নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীতে প্রবাসফেরত ভাইকে দেখতে বাড়ি আসা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আমির হোসেন সরকারকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার আলোকবালীতে এ ঘটনা ঘটে।
আমির হোসেন সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি আলোকবালী গ্রামের আব্দুল হক মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা জানান, চরাঞ্চলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধ থাকায় গত ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকার বাইরে ছিলেন আমির হোসেন সরকার। নয় বছর পর প্রবাসফেরত ভাইকে দেখতে আজ (মঙ্গলবার) গোপনে বাড়ি আসেন তিনি।
এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন আমির হোসেনসহ আরও একজন। স্বজনেরা গুরুতর আহতাবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে স্পিডবোটে করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নদীতে কচুরিপানা থাকায় হাসপাতালে নিতে দেরি হওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের ভাই সোহরাব মিয়া (২৭) বলেন, ‘সোমবার রাতে আমার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম নয় বছর পর মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসেন। ঢাকার বিমানবন্দর থেকে রাতে বাসায় নিয়ে আসেন অপর ভাই আমির সরকার।
‘আজ দুপুরে আমির হোসেন সরকার ও রফিকুল ইসলাম নামের দুজনকে কুপিয়ে জখম করে স্থানীয় বিএনপি নেতা জব্বার, তারা মিয়া (২৮), আমিরুল (২৬), শামসুল হকের ছেলে আলী (২৫), জিহাদ (২২), খোকন মিয়া (২৬) সহ ১০-১২ জন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আমার ভাই মারা যায়। আমরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনা তদন্ত করছে। আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আইগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

নরসিংদীতে প্রবাসফেরত ভাইকে দেখতে বাড়ি আসা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আমির হোসেন সরকারকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার আলোকবালীতে এ ঘটনা ঘটে।
আমির হোসেন সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি আলোকবালী গ্রামের আব্দুল হক মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনেরা জানান, চরাঞ্চলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধ থাকায় গত ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকার বাইরে ছিলেন আমির হোসেন সরকার। নয় বছর পর প্রবাসফেরত ভাইকে দেখতে আজ (মঙ্গলবার) গোপনে বাড়ি আসেন তিনি।
এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন আমির হোসেনসহ আরও একজন। স্বজনেরা গুরুতর আহতাবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে স্পিডবোটে করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নদীতে কচুরিপানা থাকায় হাসপাতালে নিতে দেরি হওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের ভাই সোহরাব মিয়া (২৭) বলেন, ‘সোমবার রাতে আমার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম নয় বছর পর মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসেন। ঢাকার বিমানবন্দর থেকে রাতে বাসায় নিয়ে আসেন অপর ভাই আমির সরকার।
‘আজ দুপুরে আমির হোসেন সরকার ও রফিকুল ইসলাম নামের দুজনকে কুপিয়ে জখম করে স্থানীয় বিএনপি নেতা জব্বার, তারা মিয়া (২৮), আমিরুল (২৬), শামসুল হকের ছেলে আলী (২৫), জিহাদ (২২), খোকন মিয়া (২৬) সহ ১০-১২ জন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আমার ভাই মারা যায়। আমরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনা তদন্ত করছে। আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আইগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাতনামা যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নারানখালী ব্রিজের নিচে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে নাঈমের প্রাইভেটকারটির। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা নঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পুকুর খননে বাধা দেওয়ায় আহমেদ জুবায়ের (২৩) নামের এক তরুণকে হত্যার ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওয়াপদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই সুমন চন্দ্র শেখ আরও বলেন, ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে