
বাংলাদেশের অন্যতম ভাষা ও সাহিত্য গবেষক অধ্যাপক ড. সফিউদ্দিন আহমদ কেবল একজন শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন জ্ঞানের এক আলোকবর্তিকা। ড. সফিউদ্দিন আহমদ তাঁর মেধা ও মনন দিয়ে সমাজকে ঋদ্ধ করেছেন। বিশেষ করে সিলেট ও এমসি কলেজ আঙিনায় তিনি যে ধ্রুপদি শিক্ষার পরিবেশ বজায় রেখেছিলেন, তা আজ বিরল। তাঁর প্রয়াণে আমরা কেবল একজন গবেষককে হারাইনি, হারিয়েছি একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীকে। তাঁর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।
আজ শনিবার সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে আজীবন শিক্ষাব্রতী, মুরারিচাঁদ কলেজের খ্যাতিমান অধ্যাপক, বিশিষ্ট লেখক-গবেষক ড. সফিউদ্দিন আহমদের প্রয়াণে শ্রদ্ধা ও স্মরণসভায় বক্তারা এভাবেই তাঁর কীর্তিকে স্মরণ করে তাঁকে সম্মান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, আজকের এই স্মরণসভা কেবল শোক প্রকাশের স্থান নয়, বরং সফিউদ্দিন আহমদের কর্ম ও জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়ার একটি সুযোগ। তিনি চলে গেছেন সত্য, কিন্তু তাঁর আদর্শ ও রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে তিনি বেঁচে থাকবেন যুগ-যুগান্তর। এ সময় তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করার প্রস্তাব করেন বক্তারা, যেটি থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্যারের সম্পর্কে জানতে পারবে।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘স্যার ক্লাসে যখন ঢুকতেন, মনে হতো একটা জীবন্ত লাইব্রেরি আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। তাঁর পড়ানোর ভঙ্গি ছিল অত্যন্ত প্রাঞ্জল। সাহিত্যের জটিল বিষয়গুলোকে তিনি অতি সহজে আমাদের হৃদয়ে গেঁথে দিতেন। শিক্ষক হিসেবে তিনি যেমন ছিলেন কঠোর, মানুষ হিসেবে ছিলেন ততটাই কোমল। শুধু সিলেবাস নয়, জীবনবোধ শেখাতেন তিনি। আজ স্যারের অভাব আমরা প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি। তিনি আমাদের শিখিয়েছিলেন কীভাবে মাথা উঁচু করে সত্যের পথে চলতে হয়।’
স্মরণসভায় বক্তব্য দেন মুরারিচাঁদ বাংলা সম্মিলনের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ডক্টর আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত শাহ ফরিদী, ডক্টর এনামুল হক সরদার, অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান, মোহাম্মদ বিলাল উদ্দিন প্রমুখ।
শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন মুরারিচাঁদ বাংলা সম্মিলনের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ মো. আব্দুল জলিল। স্মরণসভার সূচনাপত্র উপস্থাপনা করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর জফির সেতু। বিশ্বনাথের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মনিকাঞ্চন চৌধুরী মিলা ও সিলেটের সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক কোহেলী রায়ের যৌথ সঞ্চালনায় অধ্যাপক ড. সফিউদ্দিন আহমদের জীবনপঞ্জি পাঠ করেন হোসনে আরা কাকালী। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন মাহবুবুজ্জামান চৌধুরী।
এ সময় ‘আমি তোমাদেরই লোক’ শীর্ষক স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়। এর সংকলন-সম্পাদনা-সম্পর্কিত প্রাক্-কথন করেন পুলিন রায়। অনুভূতি প্রকাশ করেন অধ্যাপক ড. সফিউদ্দিন আহমদের ছেলে সাকি আহমদ। কবিতা আবৃত্তি করেন মুরারিচাঁদ কলেজের বাংলা বিভাগের চন্দ্রিকা, গায়ত্রী রায়।
অনুষ্ঠানের শেষে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
২ ঘণ্টা আগে