গাইবান্ধা প্রতিনিধি

বসন্তবরণ ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় ফুল ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। বিশেষ দিন সামনে রেখে বাহারি ফুলের পসরা সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দুই দিনে বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরা হাজার হাজার টাকার ফুল বিক্রি করবেন এমনটাই আশা করছেন। অনেক ব্যবসায়ী ফুলে ক্যাপ পরিয়ে রেখেছেন।
জানা গেছে, বসন্তবরণ ও ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে গাইবান্ধায় ফুলের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। সারা বছর টুকটাক করে ফুলের ব্যবসা চললেও ব্যবসা জমজমাট হয় পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসে। সব মিলিয়ে দেখা গেছে পাইকার, বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরা ফুল নিয়ে বাড়তি বিক্রি ও বাড়তি আয়ের জন্য ব্যস্ত রয়েছেন।
কয়েক বছর আগেও ফুলের এমন কদর ছিল না। সময় পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে এখন সর্বত্রই ফুলের কদর বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা লাল গোলাপ, রজনীগন্ধা, গাদা, কসমস, ডালিয়া, টিউলিপ, কালো গোলাপ, ঝুমকা লতা, গাজানিয়া, চন্দ্রমল্লিকাসহ বিভিন্ন ফুলের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন।
পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস ছাড়াও সামনে রয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি। এই তিনটি দিবসকে সামনে রেখে বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।
সরেজমিনে জেলা শহরের বিভিন্ন ফুলের দোকান ঘুরে দেখা যায়, ভালোবাসা ও পয়লা ফাল্গুন উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ফুল দিয়ে পসরা সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ভালোবাসা দিবস ও পয়লা ফাল্গুন উপলক্ষে স্থানীয় দোকানের পাশাপাশি অস্থায়ী বেশ কয়েকটি দোকান বসিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তবে দোকানে দোকানে ফুলের পসরা থাকলেও আশানুরূপ ক্রেতা নেই এসব দোকানে। ফলে দোকানিরা লাখ লাখ টাকা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
গাইবান্ধা গোরস্থান রোডের ফুল ব্যবসায়ী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা জানান, ‘বসন্তবরণ ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে তাঁর দোকানে ফুলের পসরা সাজাচ্ছেন। ভালো বিক্রির আশায় এবার জেলার স্থানীয় ফুলবাগান ও যশোরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নানান রকমের ফুল সংগ্রহ করছেন। বিশেষ দিন ঘিরে কয়েক দিন আগ থেকে বিক্রি বেশি হওয়ার কথা, কিন্তু তার কোনো নমুনা দেখছেন না। বেচা-বিক্রি নিয়ে হতাশায় রয়েছেন।
আরেক ফুল ব্যবসায়ী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ফুল সংগ্রহ করেছি বেশি দামে। আশা করছি আগামীকাল বেচা-বিক্রি অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি হবে।’
শহরের আসাদুজ্জামান মার্কেটের ফুল ব্যবসায়ী সুশান্ত কুমার শ্যামল বলেন, ‘আগে ভালোবাসা দিবস ও বসন্তবরণ উৎসবে ফুল বিক্রি বেশি হতো। অন্যান্য বছরের তুলনায় চড়া দামে ফুল সংগ্রহ করেছি।’
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় ফুলের দাম দ্বিগুণ চাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপের হাটের টগনদী ফুলের বাগানের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রায় ২২ বছর ধরে ফুলের চাষ করে আসছি। করোনার পর থেকেই আজ পর্যন্ত এ চাষে শুধু ক্ষতিই হচ্ছে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাগানে বেশ ফুল ধরছে। আমরা ফুল বাগানের মালিকেরা ফেব্রুয়ারি মাসে বেশি ফুল বিক্রি করে পুরো বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিই। অন্যান্য সময় বাগানেই আমাদের ফুল পচে যায়।’
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘জেলায় দিন দিন ফুলচাষির সংখ্যা বাড়ছে। যারা জেলার বাইরে বিক্রি করতে পারছে তারা বেশ লাভবান হচ্ছে। ফুলচাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা দিতে মাঠপর্যায়েও কৃষি বিভাগ কাজ করছে। তবে এবার আবহাওয়া ভালো হওয়ায় ফুলের চাষ দ্বিগুণ হয়েছে।’

বসন্তবরণ ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় ফুল ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। বিশেষ দিন সামনে রেখে বাহারি ফুলের পসরা সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দুই দিনে বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরা হাজার হাজার টাকার ফুল বিক্রি করবেন এমনটাই আশা করছেন। অনেক ব্যবসায়ী ফুলে ক্যাপ পরিয়ে রেখেছেন।
জানা গেছে, বসন্তবরণ ও ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে গাইবান্ধায় ফুলের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। সারা বছর টুকটাক করে ফুলের ব্যবসা চললেও ব্যবসা জমজমাট হয় পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসে। সব মিলিয়ে দেখা গেছে পাইকার, বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরা ফুল নিয়ে বাড়তি বিক্রি ও বাড়তি আয়ের জন্য ব্যস্ত রয়েছেন।
কয়েক বছর আগেও ফুলের এমন কদর ছিল না। সময় পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে এখন সর্বত্রই ফুলের কদর বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা লাল গোলাপ, রজনীগন্ধা, গাদা, কসমস, ডালিয়া, টিউলিপ, কালো গোলাপ, ঝুমকা লতা, গাজানিয়া, চন্দ্রমল্লিকাসহ বিভিন্ন ফুলের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন।
পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস ছাড়াও সামনে রয়েছে একুশে ফেব্রুয়ারি। এই তিনটি দিবসকে সামনে রেখে বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।
সরেজমিনে জেলা শহরের বিভিন্ন ফুলের দোকান ঘুরে দেখা যায়, ভালোবাসা ও পয়লা ফাল্গুন উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ফুল দিয়ে পসরা সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ভালোবাসা দিবস ও পয়লা ফাল্গুন উপলক্ষে স্থানীয় দোকানের পাশাপাশি অস্থায়ী বেশ কয়েকটি দোকান বসিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তবে দোকানে দোকানে ফুলের পসরা থাকলেও আশানুরূপ ক্রেতা নেই এসব দোকানে। ফলে দোকানিরা লাখ লাখ টাকা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
গাইবান্ধা গোরস্থান রোডের ফুল ব্যবসায়ী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা জানান, ‘বসন্তবরণ ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে তাঁর দোকানে ফুলের পসরা সাজাচ্ছেন। ভালো বিক্রির আশায় এবার জেলার স্থানীয় ফুলবাগান ও যশোরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নানান রকমের ফুল সংগ্রহ করছেন। বিশেষ দিন ঘিরে কয়েক দিন আগ থেকে বিক্রি বেশি হওয়ার কথা, কিন্তু তার কোনো নমুনা দেখছেন না। বেচা-বিক্রি নিয়ে হতাশায় রয়েছেন।
আরেক ফুল ব্যবসায়ী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ফুল সংগ্রহ করেছি বেশি দামে। আশা করছি আগামীকাল বেচা-বিক্রি অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি হবে।’
শহরের আসাদুজ্জামান মার্কেটের ফুল ব্যবসায়ী সুশান্ত কুমার শ্যামল বলেন, ‘আগে ভালোবাসা দিবস ও বসন্তবরণ উৎসবে ফুল বিক্রি বেশি হতো। অন্যান্য বছরের তুলনায় চড়া দামে ফুল সংগ্রহ করেছি।’
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় ফুলের দাম দ্বিগুণ চাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপের হাটের টগনদী ফুলের বাগানের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রায় ২২ বছর ধরে ফুলের চাষ করে আসছি। করোনার পর থেকেই আজ পর্যন্ত এ চাষে শুধু ক্ষতিই হচ্ছে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাগানে বেশ ফুল ধরছে। আমরা ফুল বাগানের মালিকেরা ফেব্রুয়ারি মাসে বেশি ফুল বিক্রি করে পুরো বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিই। অন্যান্য সময় বাগানেই আমাদের ফুল পচে যায়।’
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘জেলায় দিন দিন ফুলচাষির সংখ্যা বাড়ছে। যারা জেলার বাইরে বিক্রি করতে পারছে তারা বেশ লাভবান হচ্ছে। ফুলচাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা দিতে মাঠপর্যায়েও কৃষি বিভাগ কাজ করছে। তবে এবার আবহাওয়া ভালো হওয়ায় ফুলের চাষ দ্বিগুণ হয়েছে।’

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সিমেন্টবোঝাই ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে গড়েয়া ব্রিজ এলাকায় গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৬ মিনিট আগে
ঘন কুয়াশায় প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা বন্ধের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল শুরু হয় বলে জানান বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন।
১ ঘণ্টা আগে
এই রেকর্ড রুমে ১৭৪১ সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত যশোর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দলিল, ভলিউম বুক, বালাম বই, সূচিপত্র, টিপবইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সংরক্ষিত ছিল। তিনি আরও জানান, খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ভবনের দরজা কেউ খুলতেন না।
১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের দৌলতখালী গ্রাম থেকে একটি পুরোনো আর্টিলারি শেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দৌলতখালী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা মৃত আসমত উল্লাহর বসতবাড়িতে এটি পাওয়া যায়।
১ ঘণ্টা আগে