প্রতিনিধি

রাজবাড়ী: ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় রাজবাড়ীর বেশিরভাগ অগভীর নলকূপে পানি উঠছে না। কোথাও কোথাও গভীর নলকূপেও খুব কম পানি উঠছে। তীব্র দাবদাহে পান সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।
সুপেয় পানির তীব্র সংকটে একদিকে রান্না ও গৃহস্থালী কাজে যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি গৃহপালিত পশু-পাখির জন্যও মিলছে না পর্যাপ্ত পানি। পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো ক্রমেই পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। প্রায় সব নলকূপ অকেজো হয়ে গেছে। জেলার পাঁচটি উপজেলাতেই এ সমস্যা। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছে জনস্বাস্থ্য বিভাগ।
রাজবাড়ী শহরের নলকুপ ব্যবসায়ী আলমগীর জানান, তাদের শ্রমিকরা বিভিন্ন জায়গায় নলকূপ বসিয়ে থাকে। সাধারণত ভূপৃষ্ঠের ২০ থেকে ২৪ ফুট নিচে পানির স্তর পাওয়া যায়। কিন্তু এখন পানি পেতে ৩২ থেকে ৪০ ফুট খনন করতে হচ্ছে। এরপরও পর্যাপ্ত পানি উঠছে না।
রাজবাড়ী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাদিয়া ফেরদৌসি বলেন, এপ্রিল-মে এই দুই মাস অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যায়। ব্যক্তিপর্যায়ে সাধারণত ৬ নম্বর প্রযুক্তিতে নলকূপ স্থাপন করে থাকে। এসব নলকূপ স্থাপনে খরচ অনেক কম। শুষ্ক মৌসুমে এসব নলকূপে পানি পাওয়া যায় না। তবে বছরের অন্য সময়ে ভালোই পানি পাওয়া যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বিভিন্ন জায়গার পানির স্তরের তথ্য সংগ্রহ করছি। এই সময়টা তথ্য সংগ্রহের উপযুক্ত সময়।
নির্বাহী প্রকৌশলী আরও জানান, তাদের স্থাপন করা নলকূপের সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৯৯টি। এসব নলকূপের বিষয়ে কোনো অভিযোগ নেই। চলতি বছরে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য ২৬টি করে মোট ১ হাজার ৯২টি বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এগুলো যথাসময়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থাপন করা হবে।

রাজবাড়ী: ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় রাজবাড়ীর বেশিরভাগ অগভীর নলকূপে পানি উঠছে না। কোথাও কোথাও গভীর নলকূপেও খুব কম পানি উঠছে। তীব্র দাবদাহে পান সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।
সুপেয় পানির তীব্র সংকটে একদিকে রান্না ও গৃহস্থালী কাজে যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি গৃহপালিত পশু-পাখির জন্যও মিলছে না পর্যাপ্ত পানি। পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো ক্রমেই পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। প্রায় সব নলকূপ অকেজো হয়ে গেছে। জেলার পাঁচটি উপজেলাতেই এ সমস্যা। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছে জনস্বাস্থ্য বিভাগ।
রাজবাড়ী শহরের নলকুপ ব্যবসায়ী আলমগীর জানান, তাদের শ্রমিকরা বিভিন্ন জায়গায় নলকূপ বসিয়ে থাকে। সাধারণত ভূপৃষ্ঠের ২০ থেকে ২৪ ফুট নিচে পানির স্তর পাওয়া যায়। কিন্তু এখন পানি পেতে ৩২ থেকে ৪০ ফুট খনন করতে হচ্ছে। এরপরও পর্যাপ্ত পানি উঠছে না।
রাজবাড়ী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাদিয়া ফেরদৌসি বলেন, এপ্রিল-মে এই দুই মাস অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যায়। ব্যক্তিপর্যায়ে সাধারণত ৬ নম্বর প্রযুক্তিতে নলকূপ স্থাপন করে থাকে। এসব নলকূপ স্থাপনে খরচ অনেক কম। শুষ্ক মৌসুমে এসব নলকূপে পানি পাওয়া যায় না। তবে বছরের অন্য সময়ে ভালোই পানি পাওয়া যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বিভিন্ন জায়গার পানির স্তরের তথ্য সংগ্রহ করছি। এই সময়টা তথ্য সংগ্রহের উপযুক্ত সময়।
নির্বাহী প্রকৌশলী আরও জানান, তাদের স্থাপন করা নলকূপের সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৯৯টি। এসব নলকূপের বিষয়ে কোনো অভিযোগ নেই। চলতি বছরে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য ২৬টি করে মোট ১ হাজার ৯২টি বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এগুলো যথাসময়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থাপন করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে