সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ভারত থেকে আমদানি করা পাথর চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ উঠেছে সৈয়দপুর রেলওয়ের পুলিশ, রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী ও স্টেশনের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভারত থেকে মালবাহী ট্রেনে আমদানি করা পাথর সৈয়দপুরে খালাস করা হয়। এরপর এখান থেকে আমদানিকারকেরা বিভিন্ন জেলায় পাথরগুলো সরবরাহ করেন। খালাস থেকে শুরু করে সরবরাহ করা পর্যন্ত বেশ কয়েক দিন সময় লাগে। এ সময় রাতের আধারে শহরের রেলওয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রের পেছনে রসুলপুর এলাকার চামুয়া মিয়া (৪৫) ও তাঁর সহযোগীরা পাথর চুরি করছে। এবং পাথর চুরি করে সেগুলো নিজের বাড়িতেই রাখেন চামুন মিয়া। বাড়ি থেকেই অর্ধেক বাজার মূল্যে পাথরগুলো বিক্রি করছেন তিনি।
বে বিষয়ে বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত চামুয়া মিয়ার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমদানি নৈশপ্রহরী হিসেবে পাথরগুলো পাহারা দেই আমি। বেতন বাবদ চার হাজার টাকা পাই। ওই টাকার পরিবর্তে ঠিকাদার আমাকে পাথরগুলো দিয়েছেন। জিআরপি, আরএনবি ও স্টেশন মাস্টারের অনুমতিতেই পাথরগুলো বাড়িতে এনেছি। সেগুলো দিয়ে বাড়ির কাজ করাব।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বিশ্বাস বলেন, পাথর চুরির কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। চুরির সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।
সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার এসএম শওকত আলী জানান, পাথর চুরির বিষয়টি আমার জানা নেই। রেলওয়ের স্টেশন ইয়ার্ড থেকে কাউকে পাথর নিয়ে যাওয়ার অনুমতির প্রশ্নই আসেনা। যদি কেউ এমনটি বলে থাকে তাহলে তিনি মিথ্যা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, চুরির বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ভারত থেকে আমদানি করা পাথর চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ উঠেছে সৈয়দপুর রেলওয়ের পুলিশ, রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী ও স্টেশনের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভারত থেকে মালবাহী ট্রেনে আমদানি করা পাথর সৈয়দপুরে খালাস করা হয়। এরপর এখান থেকে আমদানিকারকেরা বিভিন্ন জেলায় পাথরগুলো সরবরাহ করেন। খালাস থেকে শুরু করে সরবরাহ করা পর্যন্ত বেশ কয়েক দিন সময় লাগে। এ সময় রাতের আধারে শহরের রেলওয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রের পেছনে রসুলপুর এলাকার চামুয়া মিয়া (৪৫) ও তাঁর সহযোগীরা পাথর চুরি করছে। এবং পাথর চুরি করে সেগুলো নিজের বাড়িতেই রাখেন চামুন মিয়া। বাড়ি থেকেই অর্ধেক বাজার মূল্যে পাথরগুলো বিক্রি করছেন তিনি।
বে বিষয়ে বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত চামুয়া মিয়ার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমদানি নৈশপ্রহরী হিসেবে পাথরগুলো পাহারা দেই আমি। বেতন বাবদ চার হাজার টাকা পাই। ওই টাকার পরিবর্তে ঠিকাদার আমাকে পাথরগুলো দিয়েছেন। জিআরপি, আরএনবি ও স্টেশন মাস্টারের অনুমতিতেই পাথরগুলো বাড়িতে এনেছি। সেগুলো দিয়ে বাড়ির কাজ করাব।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বিশ্বাস বলেন, পাথর চুরির কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। চুরির সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।
সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার এসএম শওকত আলী জানান, পাথর চুরির বিষয়টি আমার জানা নেই। রেলওয়ের স্টেশন ইয়ার্ড থেকে কাউকে পাথর নিয়ে যাওয়ার অনুমতির প্রশ্নই আসেনা। যদি কেউ এমনটি বলে থাকে তাহলে তিনি মিথ্যা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, চুরির বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
২৩ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
৩৩ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে