নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা উপলক্ষে পুলিশ লাইনস স্কুল দুই দিন বন্ধ রাখার নোটিশ দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে নিজেদের দেওয়া নোটিশকেই ‘ফেক’ বলে দাবি করছে সেই স্কুল কর্তৃপক্ষ। এতে সমালোচনা আরও বেড়ে যায়। অনেকে আগের নোটিশ ও পরের নোটিশ দুটো একত্রে করেও ফেসবুকে পোস্ট করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনায় এনসিপির পদযাত্রাকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। আগামী রোববার দুপুরে শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় পুরোনো কালেক্টরেট মাঠে পথসভা করবে দলটি। এই উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা দিতে তৎপর রয়েছে।
এনসিপির এই পদযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশ পরিচালিত শহরের কুড়পাড় এলাকায় পুলিশ লাইনস স্কুল দুই দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই বিদ্যালয়ে এনসিপির কর্মসূচি উপলক্ষে আসা পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করবেন বলে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি নোটিশ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার একপর্যায়ে আজ শুক্রবার সকালে একটি ‘প্রতিবাদলিপি’ দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, আগের নোটিশটি সঠিক নয়। রোব ও সোমবার বিদ্যালয়ে যথারীতি ক্লাস হবে।
এর আগে গতকাল প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আগামী রোববার এনসিপির পদযাত্রা উপলক্ষে নেত্রকোনায় আসা পুলিশ ফোর্স এই বিদ্যালয়ে অবস্থান করবে। সে জন্য রোব ও সোমবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। আগামী মঙ্গলবার থেকে যথারীতি ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। ২৭ তারিখের পরীক্ষা ২৯ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে। নোটিশটি যথারীতি বিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়।
এরপর গতকাল দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে নোটিশটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। অনেকেই লিখেছেন, এভাবে একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশের কারণে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ রাখা উচিত নয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এনসিপির সমাবেশ উপলক্ষে বাইরে থেকে বাড়তি পুলিশ আসবে, তাদের পুলিশ লাইনস স্কুলে থাকতে দেওয়া হবে। তাই বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ে প্রায় ১০টির মতো বড় শ্রেণিকক্ষ আছে। আশা করি, থাকার সমস্যা হবে না।’ তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়টিতে শিশুশ্রেণি থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে ১৬ জন শিক্ষক পাঠদান করেন।
তবে সমালোচনার মুখে আজ বেলা ১১টার পর নতুন করে একটি ‘প্রতিবাদলিপি’ দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত এই প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, এনসিপির নেত্রকোনায় আগমন উপলক্ষে একটি বিভ্রান্তিমূলক নোটিশ একটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছে। এটি স্কুলের বিরুদ্ধে দূরভিসন্দিমূলক ও বিভ্রান্তিকর একটি ষড়যন্ত্র। প্রকৃতপক্ষে এটি সঠিক নয়। আগামী রোব ও সোমবার যথারীতি বিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে।
এই প্রতিবাদলিপির বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক আজ দুপুর ১২টার দিকে বলেন, আগের নোটিশটি ‘ফেক’ ছিল। আগেরটিতে তাঁর স্বাক্ষর ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। এখানে কীভাবে কী হয়েছে, তিনি বুঝতে পারেননি। কোনো ধরনের চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কথাও অস্বীকার করেন তিনি।
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও নেত্রকোনা-২ আসন থেকে এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ফাহিম রহমান খান পাঠান বলেন, ‘এটি একটি ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে। আমাদের বিব্রত করার জন্যই কোনো একটা চক্র ইচ্ছেকৃতভাবেই এসব করছে। অন্যান্য জেলার মতো আমরাও শুধু সভা সমাবেশ করার আগে প্রশাসনের কাছে আইনি নিরাপত্তা চেয়েছি। পুলিশ লাইনস স্কুলের সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের সঙ্গে আমাদের কারও পরিচয়ও নেই। এনসিপির প্রোগ্রাম উপলক্ষে পুলিশ লাইনস স্কুল বন্ধ করতে পারে না। আর করলে এর দায় একান্তই স্কুল কর্তৃপক্ষের। এনসিপির প্রোগ্রাম উপলক্ষে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান, কাজকর্ম বন্ধ রাখলে তার দায় এনসিপি নেবে না। আপনারা যতভাবেই এ নিয়ে যাচাই–বাছাই করুন, এর সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পৃক্ততা পাবেন না। এটি নিছক একটি ষড়যন্ত্র। তদন্ত করে এটি বের করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সাহেব আলী পাঠান এ বিষয়ে বলেন, ‘পুলিশ লাইনস স্কুলে পুলিশ অবস্থান করবে বলে পরীক্ষা স্থগিত ও বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে—বিষয়টা সঠিক নয়। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াতে হয়তো বলা হচ্ছে। স্কুল সঠিক নিয়মেই চলবে। আর বাইরে থেকে আসা ৬৬ জন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসেই রাখা হবে।’
প্রসঙ্গত, এনসিপির দলীয় সূত্র ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জে এনসিপির পথসভা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। এরপর কক্সবাজারে এনসিপির এক নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চকরিয়ায় মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়। এর পর থেকে দলটি যেখানে সমাবেশ করছে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আগামী রোববার নেত্রকোনায় দলটির সমাবেশ ঘিরে চার শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে বাইরে থেকে ৬৬ জন পুলিশ সদস্যকে আনা হবে। তাঁদের থাকার জন্যই নেত্রকোনা পুলিশ লাইনস স্কুল বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করা হয়েছিল। তবে এখন জানা যাচ্ছে, নোটিশটি ভুয়া!

নেত্রকোনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা উপলক্ষে পুলিশ লাইনস স্কুল দুই দিন বন্ধ রাখার নোটিশ দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে নিজেদের দেওয়া নোটিশকেই ‘ফেক’ বলে দাবি করছে সেই স্কুল কর্তৃপক্ষ। এতে সমালোচনা আরও বেড়ে যায়। অনেকে আগের নোটিশ ও পরের নোটিশ দুটো একত্রে করেও ফেসবুকে পোস্ট করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনায় এনসিপির পদযাত্রাকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। আগামী রোববার দুপুরে শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় পুরোনো কালেক্টরেট মাঠে পথসভা করবে দলটি। এই উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা দিতে তৎপর রয়েছে।
এনসিপির এই পদযাত্রা উপলক্ষে জেলা পুলিশ পরিচালিত শহরের কুড়পাড় এলাকায় পুলিশ লাইনস স্কুল দুই দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই বিদ্যালয়ে এনসিপির কর্মসূচি উপলক্ষে আসা পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করবেন বলে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি নোটিশ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার একপর্যায়ে আজ শুক্রবার সকালে একটি ‘প্রতিবাদলিপি’ দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, আগের নোটিশটি সঠিক নয়। রোব ও সোমবার বিদ্যালয়ে যথারীতি ক্লাস হবে।
এর আগে গতকাল প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, আগামী রোববার এনসিপির পদযাত্রা উপলক্ষে নেত্রকোনায় আসা পুলিশ ফোর্স এই বিদ্যালয়ে অবস্থান করবে। সে জন্য রোব ও সোমবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। আগামী মঙ্গলবার থেকে যথারীতি ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। ২৭ তারিখের পরীক্ষা ২৯ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে। নোটিশটি যথারীতি বিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়।
এরপর গতকাল দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে নোটিশটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। অনেকেই লিখেছেন, এভাবে একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশের কারণে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ রাখা উচিত নয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এনসিপির সমাবেশ উপলক্ষে বাইরে থেকে বাড়তি পুলিশ আসবে, তাদের পুলিশ লাইনস স্কুলে থাকতে দেওয়া হবে। তাই বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ে প্রায় ১০টির মতো বড় শ্রেণিকক্ষ আছে। আশা করি, থাকার সমস্যা হবে না।’ তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়টিতে শিশুশ্রেণি থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে ১৬ জন শিক্ষক পাঠদান করেন।
তবে সমালোচনার মুখে আজ বেলা ১১টার পর নতুন করে একটি ‘প্রতিবাদলিপি’ দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত এই প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, এনসিপির নেত্রকোনায় আগমন উপলক্ষে একটি বিভ্রান্তিমূলক নোটিশ একটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছে। এটি স্কুলের বিরুদ্ধে দূরভিসন্দিমূলক ও বিভ্রান্তিকর একটি ষড়যন্ত্র। প্রকৃতপক্ষে এটি সঠিক নয়। আগামী রোব ও সোমবার যথারীতি বিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে।
এই প্রতিবাদলিপির বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক আজ দুপুর ১২টার দিকে বলেন, আগের নোটিশটি ‘ফেক’ ছিল। আগেরটিতে তাঁর স্বাক্ষর ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। এখানে কীভাবে কী হয়েছে, তিনি বুঝতে পারেননি। কোনো ধরনের চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কথাও অস্বীকার করেন তিনি।
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও নেত্রকোনা-২ আসন থেকে এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ফাহিম রহমান খান পাঠান বলেন, ‘এটি একটি ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে। আমাদের বিব্রত করার জন্যই কোনো একটা চক্র ইচ্ছেকৃতভাবেই এসব করছে। অন্যান্য জেলার মতো আমরাও শুধু সভা সমাবেশ করার আগে প্রশাসনের কাছে আইনি নিরাপত্তা চেয়েছি। পুলিশ লাইনস স্কুলের সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের সঙ্গে আমাদের কারও পরিচয়ও নেই। এনসিপির প্রোগ্রাম উপলক্ষে পুলিশ লাইনস স্কুল বন্ধ করতে পারে না। আর করলে এর দায় একান্তই স্কুল কর্তৃপক্ষের। এনসিপির প্রোগ্রাম উপলক্ষে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান, কাজকর্ম বন্ধ রাখলে তার দায় এনসিপি নেবে না। আপনারা যতভাবেই এ নিয়ে যাচাই–বাছাই করুন, এর সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পৃক্ততা পাবেন না। এটি নিছক একটি ষড়যন্ত্র। তদন্ত করে এটি বের করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সাহেব আলী পাঠান এ বিষয়ে বলেন, ‘পুলিশ লাইনস স্কুলে পুলিশ অবস্থান করবে বলে পরীক্ষা স্থগিত ও বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে—বিষয়টা সঠিক নয়। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াতে হয়তো বলা হচ্ছে। স্কুল সঠিক নিয়মেই চলবে। আর বাইরে থেকে আসা ৬৬ জন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসেই রাখা হবে।’
প্রসঙ্গত, এনসিপির দলীয় সূত্র ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জে এনসিপির পথসভা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। এরপর কক্সবাজারে এনসিপির এক নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চকরিয়ায় মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়। এর পর থেকে দলটি যেখানে সমাবেশ করছে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আগামী রোববার নেত্রকোনায় দলটির সমাবেশ ঘিরে চার শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে বাইরে থেকে ৬৬ জন পুলিশ সদস্যকে আনা হবে। তাঁদের থাকার জন্যই নেত্রকোনা পুলিশ লাইনস স্কুল বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করা হয়েছিল। তবে এখন জানা যাচ্ছে, নোটিশটি ভুয়া!

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
৩ ঘণ্টা আগে