রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে মো. গোলাপ মিয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। আজ রোববার দুপুর আনুমানিক ১২টায় উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হরিপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার মৃত মো. গয়েব আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত গোলাপ মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ প্যারালাইসিসে অসুস্থ ও মানসিক বিষাদগ্রস্ত ছিলেন বলে জানান স্বজনেরা। দুই স্ত্রী নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। প্রথম স্ত্রী ও সন্তান ঢাকায় বসবাস করেন। অসুস্থ থাকাকালীন দীর্ঘদিন ঢাকাতেই ছিলেন। চিকিৎসা শেষে পাঁচ মাস আগে অসুস্থ নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী বাড়িতে চলে আসেন। ইদানীং তিনি একাই হাঁটাচলা করতেন এবং ঘরেও একাকী থাকতেন। আজ সকালে খাবার শেষে পারিবারিক লোকজন বাড়ির বাইরে চলে যান। দুপুরে নাতনি গরুর খাবার সংগ্রহ শেষে ঘরে ফিরে দরজা বন্ধ দেখেন। পরে দরজা খুলে গোলাপ মিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি।
এ সময় তার চিৎকার চেঁচামেচিতে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ঝুলন্ত মরদেহটি দেখে পুলিশে খবর দেন। রায়পুরা থানা-পুলিশ বিকেল ৪টায় ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নরসিংদী সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের নাতনি মারজিয়া আক্তার রোপা জানান, দীর্ঘদিন থেকে তাঁর দাদা অসুস্থ ও মানসিক বিষাদগ্রস্ত ছিলেন। সকালে গরুর ঘাস কাটতে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন তিনি। বাড়িতে এসে দেখেন ঘরে ধরনার সঙ্গে ঝুলে আছেন তাঁর দাদা।
মুছাপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আসাদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারি তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তার সঙ্গে কারও বিরোধ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক রকিবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদনের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে মো. গোলাপ মিয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। আজ রোববার দুপুর আনুমানিক ১২টায় উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হরিপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার মৃত মো. গয়েব আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত গোলাপ মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ প্যারালাইসিসে অসুস্থ ও মানসিক বিষাদগ্রস্ত ছিলেন বলে জানান স্বজনেরা। দুই স্ত্রী নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। প্রথম স্ত্রী ও সন্তান ঢাকায় বসবাস করেন। অসুস্থ থাকাকালীন দীর্ঘদিন ঢাকাতেই ছিলেন। চিকিৎসা শেষে পাঁচ মাস আগে অসুস্থ নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী বাড়িতে চলে আসেন। ইদানীং তিনি একাই হাঁটাচলা করতেন এবং ঘরেও একাকী থাকতেন। আজ সকালে খাবার শেষে পারিবারিক লোকজন বাড়ির বাইরে চলে যান। দুপুরে নাতনি গরুর খাবার সংগ্রহ শেষে ঘরে ফিরে দরজা বন্ধ দেখেন। পরে দরজা খুলে গোলাপ মিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি।
এ সময় তার চিৎকার চেঁচামেচিতে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ঝুলন্ত মরদেহটি দেখে পুলিশে খবর দেন। রায়পুরা থানা-পুলিশ বিকেল ৪টায় ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নরসিংদী সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের নাতনি মারজিয়া আক্তার রোপা জানান, দীর্ঘদিন থেকে তাঁর দাদা অসুস্থ ও মানসিক বিষাদগ্রস্ত ছিলেন। সকালে গরুর ঘাস কাটতে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন তিনি। বাড়িতে এসে দেখেন ঘরে ধরনার সঙ্গে ঝুলে আছেন তাঁর দাদা।
মুছাপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আসাদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারি তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তার সঙ্গে কারও বিরোধ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক রকিবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদনের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে