মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে অটো রিকশা চার্জ দিতে গিয়ে অন্তর মিয়া (১৪) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু স্বজনেদের অভিযোগ পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের শক দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনা এলাকায় নানা আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের রাজতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। অন্তর মিয়া ময়মনসিংহ শেরপুরের বুটকান্দি গ্রামের মিজান মিয়ার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে মদন উপজেলায় নানার বাড়িতে বসবাস করে অটো রিকশা চালিয়ে আসছে। মঙ্গলবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
স্বজনদের অভিযোগ, গাবরতলা গ্রামের মৃত শামছুদ্দিনের ছেলে আনোয়ার আলী (৭০) ও মৃত আলী উসমানের ছেলে মস্তু মিয়া (৬৫) পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে অন্তর মিয়াকে হত্যা করেছে।
পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিশোর অন্তরের খালা শিপা আক্তারকে প্রায় ২ বছর আগে বিয়ে করেন গাবরতলা গ্রামের আনোয়ার আলীর ছেলে জসিম মিয়া। এক মাস সংসার করার পর দুই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এতে দুই পরিবারের মাঝে ৫ / ৬টি পাল্টাপাল্টি মামলা চলমান রয়েছে। সোমবার সকালে দুই পরিবারের লোকজনের মধ্যে তর্কবিতর্ক হলে কিশোর অন্তরের খালা শিপা আক্তার আনোয়ার আলী ও মস্তুসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। রাতেই পুলিশ অভিযোগের তদন্তে যায়। ওই রাতেই অন্তর মিয়া প্রতিদিনের মত বসত ঘরে সামনে অটো রিকশা চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়। আশপাশের লোকজন তাকে দ্রুত মদন হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে হত্যার অভিযোগ উঠলে অন্তরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় মদন থানা-পুলিশ।
কিশোর অন্তরের নানা বাবুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার নাতি অন্তর মিয়াকে গাবরতলা গ্রামের আন্নর আলী ও মস্তু মিয়াসহ কয়েকজন ধাক্কা দিয়ে বিদ্যুৎ এর লাইরে ফেলে দেয়। পরে আমার নাতি অটো রিকশার চার্জের লাইনে তাড়ে জড়িয়ে মারা যায়। আমি এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করব।’
অভিযুক্ত আনোয়ার আলী জানান, বাবুল মিয়ার মেয়ে শিপার সাথে আমার ছেলে জসীমের বিয়ে হয়। পরে শিপা তাড়াইল উপজেলায় দ্বিতীয় বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। স্বামীর সাথে ঝামেলা হলে টাকা বিনিময়ে তাদের তালাক হয়। এর পর থেকে কয়েকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করে আসছে। তার ভাগনে অন্তর মিয়া অটো চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতের লাইনে লেগে মারা যায় শুনেছি। এ ঘটনা এলাকার সব মানুষ জানেন। এখন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, অন্তর মিয়া একজন অটো চালক। অটো চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়। অভিযুক্তদের কাছ থেকে কিছু টাকা পয়সা নেওয়ার জন্য এমন অভিযোগ তুলেছে নিহতের স্বজনেরা।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বলেন, বিদ্যুতায়িত হয়ে অন্তর মিয়া নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনার মদনে অটো রিকশা চার্জ দিতে গিয়ে অন্তর মিয়া (১৪) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু স্বজনেদের অভিযোগ পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের শক দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনা এলাকায় নানা আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের রাজতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। অন্তর মিয়া ময়মনসিংহ শেরপুরের বুটকান্দি গ্রামের মিজান মিয়ার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে মদন উপজেলায় নানার বাড়িতে বসবাস করে অটো রিকশা চালিয়ে আসছে। মঙ্গলবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
স্বজনদের অভিযোগ, গাবরতলা গ্রামের মৃত শামছুদ্দিনের ছেলে আনোয়ার আলী (৭০) ও মৃত আলী উসমানের ছেলে মস্তু মিয়া (৬৫) পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে অন্তর মিয়াকে হত্যা করেছে।
পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিশোর অন্তরের খালা শিপা আক্তারকে প্রায় ২ বছর আগে বিয়ে করেন গাবরতলা গ্রামের আনোয়ার আলীর ছেলে জসিম মিয়া। এক মাস সংসার করার পর দুই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এতে দুই পরিবারের মাঝে ৫ / ৬টি পাল্টাপাল্টি মামলা চলমান রয়েছে। সোমবার সকালে দুই পরিবারের লোকজনের মধ্যে তর্কবিতর্ক হলে কিশোর অন্তরের খালা শিপা আক্তার আনোয়ার আলী ও মস্তুসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। রাতেই পুলিশ অভিযোগের তদন্তে যায়। ওই রাতেই অন্তর মিয়া প্রতিদিনের মত বসত ঘরে সামনে অটো রিকশা চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়। আশপাশের লোকজন তাকে দ্রুত মদন হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে হত্যার অভিযোগ উঠলে অন্তরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় মদন থানা-পুলিশ।
কিশোর অন্তরের নানা বাবুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার নাতি অন্তর মিয়াকে গাবরতলা গ্রামের আন্নর আলী ও মস্তু মিয়াসহ কয়েকজন ধাক্কা দিয়ে বিদ্যুৎ এর লাইরে ফেলে দেয়। পরে আমার নাতি অটো রিকশার চার্জের লাইনে তাড়ে জড়িয়ে মারা যায়। আমি এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করব।’
অভিযুক্ত আনোয়ার আলী জানান, বাবুল মিয়ার মেয়ে শিপার সাথে আমার ছেলে জসীমের বিয়ে হয়। পরে শিপা তাড়াইল উপজেলায় দ্বিতীয় বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। স্বামীর সাথে ঝামেলা হলে টাকা বিনিময়ে তাদের তালাক হয়। এর পর থেকে কয়েকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করে আসছে। তার ভাগনে অন্তর মিয়া অটো চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতের লাইনে লেগে মারা যায় শুনেছি। এ ঘটনা এলাকার সব মানুষ জানেন। এখন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, অন্তর মিয়া একজন অটো চালক। অটো চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়। অভিযুক্তদের কাছ থেকে কিছু টাকা পয়সা নেওয়ার জন্য এমন অভিযোগ তুলেছে নিহতের স্বজনেরা।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বলেন, বিদ্যুতায়িত হয়ে অন্তর মিয়া নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১৮ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শেরপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে ওই রায় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
১ ঘণ্টা আগে