পঞ্চগড় প্রতিনিধি

বিষের বোতল হাতে স্ত্রী-সন্তানসহ সংবাদ সম্মেলন করেছে পঞ্চগড়ের এক ভুক্তভোগী পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এ বি এম আখতারুজ্জামান শাহজাহান প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের বংশীয় জমি দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। হামলা-মামলার হুমকির মুখে তাঁরা এতটাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যে, আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ দেখছেন না বলে জানান।
শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাঁড়িভাসা ইউনিয়নের হালুয়াপাড়া এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পরিবারটি। সেখানে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীর আলম, তরিকুল ইসলাম, ফিরোজ আলম, শফিয়ার রহমানসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য।

তাঁদের ভাষ্য, হালুয়াপাড়া এলাকায় তাদের বংশীয় সম্পত্তি হিসেবে প্রায় ৭০০-৭৫০ বিঘা জমি রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু শাহজাহানের বাবা বদিউজ্জামান কানুনগো থাকার সুযোগে জমির জাল দলিল তৈরি করে তা নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করিয়ে নেন। বর্তমানে তাঁরা মাত্র ৪০ বিঘা জমিতে কৃষিকাজ করছেন, তাও হামলা ও হুমকির মুখে।
অভিযোগকারী পরিবারটি জানায়, প্রায়ই জমি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার হুমকি, স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করানোর ঘটনাও ঘটেছে। সংবাদ সম্মেলনে একজন বলেন, ‘ভয়ভীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মরে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। আমাদের হাতে যদি কারও রক্ত লাগে, তার চেয়ে বরং নিজেরাই বিষ খেয়ে মরব।’

তারা সরকারের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এ বি এম আখতারুজ্জামান শাহজাহান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কারও জমি দখল করিনি, বরং তারাই আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ২৫ জুন বসার কথা ছিল, তারা বসেনি। এখন নিজেরাই নানা জটিলতা তৈরি করছে। আমরা চাই, গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসুক।’

বিষের বোতল হাতে স্ত্রী-সন্তানসহ সংবাদ সম্মেলন করেছে পঞ্চগড়ের এক ভুক্তভোগী পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এ বি এম আখতারুজ্জামান শাহজাহান প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের বংশীয় জমি দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। হামলা-মামলার হুমকির মুখে তাঁরা এতটাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন যে, আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ দেখছেন না বলে জানান।
শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাঁড়িভাসা ইউনিয়নের হালুয়াপাড়া এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পরিবারটি। সেখানে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীর আলম, তরিকুল ইসলাম, ফিরোজ আলম, শফিয়ার রহমানসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য।

তাঁদের ভাষ্য, হালুয়াপাড়া এলাকায় তাদের বংশীয় সম্পত্তি হিসেবে প্রায় ৭০০-৭৫০ বিঘা জমি রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু শাহজাহানের বাবা বদিউজ্জামান কানুনগো থাকার সুযোগে জমির জাল দলিল তৈরি করে তা নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করিয়ে নেন। বর্তমানে তাঁরা মাত্র ৪০ বিঘা জমিতে কৃষিকাজ করছেন, তাও হামলা ও হুমকির মুখে।
অভিযোগকারী পরিবারটি জানায়, প্রায়ই জমি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার হুমকি, স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করানোর ঘটনাও ঘটেছে। সংবাদ সম্মেলনে একজন বলেন, ‘ভয়ভীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মরে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। আমাদের হাতে যদি কারও রক্ত লাগে, তার চেয়ে বরং নিজেরাই বিষ খেয়ে মরব।’

তারা সরকারের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এ বি এম আখতারুজ্জামান শাহজাহান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কারও জমি দখল করিনি, বরং তারাই আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ২৫ জুন বসার কথা ছিল, তারা বসেনি। এখন নিজেরাই নানা জটিলতা তৈরি করছে। আমরা চাই, গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসুক।’

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
২ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
৮ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
২৫ মিনিট আগে