মিজান মাহী, দুর্গাপুর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে এক মাসের বেশি। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস করতে পারছে না দুর্গাপুর পৌর এলাকার দেবীপুর বিএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। মাঠটিতে পানি জমে রয়েছে। মাঠের এই হালে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাও রয়েছে বন্ধ।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, চার মাস ধরে কলেজের মাঠে পানি জমে আছে। এ ছাড়া মাঠের চারপাশে প্রায় ৩০০ বিঘা আবাদি জমি পানির নিচে তলিয়ে আছে। ফলে বিপাকে কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় কয়েক শ কৃষক।
২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর চার থেকে ছয় মাস ডুবে থাকে কলেজের মাঠসহ আশপাশের ফসলের খেত। অপরিকল্পিত পুকুর খননে পাশে ডাহার বিলের নালার মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। ফলে তিন বছর ধরে এই দুর্ভোগ। এ নিয়ে একাধিকবার জনপ্রতিনিধিদের বলেও কোনো কাজ হয়নি।
গত বুধবার সরেজমিনে কলেজের মাঠ পানির নিচে তলিয়ে থাকা অবস্থায় দেখা গেছে।
দেবীপুর বিএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের করণিক আসাদুল ইসলাম বলেন, টেকনিক্যাল এই স্কুল ও কলেজে চারটি ট্রেড রয়েছে। প্রতিটি ট্রেডে ৬০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারে। বর্তমানে স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২০ জন। গত ১২ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে উপস্থিতির হার ছিল ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশের ওপরে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও ক্লাস নিতে বিড়ম্বনা হচ্ছে। পানি ও কাদা অতিক্রম করে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যেতে চাইছে না।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান ফিরোজ বলেন, কলেজ খুললেও মাঠজুড়ে পানি। পানি মাড়িয়ে ক্লাসে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। চার মাস ধরেই এ অবস্থা। শুধু কলেজই নয়, আশপাশের প্রায় ৩০০ বিঘা ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে আছে।
জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহেদুল হক বলেন, এ বিষয়ে তাঁদের কিছুই করার নেই। শুধু একাডেমিক বিষয়গুলো দেখা তাঁদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন এসব বিষয় দেখভাল করে।
পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চরম বিপাকে কৃষকেরাও। স্থানীয় কৃষক হেলাল উদ্দিন বলেন, পানির নিচে তলিয়ে থাকা এসব জমিতে বছরে আগে তিন ধরনের ফসল হতো। এখন শুধু শুকনো মৌসুমে বোরো ধান হয়। দুই গ্রামবাসীর প্রায় ৩০০ বিঘা জমি চার-ছয় মাস পানির নিচে থাকে। এ নিয়ে একাধিকবার জনপ্রতিনিধিদের বলেও কোনো কাজ হয়নি।
দুর্গাপুর পৌরসভার ১ নম্বর দেবীপুর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টা অনেক বড় ব্যাপার। কারণ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ডাহার বিলের নালা বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে কলেজের মাঠ ও কৃষকের ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা এ বিষয়ে আমার কাছে অনেকবার অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু আমার একার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব না। আমি কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি ইউএনও মহোদয়কে এ ব্যাপারে অভিযোগ করতে। শুনেছি কৃষকেরা অভিযোগ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমি কৃষকদের সঙ্গে থেকে এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করব।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল রানা বলেন, অপরিকল্পিত পুকুর খননে এই উপজেলায় জলাবদ্ধতা একটা প্রকট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকার পুকুরের পাড় ও নালা কেটে অনেক জায়গায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন কৃষকেরা এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করবে প্রশাসন।
ইউএনও আরও বলেন, জলাবদ্ধতায় কৃষকের সমস্যার কথা শুনেছেন তিনি, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ পানিতে ডুবে থাকার বিষয়টি তিনি জানেন না। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান ও কৃষকেরা যৌথভাবে তা জানালে সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে এক মাসের বেশি। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস করতে পারছে না দুর্গাপুর পৌর এলাকার দেবীপুর বিএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। মাঠটিতে পানি জমে রয়েছে। মাঠের এই হালে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাও রয়েছে বন্ধ।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, চার মাস ধরে কলেজের মাঠে পানি জমে আছে। এ ছাড়া মাঠের চারপাশে প্রায় ৩০০ বিঘা আবাদি জমি পানির নিচে তলিয়ে আছে। ফলে বিপাকে কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় কয়েক শ কৃষক।
২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর চার থেকে ছয় মাস ডুবে থাকে কলেজের মাঠসহ আশপাশের ফসলের খেত। অপরিকল্পিত পুকুর খননে পাশে ডাহার বিলের নালার মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। ফলে তিন বছর ধরে এই দুর্ভোগ। এ নিয়ে একাধিকবার জনপ্রতিনিধিদের বলেও কোনো কাজ হয়নি।
গত বুধবার সরেজমিনে কলেজের মাঠ পানির নিচে তলিয়ে থাকা অবস্থায় দেখা গেছে।
দেবীপুর বিএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের করণিক আসাদুল ইসলাম বলেন, টেকনিক্যাল এই স্কুল ও কলেজে চারটি ট্রেড রয়েছে। প্রতিটি ট্রেডে ৬০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারে। বর্তমানে স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২০ জন। গত ১২ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে উপস্থিতির হার ছিল ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশের ওপরে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও ক্লাস নিতে বিড়ম্বনা হচ্ছে। পানি ও কাদা অতিক্রম করে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যেতে চাইছে না।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান ফিরোজ বলেন, কলেজ খুললেও মাঠজুড়ে পানি। পানি মাড়িয়ে ক্লাসে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। চার মাস ধরেই এ অবস্থা। শুধু কলেজই নয়, আশপাশের প্রায় ৩০০ বিঘা ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে আছে।
জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহেদুল হক বলেন, এ বিষয়ে তাঁদের কিছুই করার নেই। শুধু একাডেমিক বিষয়গুলো দেখা তাঁদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন এসব বিষয় দেখভাল করে।
পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চরম বিপাকে কৃষকেরাও। স্থানীয় কৃষক হেলাল উদ্দিন বলেন, পানির নিচে তলিয়ে থাকা এসব জমিতে বছরে আগে তিন ধরনের ফসল হতো। এখন শুধু শুকনো মৌসুমে বোরো ধান হয়। দুই গ্রামবাসীর প্রায় ৩০০ বিঘা জমি চার-ছয় মাস পানির নিচে থাকে। এ নিয়ে একাধিকবার জনপ্রতিনিধিদের বলেও কোনো কাজ হয়নি।
দুর্গাপুর পৌরসভার ১ নম্বর দেবীপুর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টা অনেক বড় ব্যাপার। কারণ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ডাহার বিলের নালা বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে কলেজের মাঠ ও কৃষকের ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা এ বিষয়ে আমার কাছে অনেকবার অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু আমার একার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব না। আমি কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি ইউএনও মহোদয়কে এ ব্যাপারে অভিযোগ করতে। শুনেছি কৃষকেরা অভিযোগ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমি কৃষকদের সঙ্গে থেকে এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করব।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল রানা বলেন, অপরিকল্পিত পুকুর খননে এই উপজেলায় জলাবদ্ধতা একটা প্রকট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকার পুকুরের পাড় ও নালা কেটে অনেক জায়গায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন কৃষকেরা এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করবে প্রশাসন।
ইউএনও আরও বলেন, জলাবদ্ধতায় কৃষকের সমস্যার কথা শুনেছেন তিনি, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ পানিতে ডুবে থাকার বিষয়টি তিনি জানেন না। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান ও কৃষকেরা যৌথভাবে তা জানালে সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
২২ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২৪ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২৬ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে