প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মরিচ ব্যবসায়ীর থেকে পণ্যে ভেজাল আছে বলে ঘুষ দাবি করায় উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নৈশ প্রহরীকে শোকজ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শোকজপ্রাপ্তরা হলেন তাড়াশ উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এস. এম শহিদুল ইসলাম রন্টু ও উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতালের নৈশ প্রহরী গৌড়ী চাঁদ তালুকদার।
আজ বৃহস্পতিবার তাড়াশ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জামাল মিয়া শোভন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইউএইচসি/তাড়াশ/সিরাজগঞ্জ/ ২০২১ / ১৭৫-১৭৬ নং স্মারকে ৫টি নির্দেশনা দিয়ে তাদের দুজনকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার তাড়াশ উপজেলার ধামাইচ হাটের মসলা ও তেল বিক্রেতা ইমদাদুল হকের নিকট পণ্যে ভেজাল রয়েছে অভিযোগ তুলে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ঘুষ দাবি করেন। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নৈশ প্রহরীকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে এস এম শহিদুল ইসলাম রন্টু ও নৈশ প্রহরী গোড়া চাঁদকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। পরে রাত ৯টা দিকে মুচলেকা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ দুজনকে নিজ জিম্মায় ছাড়িয়ে আনেন।।
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ড. রামপদ রায় জানান, ঘুষ দাবির অভিযোগে তাদের দুজনকে শোকজ করা হয়েছে এবং একটি টিমকে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তপূর্বক আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে ঘুষ দাবির অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি জানান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস এম শহিদুল ইসলাম রন্টু জেলা কৃষক লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছে।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মরিচ ব্যবসায়ীর থেকে পণ্যে ভেজাল আছে বলে ঘুষ দাবি করায় উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নৈশ প্রহরীকে শোকজ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শোকজপ্রাপ্তরা হলেন তাড়াশ উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এস. এম শহিদুল ইসলাম রন্টু ও উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতালের নৈশ প্রহরী গৌড়ী চাঁদ তালুকদার।
আজ বৃহস্পতিবার তাড়াশ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জামাল মিয়া শোভন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ইউএইচসি/তাড়াশ/সিরাজগঞ্জ/ ২০২১ / ১৭৫-১৭৬ নং স্মারকে ৫টি নির্দেশনা দিয়ে তাদের দুজনকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার তাড়াশ উপজেলার ধামাইচ হাটের মসলা ও তেল বিক্রেতা ইমদাদুল হকের নিকট পণ্যে ভেজাল রয়েছে অভিযোগ তুলে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ঘুষ দাবি করেন। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নৈশ প্রহরীকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে এস এম শহিদুল ইসলাম রন্টু ও নৈশ প্রহরী গোড়া চাঁদকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। পরে রাত ৯টা দিকে মুচলেকা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ দুজনকে নিজ জিম্মায় ছাড়িয়ে আনেন।।
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ড. রামপদ রায় জানান, ঘুষ দাবির অভিযোগে তাদের দুজনকে শোকজ করা হয়েছে এবং একটি টিমকে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তপূর্বক আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে ঘুষ দাবির অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি জানান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস এম শহিদুল ইসলাম রন্টু জেলা কৃষক লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে