শাকিলা ববি, সিলেট

পুরো বিভাগে চলছে পরিবহন ধর্মঘট। সিলেটে আগামীকাল শনিবার থেকে ধর্মঘট ডেকেছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো। কিন্তু আজ শুক্রবার থেকেই প্রায় বন্ধ বাস চলাচল। সমাবেশে যোগ দিতে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা থেকে নৌকা দিয়ে সিলেটে আসছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। আজ সিলেট নগরীর কানিশাইল নৌকাঘাটে বেলা ৩টা পর্যন্ত ৩০টি নৌকায় সহস্রাধিক নেতা-কর্মী আসেন।
সুনামগঞ্জের ছাতক যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ মনসুর আলী বলেন, ‘পরিবহন ধর্মঘট দিয়ে আমাদের আটকে রাখা যাবে না। প্রায় ছয় ঘণ্টা নৌকায় বসে অনেক কষ্ট করে আমরা সিলেটে এসে পৌঁছেছি। পথে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেছে। নৌকা পাড়ে ভেড়ানোর জন্য বলেছে, কিন্তু আমরা কারও কথা শুনিনি। সফলভাবে সিলেটে এসে পৌঁছেছি।’
দুপুরে সিলেট নগরীর কানিশাইল নৌকাঘাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০টি ট্রলারে করে সুনামগঞ্জের ছাতক দোয়ারা থেকে প্রায় ৫ হাজার নেতা-কর্মী সিলেটে এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর, ধর্মপাশা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার হাওর এলাকা থেকে শতাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবারও সিলেটে এসেছেন বিএনপির হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থক। একেকটি নৌকার যাত্রী ধারণক্ষমতা ১৫০ থেকে ২০০। যাঁরা বৃহস্পতিবার এসেছেন, তাঁদের অনেকেই নৌকায় রাত্রিযাপন করেছেন। অনেকে আবার সমাবেশস্থলে তাঁবু টানিয়ে থাকছেন।
প্রথমে শুধু শনিবার, অর্থাৎ বিএনপির সমাবেশের দিন বাস ধর্মঘটের ঘোষণা দিলেও গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথকভাবে বিভাগের সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার—এই চার জেলায় শুক্র ও শনিবার সব ধরনের পরিবহনের ধর্মঘট ডেকেছে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো। অবৈধ তিন চাকার যান বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে ডাকা হয়েছে এই ধর্মঘট।
তাই বিকল্প বাহনে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মাইলের পর মাইল নদীপথ পাড়ি দিয়ে শতাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে ভাটি এলাকা থেকে রওনা দেন বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। আজও নৌযানে আসছেন তাঁরা। আগামীকাল সকাল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা নৌকায় করে আসবেন বলে জানান বিএনপির নেতারা।
দোয়ারা উপজেলা বিএনপির নেতা তাইবুর রহমান বলেন, ‘ছাতক দোয়ারা থেকে ৩০টি নৌকা, শতাধিক মোটরসাইকেল ও ট্রাকে করে প্রায় ১০ হাজার নেতা-কর্মী এরই মধ্যে সিলেটে এসে পৌঁছেছেন। বিকেল ৪টায় আমরা মিছিলসহকারে সমাবেশস্থল আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে পৌঁছাব। সরকার পরিবহন ধর্মঘট দিয়ে আমাদের বিপাকে ফেললেও আটকাতে পারেনি। নৌকায় চড়ে আমরা বিএনপির সমাবেশে এসে গেছি।’
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও গত জাতীয় নির্বাচনে ছাতক দোয়ারা আসনের বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘১৯ নভেম্বর বিএনপির সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে নানান ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। এই ষড়যন্ত্রের একটি অংশ হচ্ছে পরিবহন ধর্মঘট। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রই গণসমাবেশ ঠেকাতে পারবে না। বাস বন্ধ তো কী হয়েছে? নেতাকর্মীরা নৌকা, মোটরবাইক, ট্রাকে যে যেভাবে পারে সমাবেশ স্থলে আসছে। সমাবেশ ঘিরে এরই মধ্যে সিলেট লোকারণ্য।’
প্রসঙ্গত, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, খালেদা জিয়ার মুক্তি, নিরপেক্ষ বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, সংসদ বিলুপ্ত, সরকারের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুরে গণসমাবেশ করেছে দলটি। প্রতিটি সমাবেশের আগে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে পরিবহন ধর্মঘট দিয়েছে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো।

পুরো বিভাগে চলছে পরিবহন ধর্মঘট। সিলেটে আগামীকাল শনিবার থেকে ধর্মঘট ডেকেছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো। কিন্তু আজ শুক্রবার থেকেই প্রায় বন্ধ বাস চলাচল। সমাবেশে যোগ দিতে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা থেকে নৌকা দিয়ে সিলেটে আসছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। আজ সিলেট নগরীর কানিশাইল নৌকাঘাটে বেলা ৩টা পর্যন্ত ৩০টি নৌকায় সহস্রাধিক নেতা-কর্মী আসেন।
সুনামগঞ্জের ছাতক যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ মনসুর আলী বলেন, ‘পরিবহন ধর্মঘট দিয়ে আমাদের আটকে রাখা যাবে না। প্রায় ছয় ঘণ্টা নৌকায় বসে অনেক কষ্ট করে আমরা সিলেটে এসে পৌঁছেছি। পথে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেছে। নৌকা পাড়ে ভেড়ানোর জন্য বলেছে, কিন্তু আমরা কারও কথা শুনিনি। সফলভাবে সিলেটে এসে পৌঁছেছি।’
দুপুরে সিলেট নগরীর কানিশাইল নৌকাঘাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০টি ট্রলারে করে সুনামগঞ্জের ছাতক দোয়ারা থেকে প্রায় ৫ হাজার নেতা-কর্মী সিলেটে এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর, ধর্মপাশা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার হাওর এলাকা থেকে শতাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবারও সিলেটে এসেছেন বিএনপির হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থক। একেকটি নৌকার যাত্রী ধারণক্ষমতা ১৫০ থেকে ২০০। যাঁরা বৃহস্পতিবার এসেছেন, তাঁদের অনেকেই নৌকায় রাত্রিযাপন করেছেন। অনেকে আবার সমাবেশস্থলে তাঁবু টানিয়ে থাকছেন।
প্রথমে শুধু শনিবার, অর্থাৎ বিএনপির সমাবেশের দিন বাস ধর্মঘটের ঘোষণা দিলেও গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথকভাবে বিভাগের সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার—এই চার জেলায় শুক্র ও শনিবার সব ধরনের পরিবহনের ধর্মঘট ডেকেছে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো। অবৈধ তিন চাকার যান বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে ডাকা হয়েছে এই ধর্মঘট।
তাই বিকল্প বাহনে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মাইলের পর মাইল নদীপথ পাড়ি দিয়ে শতাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে ভাটি এলাকা থেকে রওনা দেন বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। আজও নৌযানে আসছেন তাঁরা। আগামীকাল সকাল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা নৌকায় করে আসবেন বলে জানান বিএনপির নেতারা।
দোয়ারা উপজেলা বিএনপির নেতা তাইবুর রহমান বলেন, ‘ছাতক দোয়ারা থেকে ৩০টি নৌকা, শতাধিক মোটরসাইকেল ও ট্রাকে করে প্রায় ১০ হাজার নেতা-কর্মী এরই মধ্যে সিলেটে এসে পৌঁছেছেন। বিকেল ৪টায় আমরা মিছিলসহকারে সমাবেশস্থল আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে পৌঁছাব। সরকার পরিবহন ধর্মঘট দিয়ে আমাদের বিপাকে ফেললেও আটকাতে পারেনি। নৌকায় চড়ে আমরা বিএনপির সমাবেশে এসে গেছি।’
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও গত জাতীয় নির্বাচনে ছাতক দোয়ারা আসনের বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘১৯ নভেম্বর বিএনপির সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে নানান ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। এই ষড়যন্ত্রের একটি অংশ হচ্ছে পরিবহন ধর্মঘট। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রই গণসমাবেশ ঠেকাতে পারবে না। বাস বন্ধ তো কী হয়েছে? নেতাকর্মীরা নৌকা, মোটরবাইক, ট্রাকে যে যেভাবে পারে সমাবেশ স্থলে আসছে। সমাবেশ ঘিরে এরই মধ্যে সিলেট লোকারণ্য।’
প্রসঙ্গত, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, খালেদা জিয়ার মুক্তি, নিরপেক্ষ বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, সংসদ বিলুপ্ত, সরকারের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুরে গণসমাবেশ করেছে দলটি। প্রতিটি সমাবেশের আগে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে পরিবহন ধর্মঘট দিয়েছে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সেনাবাহিনীর একটি টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। তবে ওই ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মহেশপুর-খালিশপুর সড়কের বেলেঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
উঠান বৈঠক করতে গিয়ে বাধা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বদুরপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে আহতদের স্বজন...
১ ঘণ্টা আগে