চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় অসময়ে যমুনা নদীর ভাঙনে দিশেহারা নদীপারের মানুষ। আকস্মিকভাবে নদীভাঙন শুরু হয়েছে প্রায় ১০ দিন হলো। চৈত্র মাসে শান্ত-স্নিগ্ধ যমুনা নদী হঠাৎ যেন যৌবন ফিরে পেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গত দুই সপ্তাহের ভাঙনে চৌহালীর দক্ষিণাঞ্চলে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও ৩০টি বসতবাড়ি এরই মধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে।
বিনানই গ্রামের পাঁচটি ও চরসলিমাবাদ গ্রামের ২৫টি বসতবাড়ি যমুনায় গ্রাস করেছে মাত্র কয়েক দিনে। ভাঙন-আতঙ্কে পবিত্র রমজান ও ঈদকে ঘিরে বাঘুটিয়া ইউনিয়নবাসী। ঘর ও মালামাল হেফাজত করতে গিয়ে কর্মহীন হয়ে পরেছেন ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ।
ভাঙন হুমকিতে পড়েছে মিটুয়ানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিটুয়ানী হাইস্কুল, চরবিনানই সপ্রাবি, সম্ভুদিয়া সপ্রাবি, সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়, সম্ভুদিয়া আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, মঞ্জুর কাদের কলেজ সম্ভুদিয়া, বাঘুটিয়া কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চর সলিমাবাদ সপ্রাবি, চরসলিমাবাদ দাখিল মাদ্রাসা, চর সলিমাবাদ বাজার, ভূতের মোড় নৌঘাট, কবরস্থান, পয়লা দাখিল মাদ্রাসা, পয়লা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়, চৌবাড়িয়া কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পয়লা সপ্রাবি, কাঁচাপাকা বিভিন্ন স্থাপনাসহ আবাদি জমি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জমিতে লকলকে বেড়ে ওঠা বাড়ন্ত ধানসহ অন্যান্য খেতের অপ্রাপ্ত গাছগুলো কাটছেন চাষিরা।
এ নিয়ে কথা হয় ঘুশুরিয়া গ্রামের কৃষক ফজলুল হক ও ছামাদ সিকদারের সঙ্গে। তাঁরা জানান, প্রায় চার বছর আগে এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন বিনানই ও চর সলিমাবাদ গ্রামে। এ নিয়ে পাঁচবার নদীভাঙনের কবলে পড়েছেন তাঁরা। একসময় পৈতৃক বসতবাড়ি আর কিছু জমি থাকলেও এখন তাঁরা ভূমিহীন উদ্বাস্তু। তাঁদের ভাগ্যকে যেন গ্রাস করেছে রাক্ষসী যমুনায়।
বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিনানই গ্রামের বাসিন্দা জব্বার আলী জানান, এ মৌসুমে যমুনা নদীর এমন তাণ্ডবলীলা এলাকাবাসী দেখেনি আগে। চৈত্র-বৈশাখ মাসে যমুনা নদী মরুভূমি হয়ে থাকত, কিন্তু এ বছর ব্যাপক পানি বৃদ্ধি হয়েছে, ফলে শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন।
জব্বার আলী আরও বলেন, ‘দুর্গত মানুষের আহাজারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং সরকারি দপ্তরে পৌঁছাচ্ছে না। আর কত বাড়ি, প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি বিলীন হলে বেড়িবাঁধ ও স্রোতের মুখে ডাম্পিং করা হবে?’
সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাঘুটিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কাহহার সিদ্দিকী বলেন, কয়েক বছর ধরে এলাকাবাসী নদীভাঙন রোধ প্রকল্পের দাবিতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এভাবে চলতে শুরু আগামী কয়েক বছরেই চৌহালীর দক্ষিণাঞ্চল সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যাবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (চৌহালী-বেলকুচি) দায়িত্বপ্রাপ্ত উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিলটন হোসেন বলেন, জরুরি জিও ব্যাগ ডাম্পিং প্রকল্পের জন্য আবেদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জমা আছে, যা আগামী ২০ তারিখে মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ে প্রকল্পটি উঠবে।

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় অসময়ে যমুনা নদীর ভাঙনে দিশেহারা নদীপারের মানুষ। আকস্মিকভাবে নদীভাঙন শুরু হয়েছে প্রায় ১০ দিন হলো। চৈত্র মাসে শান্ত-স্নিগ্ধ যমুনা নদী হঠাৎ যেন যৌবন ফিরে পেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গত দুই সপ্তাহের ভাঙনে চৌহালীর দক্ষিণাঞ্চলে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও ৩০টি বসতবাড়ি এরই মধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে।
বিনানই গ্রামের পাঁচটি ও চরসলিমাবাদ গ্রামের ২৫টি বসতবাড়ি যমুনায় গ্রাস করেছে মাত্র কয়েক দিনে। ভাঙন-আতঙ্কে পবিত্র রমজান ও ঈদকে ঘিরে বাঘুটিয়া ইউনিয়নবাসী। ঘর ও মালামাল হেফাজত করতে গিয়ে কর্মহীন হয়ে পরেছেন ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ।
ভাঙন হুমকিতে পড়েছে মিটুয়ানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিটুয়ানী হাইস্কুল, চরবিনানই সপ্রাবি, সম্ভুদিয়া সপ্রাবি, সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়, সম্ভুদিয়া আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, মঞ্জুর কাদের কলেজ সম্ভুদিয়া, বাঘুটিয়া কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চর সলিমাবাদ সপ্রাবি, চরসলিমাবাদ দাখিল মাদ্রাসা, চর সলিমাবাদ বাজার, ভূতের মোড় নৌঘাট, কবরস্থান, পয়লা দাখিল মাদ্রাসা, পয়লা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়, চৌবাড়িয়া কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পয়লা সপ্রাবি, কাঁচাপাকা বিভিন্ন স্থাপনাসহ আবাদি জমি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জমিতে লকলকে বেড়ে ওঠা বাড়ন্ত ধানসহ অন্যান্য খেতের অপ্রাপ্ত গাছগুলো কাটছেন চাষিরা।
এ নিয়ে কথা হয় ঘুশুরিয়া গ্রামের কৃষক ফজলুল হক ও ছামাদ সিকদারের সঙ্গে। তাঁরা জানান, প্রায় চার বছর আগে এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন বিনানই ও চর সলিমাবাদ গ্রামে। এ নিয়ে পাঁচবার নদীভাঙনের কবলে পড়েছেন তাঁরা। একসময় পৈতৃক বসতবাড়ি আর কিছু জমি থাকলেও এখন তাঁরা ভূমিহীন উদ্বাস্তু। তাঁদের ভাগ্যকে যেন গ্রাস করেছে রাক্ষসী যমুনায়।
বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিনানই গ্রামের বাসিন্দা জব্বার আলী জানান, এ মৌসুমে যমুনা নদীর এমন তাণ্ডবলীলা এলাকাবাসী দেখেনি আগে। চৈত্র-বৈশাখ মাসে যমুনা নদী মরুভূমি হয়ে থাকত, কিন্তু এ বছর ব্যাপক পানি বৃদ্ধি হয়েছে, ফলে শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন।
জব্বার আলী আরও বলেন, ‘দুর্গত মানুষের আহাজারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং সরকারি দপ্তরে পৌঁছাচ্ছে না। আর কত বাড়ি, প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি বিলীন হলে বেড়িবাঁধ ও স্রোতের মুখে ডাম্পিং করা হবে?’
সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাঘুটিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কাহহার সিদ্দিকী বলেন, কয়েক বছর ধরে এলাকাবাসী নদীভাঙন রোধ প্রকল্পের দাবিতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এভাবে চলতে শুরু আগামী কয়েক বছরেই চৌহালীর দক্ষিণাঞ্চল সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যাবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (চৌহালী-বেলকুচি) দায়িত্বপ্রাপ্ত উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিলটন হোসেন বলেন, জরুরি জিও ব্যাগ ডাম্পিং প্রকল্পের জন্য আবেদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জমা আছে, যা আগামী ২০ তারিখে মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ে প্রকল্পটি উঠবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে