নেত্রকোনা প্রতিনিধি

বিএনপির ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ৭ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে চার পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষে চলে।
গুরুতর আহত সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হককে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত অন্যদের মধ্যে অনেকেই স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন পুলিশের এএসআই মামুন ইবনে হেলাল, এএসআই শরিফ উদ্দিন, এএসআই আসাদুজ্জামান, পুলিশ সদস্য সাজাদ হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল নিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা কলমাকান্দা সদরের বিএনপি কার্যালয়ে আসতে শুরু করেন। এতে বাধা দেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে পুলিশ শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ধারালো অস্ত্রসহ লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলসহ শহরের দিকে আসতে থাকেন। এ সময় তাঁরা দোকানপাটে হামলা চালান। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁদের প্রতিহত করতে গেলে তাঁদের ওপর হামলা চালান বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এতে আওয়ামী লীগের ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হন। এঁদের মধ্যে সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হককে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাঁকে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ খায়ের বলেন, ‘আমরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের জন্য গত ২৪ আগস্ট থানায় লিখিতভাবে অনুমতির আবেদন করি। অনুলিপি দিই পুলিশ সুপারের কাছে। কিন্তু আজ অবধি কোনো সাড়া পাইনি। আজ জুমার নামাজের পরে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা পশ্চিম ও পূর্ব দিক থেকে শহরে প্রবেশ করতে থাকেন। প্রথমে পুলিশ গিয়ে বাধা দেয়, হামলা চালায়। পরে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর। পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে অনুষ্ঠান আর করা হয়নি। এ ঘটনায় আমাদের ১১ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’
এ ঘটনায় মামলা করবেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মামলা করে কী হবে। পুলিশ তো আমাদের মামলা নেবে না। আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে তারা মামলা নেয়নি।’
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলসহ শহরে প্রবেশ করে দোকানপাটে ইটপাটকেল ছোড়েন। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় তাঁরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৭ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের ওপর হামলা ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপির ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ৭ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে চার পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষে চলে।
গুরুতর আহত সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হককে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত অন্যদের মধ্যে অনেকেই স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন পুলিশের এএসআই মামুন ইবনে হেলাল, এএসআই শরিফ উদ্দিন, এএসআই আসাদুজ্জামান, পুলিশ সদস্য সাজাদ হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল নিয়ে দলের নেতা-কর্মীরা কলমাকান্দা সদরের বিএনপি কার্যালয়ে আসতে শুরু করেন। এতে বাধা দেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে পুলিশ শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ধারালো অস্ত্রসহ লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলসহ শহরের দিকে আসতে থাকেন। এ সময় তাঁরা দোকানপাটে হামলা চালান। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁদের প্রতিহত করতে গেলে তাঁদের ওপর হামলা চালান বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এতে আওয়ামী লীগের ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হন। এঁদের মধ্যে সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হককে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাঁকে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ খায়ের বলেন, ‘আমরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের জন্য গত ২৪ আগস্ট থানায় লিখিতভাবে অনুমতির আবেদন করি। অনুলিপি দিই পুলিশ সুপারের কাছে। কিন্তু আজ অবধি কোনো সাড়া পাইনি। আজ জুমার নামাজের পরে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা পশ্চিম ও পূর্ব দিক থেকে শহরে প্রবেশ করতে থাকেন। প্রথমে পুলিশ গিয়ে বাধা দেয়, হামলা চালায়। পরে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর। পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে অনুষ্ঠান আর করা হয়নি। এ ঘটনায় আমাদের ১১ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’
এ ঘটনায় মামলা করবেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মামলা করে কী হবে। পুলিশ তো আমাদের মামলা নেবে না। আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে তারা মামলা নেয়নি।’
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলসহ শহরে প্রবেশ করে দোকানপাটে ইটপাটকেল ছোড়েন। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় তাঁরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৭ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের ওপর হামলা ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মোছাব্বির হত্যাকাণ্ড ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হতে পারে বলে মনে করছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিক তদন্ত চালিয়ে তারা জানতে পেরেছে, মোছাব্বির হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ও কারওয়ান বাজারে ব্যবসা থাকা আসামিদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। তবে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁদের
১০ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ডেলটা জেনারেল হাসপাতালে নিপা ঘোষ (২১) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত নিপার স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারণে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিপা ঘোষ মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়নের চকবাস্তা গ্রামের রিপন কুমার ঘোষের স্ত্রী।
১৯ মিনিট আগে
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত অনিক (২০) ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় মামলা হয়েছে। ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে অনিকের মা নুরজাহান বেগমকে আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
২২ মিনিট আগে