লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

আসন্ন দুর্গাপূজাকে স্বাগত জানাতে দাসপাড়ায় ঢুলিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সুনীল চন্দ্র দাস (৬৫) একজন পেশাদার ঢাকি। ঢাক-ঢোল মেরামতের মিস্ত্রিও তিনি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাক-ঢোল মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাপ-দাদা বংশ পরম্পরায় প্রায় দুইশ বছর ধরে এ পেশায় জড়িত।
জানা যায়, এ বছর নাটোরের লালপুরের রায়পুর দাসপাড়ার (ঢুলিপাড়া) ২১ জন ও আটঘরিয়া দক্ষিণ দাসপাড়ার ৯ জন ঢাকি বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে ঢাক বাজানোর চুক্তি নিয়েছেন।
গতকাল সোমবার সরেজমিনে রায়পুর দাসপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, সুনীল চন্দ্র দাস ঢাক মেরামতের জন্য বাঁশের বাতা তৈরি করছেন। ঢাকিরা ঢাক-ঢোল বাজিয়ে পরীক্ষা করছেন। গ্রামের নারী-শিশু, বয়োবৃদ্ধ সবাই বাজনা উপভোগ করছেন। তাই পুরো পাড়া জুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। এবারের পূজায় এ পাড়ার ২১ জন ঢুলি বিভিন্ন দুর্গা মণ্ডপে ডাক পেয়েছেন। প্রতি মণ্ডপে দুজন করে পূজার পাঁচ দিনে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার চুক্তিতে ঢাক বাজাবেন।
এ বিষয়ে খগেন চন্দ্র দাস (৭৫) বলেন, 'বাপ-দাদারা বংশ পরম্পরায় প্রায় দুইশ বছর ধরে এ পেশায় জড়িত। এখন পূজা ছাড়াও বিয়েতে ৩-৪ দিনের জন্য পাঁচ জনের দল ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা চুক্তিতে ঢাক বাজান। অন্য সময়ে তারা মুচি, দিনমজুর, কৃষি কাজ, রাজমিস্ত্রি কাজে যুক্ত থেকে সংসার চালান।
এ বিষয়ে ঢুলিপাড়ার দলনেতা অজিত চন্দ্র দাস (৪২) বলেন, 'একটি ছোট ঢাকের দাম ৪ হাজার টাকা, বড় ঢাক কাঠের তৈরি ১৪ হাজার আর টিনের তৈরি ৫ হাজার টাকা। বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিটি ঢোল ৮ হাজার টাকা, কর্নেট বাঁশি সাধারণত ১১ হাজার টাকা (তাইওয়ান ২৫ হাজার টাকা), সাইড ড্রাম ৪ হাজার টাকা, ঝুমকা ৫০০ টাকা, ঝাঁঝ আড়াই হাজার টাকার যন্ত্রপাতি লাগে। তিনি বলেন, এ সব যন্ত্র একা কেনার সামর্থ্য নেই। এত টাকা পাব কোথায়?
উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়নের বড়াইগ্রাম সীমানায় অবস্থিত আটঘরিয়া দক্ষিণ দাসপাড়া। সেখানেও দেখা যায়, ঢাক মেরামতে সময় পার করছেন ঢুলিরা। পূজায় এ পাড়ার নয় জন ঢাকি বিভিন্ন মণ্ডপে ঢাক বাজাবেন।
এ বিষয়ে উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার পাল বলেন, 'স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ বছর লালপুরে ৪২টি মন্দিরে দুর্গা পূজার উদ্যাপিত হবে। পূজা শুরু আগামী ১১ অক্টোবর, আর প্রতিমা বিসর্জন ১৫ অক্টোবর।'
নাটোর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ বলেন, 'জেলায় ৩৮৩টি মণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে।'

আসন্ন দুর্গাপূজাকে স্বাগত জানাতে দাসপাড়ায় ঢুলিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সুনীল চন্দ্র দাস (৬৫) একজন পেশাদার ঢাকি। ঢাক-ঢোল মেরামতের মিস্ত্রিও তিনি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাক-ঢোল মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাপ-দাদা বংশ পরম্পরায় প্রায় দুইশ বছর ধরে এ পেশায় জড়িত।
জানা যায়, এ বছর নাটোরের লালপুরের রায়পুর দাসপাড়ার (ঢুলিপাড়া) ২১ জন ও আটঘরিয়া দক্ষিণ দাসপাড়ার ৯ জন ঢাকি বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে ঢাক বাজানোর চুক্তি নিয়েছেন।
গতকাল সোমবার সরেজমিনে রায়পুর দাসপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, সুনীল চন্দ্র দাস ঢাক মেরামতের জন্য বাঁশের বাতা তৈরি করছেন। ঢাকিরা ঢাক-ঢোল বাজিয়ে পরীক্ষা করছেন। গ্রামের নারী-শিশু, বয়োবৃদ্ধ সবাই বাজনা উপভোগ করছেন। তাই পুরো পাড়া জুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। এবারের পূজায় এ পাড়ার ২১ জন ঢুলি বিভিন্ন দুর্গা মণ্ডপে ডাক পেয়েছেন। প্রতি মণ্ডপে দুজন করে পূজার পাঁচ দিনে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার চুক্তিতে ঢাক বাজাবেন।
এ বিষয়ে খগেন চন্দ্র দাস (৭৫) বলেন, 'বাপ-দাদারা বংশ পরম্পরায় প্রায় দুইশ বছর ধরে এ পেশায় জড়িত। এখন পূজা ছাড়াও বিয়েতে ৩-৪ দিনের জন্য পাঁচ জনের দল ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা চুক্তিতে ঢাক বাজান। অন্য সময়ে তারা মুচি, দিনমজুর, কৃষি কাজ, রাজমিস্ত্রি কাজে যুক্ত থেকে সংসার চালান।
এ বিষয়ে ঢুলিপাড়ার দলনেতা অজিত চন্দ্র দাস (৪২) বলেন, 'একটি ছোট ঢাকের দাম ৪ হাজার টাকা, বড় ঢাক কাঠের তৈরি ১৪ হাজার আর টিনের তৈরি ৫ হাজার টাকা। বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিটি ঢোল ৮ হাজার টাকা, কর্নেট বাঁশি সাধারণত ১১ হাজার টাকা (তাইওয়ান ২৫ হাজার টাকা), সাইড ড্রাম ৪ হাজার টাকা, ঝুমকা ৫০০ টাকা, ঝাঁঝ আড়াই হাজার টাকার যন্ত্রপাতি লাগে। তিনি বলেন, এ সব যন্ত্র একা কেনার সামর্থ্য নেই। এত টাকা পাব কোথায়?
উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়নের বড়াইগ্রাম সীমানায় অবস্থিত আটঘরিয়া দক্ষিণ দাসপাড়া। সেখানেও দেখা যায়, ঢাক মেরামতে সময় পার করছেন ঢুলিরা। পূজায় এ পাড়ার নয় জন ঢাকি বিভিন্ন মণ্ডপে ঢাক বাজাবেন।
এ বিষয়ে উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার পাল বলেন, 'স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ বছর লালপুরে ৪২টি মন্দিরে দুর্গা পূজার উদ্যাপিত হবে। পূজা শুরু আগামী ১১ অক্টোবর, আর প্রতিমা বিসর্জন ১৫ অক্টোবর।'
নাটোর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ বলেন, 'জেলায় ৩৮৩টি মণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে।'

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে