প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা সামনে রেখে রাজধানী ছেড়ে আসা ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষের ঘাটে আসা মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘাটে অবস্থান করে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে কিছুক্ষণ পর পরই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে আসছে লঞ্চ। পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি লঞ্চ ধারণক্ষমতার প্রায় ৬ গুন বেশি যাত্রী নিয়ে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটে এসে ভিড়ছে। তবে ঢাকাগামী যাত্রীদের কোন চাপ নেই দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটে। পাটুরিয়া থেকে আসা লঞ্চগুলো যাত্রী নামিয়ে সামান্য কয়েকজন যাত্রী নিয়ে দৌলতদিয়া ঘাট ত্যাগ করছে। ঘাটে কর্মরত আছে পুলিশসহ আনসার বাহিনীর একটি দল।
বিআইডব্লিউটিএ'র দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও আরিচা-কাজীরহাট নৌরুটে ৩৪টি লঞ্চ চলাচল করছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জে যাওয়া সাইফুল ইসলাম বলেন, 'বাড়ির মানুষদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছি। পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটে এসে দেখি কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নাই। যত খুশি তত যাত্রী ওঠাচ্ছেন লঞ্চে। এমনটা করলে আর সামাজিক দূরত্ব কীভাবে মানা সম্ভব। এমনিতেই গাদাগাদি অবস্থা তারপরে আবার কিছু মানুষের মুখে মাস্কই নাই।'
এ ছাড়া যানবাহনে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। স্বল্প দূরত্বের অটোরিকশা, মাহেন্দ্র থেকে দূরপাল্লার সব বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছে যাত্রীরা।
বিআইডব্লিউটিএ’র লঞ্চ ঘাটের সহকারী ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রাসেল শেখ বলেন, ‘পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের চাপ বেশি। পাটুরিয়া ঘাট থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেভাবে লঞ্চে যাত্রী ওঠাচ্ছেন সেভাবেই যাত্রী উঠছে। সকাল থেকেই লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা সামনে রেখে রাজধানী ছেড়ে আসা ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষের ঘাটে আসা মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘাটে অবস্থান করে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে কিছুক্ষণ পর পরই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে আসছে লঞ্চ। পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি লঞ্চ ধারণক্ষমতার প্রায় ৬ গুন বেশি যাত্রী নিয়ে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটে এসে ভিড়ছে। তবে ঢাকাগামী যাত্রীদের কোন চাপ নেই দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটে। পাটুরিয়া থেকে আসা লঞ্চগুলো যাত্রী নামিয়ে সামান্য কয়েকজন যাত্রী নিয়ে দৌলতদিয়া ঘাট ত্যাগ করছে। ঘাটে কর্মরত আছে পুলিশসহ আনসার বাহিনীর একটি দল।
বিআইডব্লিউটিএ'র দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও আরিচা-কাজীরহাট নৌরুটে ৩৪টি লঞ্চ চলাচল করছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জে যাওয়া সাইফুল ইসলাম বলেন, 'বাড়ির মানুষদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছি। পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটে এসে দেখি কর্তৃপক্ষের কোনো নজরদারি নাই। যত খুশি তত যাত্রী ওঠাচ্ছেন লঞ্চে। এমনটা করলে আর সামাজিক দূরত্ব কীভাবে মানা সম্ভব। এমনিতেই গাদাগাদি অবস্থা তারপরে আবার কিছু মানুষের মুখে মাস্কই নাই।'
এ ছাড়া যানবাহনে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। স্বল্প দূরত্বের অটোরিকশা, মাহেন্দ্র থেকে দূরপাল্লার সব বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছে যাত্রীরা।
বিআইডব্লিউটিএ’র লঞ্চ ঘাটের সহকারী ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রাসেল শেখ বলেন, ‘পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের চাপ বেশি। পাটুরিয়া ঘাট থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেভাবে লঞ্চে যাত্রী ওঠাচ্ছেন সেভাবেই যাত্রী উঠছে। সকাল থেকেই লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে