প্রতিনিধি, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভার প্রধান সড়কে বেহাল দশা নিয়ে চলছে যানচলাচল। নিম্ন মানের উপকরণ ও যথাযথ তদারকির অভাবে সড়কের সিলকোট ভেঙে খানা-খন্দকে প্রায়শই উল্টে যাচ্ছে যানবাহন। এতে যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নাগরিকেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরশহরের অন্তত চার কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা পড়ে আছে। শহরের প্রধান সড়ক সহ পৌরসভার সামনের সড়ক, উপজেলা সড়ক, রহতপুর সড়ক, এতিমখানা সড়ক, থানার সামনের সড়ক, হাই স্কুলের পেছনের সড়ক, রাডারের পেছনের সড়কসহ কয়েকটি সড়কের এমন একই অবস্থা দেখা যায়। ফলে যানবাহন নিয়ে চলাচলে মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন। সড়কের সিলকোট উঠে অসংখ্য গর্ত হয়ে গেছে। বর্তমানে বৃষ্টির পানি জমে এই সড়কগুলোর বেশি ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া খানা খন্দকে জমে থাকা পানি যানবাহন চলাচলে ছিটকে পথচারীদের পরিধেয় পোশাকে আঁকছে কাঁদা মাটির আলপনা।
জানা যায়, এসব রাস্তায় প্রতিনিয়তই যাত্রীবাহী রিকশা, অটোসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। ছয় চাকার ট্রলিগুলো পৌরশহরের রাস্তায় মালামাল নিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত। এতে দ্রুত রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নাগরিক ভোগান্তি লাঘবে পৌর কর্তৃপক্ষ কিছু কিছু সড়ক মেরামত করলেও ভোগান্তি কমছে না বলে জানান স্থানীয়রা।
কলাপাড়া পৌর মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার জানান, অধিকাংশ সড়ক মেরামত করা হয়েছে। এখন সিসির বদলে আরসিসি করা হচ্ছে। গত ছয় মাসে ১০-১২ কিলোমিটার সড়ক আরসিসি করা হয়েছে। ভাঙা সকল সড়ক দ্রুত আরসিসি করণ সহ মেরামত করা হবে বলে জানান তিনি।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভার প্রধান সড়কে বেহাল দশা নিয়ে চলছে যানচলাচল। নিম্ন মানের উপকরণ ও যথাযথ তদারকির অভাবে সড়কের সিলকোট ভেঙে খানা-খন্দকে প্রায়শই উল্টে যাচ্ছে যানবাহন। এতে যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নাগরিকেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরশহরের অন্তত চার কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা পড়ে আছে। শহরের প্রধান সড়ক সহ পৌরসভার সামনের সড়ক, উপজেলা সড়ক, রহতপুর সড়ক, এতিমখানা সড়ক, থানার সামনের সড়ক, হাই স্কুলের পেছনের সড়ক, রাডারের পেছনের সড়কসহ কয়েকটি সড়কের এমন একই অবস্থা দেখা যায়। ফলে যানবাহন নিয়ে চলাচলে মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন। সড়কের সিলকোট উঠে অসংখ্য গর্ত হয়ে গেছে। বর্তমানে বৃষ্টির পানি জমে এই সড়কগুলোর বেশি ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া খানা খন্দকে জমে থাকা পানি যানবাহন চলাচলে ছিটকে পথচারীদের পরিধেয় পোশাকে আঁকছে কাঁদা মাটির আলপনা।
জানা যায়, এসব রাস্তায় প্রতিনিয়তই যাত্রীবাহী রিকশা, অটোসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। ছয় চাকার ট্রলিগুলো পৌরশহরের রাস্তায় মালামাল নিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত। এতে দ্রুত রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নাগরিক ভোগান্তি লাঘবে পৌর কর্তৃপক্ষ কিছু কিছু সড়ক মেরামত করলেও ভোগান্তি কমছে না বলে জানান স্থানীয়রা।
কলাপাড়া পৌর মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার জানান, অধিকাংশ সড়ক মেরামত করা হয়েছে। এখন সিসির বদলে আরসিসি করা হচ্ছে। গত ছয় মাসে ১০-১২ কিলোমিটার সড়ক আরসিসি করা হয়েছে। ভাঙা সকল সড়ক দ্রুত আরসিসি করণ সহ মেরামত করা হবে বলে জানান তিনি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে