রংপুর প্রতিনিধি

প্রথমবারের মতো এন্ডোস্কোপিক ব্রেইন টিউমারের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের ছয় সদস্যের একটি চিকিৎসক দল। গত সোমবার রমেক হাসপাতালে এ অস্ত্রোপচার হয়।
অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন রমেক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. তোফায়েল হোসাইন ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন রমেকের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজকুমার রায়, সহকারী অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক ডা. শামীমা সুলতানা ও হাসপাতালের অ্যানেসথেশিওলজি বিভাগের ডা. হাসি। এ ছাড়া সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. ইসমে আজম জিকোও ছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ডা. জিকো বলেন, ‘রমেক হাসপাতালে ৩৫ বছর বয়স্ক এক রোগী ভর্তি হন। তাঁর সমস্যা—চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে। তিনি ডান চোখে দেখেন না, বাম চোখে দেখেন, কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে কম। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জনেরা এমআরআই করে ওই রোগীর চোখের নার্ভের নিচে একটা টিউমার দেখতে পায়। টিউমারটি চোখের নার্ভে চাপ দেওয়ার কারণে রোগীর দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছিল। টিউমার শনাক্তের পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা করেন।’
ডা. জিকো আরও বলেন, ‘রমেকের চিকিৎসক দল আমাকে আমার ব্যক্তিগত যন্ত্রপাতিসহ রংপুরে ডেকে নেয়। আমি তাদের সঙ্গে অপারেশনটিতে অংশ নিয়েছি। ওই রোগীর এন্ডোস্কোপিক ব্রেইন টিউমার অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যম একটি নতুন ইতিহাসও সৃষ্টি হলো। রোগীর অবস্থা এখন খুবই ভালো। রোগী কথা-বার্তা ও হাঁটা-চলা করতে পারছেন, খেতেও পারছেন। তাঁর অবস্থা উন্নতির দিকে।’
অস্ত্রোপচার দলের অন্যতম সদস্য রমেক হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. শামীমা সুলতানা বলেন, ‘অপারেশনটি সম্পন্ন করতে পেরে আমরা খুবই খুশি। এমন একটি অপারেশন প্রথমবারের মতো রংপুরে করতে পেরেছি।’

প্রথমবারের মতো এন্ডোস্কোপিক ব্রেইন টিউমারের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের ছয় সদস্যের একটি চিকিৎসক দল। গত সোমবার রমেক হাসপাতালে এ অস্ত্রোপচার হয়।
অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন রমেক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. তোফায়েল হোসাইন ভূঁইয়া। তাঁর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন রমেকের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজকুমার রায়, সহকারী অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক ডা. শামীমা সুলতানা ও হাসপাতালের অ্যানেসথেশিওলজি বিভাগের ডা. হাসি। এ ছাড়া সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. ইসমে আজম জিকোও ছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ডা. জিকো বলেন, ‘রমেক হাসপাতালে ৩৫ বছর বয়স্ক এক রোগী ভর্তি হন। তাঁর সমস্যা—চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে। তিনি ডান চোখে দেখেন না, বাম চোখে দেখেন, কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে কম। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জনেরা এমআরআই করে ওই রোগীর চোখের নার্ভের নিচে একটা টিউমার দেখতে পায়। টিউমারটি চোখের নার্ভে চাপ দেওয়ার কারণে রোগীর দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছিল। টিউমার শনাক্তের পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা করেন।’
ডা. জিকো আরও বলেন, ‘রমেকের চিকিৎসক দল আমাকে আমার ব্যক্তিগত যন্ত্রপাতিসহ রংপুরে ডেকে নেয়। আমি তাদের সঙ্গে অপারেশনটিতে অংশ নিয়েছি। ওই রোগীর এন্ডোস্কোপিক ব্রেইন টিউমার অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যম একটি নতুন ইতিহাসও সৃষ্টি হলো। রোগীর অবস্থা এখন খুবই ভালো। রোগী কথা-বার্তা ও হাঁটা-চলা করতে পারছেন, খেতেও পারছেন। তাঁর অবস্থা উন্নতির দিকে।’
অস্ত্রোপচার দলের অন্যতম সদস্য রমেক হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. শামীমা সুলতানা বলেন, ‘অপারেশনটি সম্পন্ন করতে পেরে আমরা খুবই খুশি। এমন একটি অপারেশন প্রথমবারের মতো রংপুরে করতে পেরেছি।’

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৭ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
১৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের দুটি শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): এবার আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর অধ্যাপক...
১৯ মিনিট আগে
মেলায় বড় মাছ দরদাম করছিলেন স্থানীয় এক জামাই সৈকত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম শ্বশুরবাড়িতে মাছ নিয়ে যাব। তাই সেরা মাছটা কেনার চেষ্টা করছি। ১৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ পছন্দ হয়েছে। বিক্রেতা দাম চেয়েছেন ২২ হাজার টাকা। জামাই হিসেবে বড় মাছটি নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে ঢুকতে পারা একটা আলাদা গর্বের বিষয়।’
৩৬ মিনিট আগে