পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঘোড়াশাল শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে দুই গ্রাহকের ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাতে এ ঘটনায় জিয়াউল হক ও দেবল চন্দ্র মিত্র নামে দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক পলাশ থানায় ওই ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজারসহ অজ্ঞাত আরও একজনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী ও থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ব্যাংকের কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার সোমা সাহা শাখা ব্যবস্থাপকের ফোন নম্বর থেকে কল করে জিয়াউল হক ও দেবল চন্দ্র মিত্রকে তাদের অ্যাকাউন্টের এটিএম কার্ড বিষয়ে হেড অফিসের এক কর্মকর্তাকে তথ্য দেওয়ার কথা জানায়। এর পরপরই এক ব্যক্তি তাদের ফোন নম্বরে কল করে হেড অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তাদের ক্রেডিট কার্ডের গোপন তথ্য নিয়ে নেয়। এতে ওই দুই গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা খোয়া যায়।
ভুক্তভোগী জিয়াউল হক বলেন, ‘গতকাল বুধবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ব্যাংকের কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার সোমা সাহা শাখা ব্যবস্থাপকের ফোন নম্বর থেকে আমাকে কল দেন। এ সময় তিনি আমাকে জানান কিছুক্ষণের মধ্যে হেড অফিস থেকে আমার মোবাইল ফোনে ফোন করা হবে এবং আমার ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপডেটের কাজ করা হবে। এর কিছুক্ষণ পরই আমার ফোনে একটি নম্বর থেকে কল আসে এবং ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য নেয়। পরে দেখি আমার হিসাব থেকে চার ধাপে ১ লাখ টাকা তোলা হয়েছে। হেড অফিসের কর্মকর্তা পরিচয়ে যিনি কল করেছিল, তিনি ফোন করে প্রথমেই বলেছিল ঘোড়াশাল শাখা থেকে ক্রেডিট কার্ড আপডেটের তথ্যের বিষয়টি জানিয়েছিল কিনা। তাই সরল বিশ্বাসে সব তথ্য দিয়ে দেই।’
একই ভাবে প্রতারণার শিকার দেবল চন্দ্র মিত্র বলেন, ‘সকালে ব্যাংকের নিরাপত্তা কর্মীকে দিয়ে সোমা সাহা আমার ফোন নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে তিনি আমাকে একইভাবে কল করে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য আপডেটের বিষয়টি জানায়। আমিও সরল বিশ্বাসে ওই ব্যক্তিকে সব তথ্য জানাই। এরপর আমার হিসাব থেকে তিন ধাপে ৭৫ হাজার টাকা উত্তোলন দেখায়। টাকা উঠিয়ে নেওয়ার বিষয়টি দেখার পর সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকে যোগাযোগ করি, কিন্তু শাখা ব্যবস্থাপক আমাদের কোন উত্তর দেয়নি। তিনি শুধু বলেছেন প্রতারক চক্র আমাদের হিসাব থেকে টাকা তুলে নিয়ে গেছে। অথচ আমরা ব্যাংক কর্মকর্তার পরামর্শেই এসব তথ্য দিয়েছিলাম। পরে নিরুপায় হয়ে আইনের আশ্রয় নেই।’
এদিকে ওই ব্যাংকের ঘোড়াশাল শাখা ব্যবস্থাপক আমান উল্লাহ খান ও কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার সোমা সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এ বিষয়ে হেড অফিসের অনুমতি ব্যতীত কথা বলতে রাজি হয়নি।
পলাশ থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, ‘ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঘোড়াশাল শাখা থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে দুই গ্রাহকের ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাতে এ ঘটনায় জিয়াউল হক ও দেবল চন্দ্র মিত্র নামে দুই ভুক্তভোগী গ্রাহক পলাশ থানায় ওই ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক, কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজারসহ অজ্ঞাত আরও একজনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী ও থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ব্যাংকের কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার সোমা সাহা শাখা ব্যবস্থাপকের ফোন নম্বর থেকে কল করে জিয়াউল হক ও দেবল চন্দ্র মিত্রকে তাদের অ্যাকাউন্টের এটিএম কার্ড বিষয়ে হেড অফিসের এক কর্মকর্তাকে তথ্য দেওয়ার কথা জানায়। এর পরপরই এক ব্যক্তি তাদের ফোন নম্বরে কল করে হেড অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তাদের ক্রেডিট কার্ডের গোপন তথ্য নিয়ে নেয়। এতে ওই দুই গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা খোয়া যায়।
ভুক্তভোগী জিয়াউল হক বলেন, ‘গতকাল বুধবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ব্যাংকের কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার সোমা সাহা শাখা ব্যবস্থাপকের ফোন নম্বর থেকে আমাকে কল দেন। এ সময় তিনি আমাকে জানান কিছুক্ষণের মধ্যে হেড অফিস থেকে আমার মোবাইল ফোনে ফোন করা হবে এবং আমার ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপডেটের কাজ করা হবে। এর কিছুক্ষণ পরই আমার ফোনে একটি নম্বর থেকে কল আসে এবং ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য নেয়। পরে দেখি আমার হিসাব থেকে চার ধাপে ১ লাখ টাকা তোলা হয়েছে। হেড অফিসের কর্মকর্তা পরিচয়ে যিনি কল করেছিল, তিনি ফোন করে প্রথমেই বলেছিল ঘোড়াশাল শাখা থেকে ক্রেডিট কার্ড আপডেটের তথ্যের বিষয়টি জানিয়েছিল কিনা। তাই সরল বিশ্বাসে সব তথ্য দিয়ে দেই।’
একই ভাবে প্রতারণার শিকার দেবল চন্দ্র মিত্র বলেন, ‘সকালে ব্যাংকের নিরাপত্তা কর্মীকে দিয়ে সোমা সাহা আমার ফোন নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে তিনি আমাকে একইভাবে কল করে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য আপডেটের বিষয়টি জানায়। আমিও সরল বিশ্বাসে ওই ব্যক্তিকে সব তথ্য জানাই। এরপর আমার হিসাব থেকে তিন ধাপে ৭৫ হাজার টাকা উত্তোলন দেখায়। টাকা উঠিয়ে নেওয়ার বিষয়টি দেখার পর সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকে যোগাযোগ করি, কিন্তু শাখা ব্যবস্থাপক আমাদের কোন উত্তর দেয়নি। তিনি শুধু বলেছেন প্রতারক চক্র আমাদের হিসাব থেকে টাকা তুলে নিয়ে গেছে। অথচ আমরা ব্যাংক কর্মকর্তার পরামর্শেই এসব তথ্য দিয়েছিলাম। পরে নিরুপায় হয়ে আইনের আশ্রয় নেই।’
এদিকে ওই ব্যাংকের ঘোড়াশাল শাখা ব্যবস্থাপক আমান উল্লাহ খান ও কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার সোমা সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এ বিষয়ে হেড অফিসের অনুমতি ব্যতীত কথা বলতে রাজি হয়নি।
পলাশ থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, ‘ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে