কোনো উদ্যোগ নেবেন?
অবশ্যই। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ফুটবলের জন্য আমরা সম্পূর্ণ ডেডিকেটেড এবং আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়াম করতে চাই। পূর্বাচলে ইতিমধ্যে একটি বিশাল ‘ক্রীড়া হাব’ গড়ে তোলার কাজ চলছে, যেখানে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জন্য জায়গা আছে। আমাদের পরিকল্পনা হলো, ঠিক তার পাশেই এই আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণ করা। এর জমি বরাদ্দের বিষয়ে কাজও চলছে। পূর্বাচলে রাজউকের কাছে আরও ১০০ একর জায়গা চেয়ে ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছি। আমরা আশাবাদী যে দ্রুতই রাজউকের কাছ থেকে এই জমি পেয়ে যাব। সেখানে জায়গা পাওয়ামাত্রই ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পাশাপাশি এই নতুন বিশেষায়িত ফুটবল স্টেডিয়াম স্থাপনের কাজ পূর্ণগতিতে শুরু হবে। আরেকটি চমৎকার বিষয় উল্লেখ করতে চাই, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আমাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে এবং এনএসসি আমাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গত ৪ মাসে বিভিন্ন সংস্থা এবং তাদের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে একাধিক সভা-সেমিনার করেছেন। সামগ্রিকভাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে বড় প্রতিবন্ধকতাগুলো কী মনে হয়েছে? সেগুলো উতরে যেতে আপনাদের পরিকল্পনা বা ভাবনা কী?
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি শুধু ফাইলে সই করিনি; নিজে বাফুফে, বিসিবি, অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন ফেডারেশনের নীতিনির্ধারক, সাবেক খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দিন-রাত একাধিক মিটিং করেছি। আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের ভেতরের ক্ষত এবং আসল প্রতিবন্ধকতাগুলো খুব গভীরভাবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। শুরুতে যেটা বলেছি, ফুটবল আর ক্রিকেট বাদে আমাদের দেশের বাকি অলিম্পিক বা অন্যান্য ডিসিপ্লিনের ফেডারেশনগুলোর আর্থিক অবস্থা এতটাই নাজুক যে বলার মতো নয়। সব ক্রীড়া সংস্থাকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছি, ক্রীড়াঙ্গনকে স্বাবলম্বী করতে হবে। প্রতিটি ফেডারেশনকে একটি কাঠামোগত পদ্ধতির মধ্যে এনে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে, যাতে অর্থের জন্য দুয়ারে দুয়ারে যেতে না হয়। প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি থেকে উঠে আসা সেরাদের আমরা হারিয়ে যেতে দেব না; তাদের পরিচর্যার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন মালিকানাধীন আকিজ-বশির গ্রুপ শীতলক্ষ্যা নদী জবরদখল করে বালু দিয়ে ভরাট করছে। রাত-দিন তিনটি ড্রেজার দিয়ে বিরতিহীনভাবে নদী ভরাটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
কানের একটি বিকেলের কথা দিয়েই শুরু করি। সমুদ্রের পাশে ছোট ছোট পতাকা উড়ছে। পৃথিবীর নানা দেশের মানুষ হাঁটছে। কেউ সিনেমা দেখতে যাচ্ছে, কেউ সিনেমা নিয়ে কথা বলছে, কেউ চুপচাপ কফি খাচ্ছে। সেখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হয়েছিল, পৃথিবীটা আসলে খুব বড় নয়। মানুষও খুব আলাদা নয়।
২ ঘণ্টা আগে
আমরা জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, কুদরাত-এ-খুদা, মুনীর চৌধুরীর উত্তরসূরি। এই লেখায় আমি বোঝার চেষ্টা করব, জাতি হিসেবে আমাদের দেখলে আসলেই এই মহামানব উদ্ভাবকদের উত্তরসূরি মনে হয় কি না। প্রযুক্তি হলো এমন একটি ব্যাপার, যা রাতারাতি আমাদের জীবনপদ্ধতি অনেকখানি পাল্টে দেয়—বৈদ্যুতিক বাতি, মুঠ
২ ঘণ্টা আগে
সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার আঙ্গিক ও বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হলেও দুটিই শক্তিশালী গণমাধ্যম। উপগ্রহভিত্তিক টিভি চ্যানেলের প্রসার ঘটার আগপর্যন্ত সংবাদপত্রই ছিল প্রধান সংবাদমাধ্যম।
২ ঘণ্টা আগে