রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি

কাক ডাকা ভোরে নরসিংদীর রায়পুরার মুছাপুর পাগলাবাজারে নিয়মিত বসে দিনমজুরদের হাট। এখানে শ্রমিকেরা আসেন সারা দিনের জন্য শ্রম বিক্রি করতে। হাট থেকে কৃষকেরা দরদাম মিটিয়ে শ্রমিকদের নিয়ে যান। অনেকে দূর দুরান্ত থেকে আসেন। চুক্তি মিটিয়ে শ্রমিক নিয়ে রওনা হন যানবাহনে।
আজ শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে সরেজমিনে পাগলাবাজারের হাট ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা যায়। এ অঞ্চল সবজি এবং ধান চাষের জন্য পরিচিত। এখন চলছে আমনের ভরা মৌসুম। পাশাপাশি সবজি খেতের পরিচর্যার কাজ। তাই এখন শ্রমিকের চাহিদা ব্যাপক। প্রতিদিন কাজের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক শ শ্রমিক সমবেত হন এই হাটে। স্থানীয় কৃষকেরা চাহিদা মতো শ্রমিক নিয়ে যান।
উপজেলার মুছাপুর পাগলা বাজারের কৃষিশ্রমিক আবদুল কাদির (৩৫) বলেন, ‘নেত্রকোনা থেকে কাজের সন্ধানে নিয়মিত আসি। এখানে আমার মতো আরও অনেকে একটি ঘরে ২০ টাকা করে জনপ্রতি ভাড়ায় রাত্রি যাপন করি। প্রতিদিন কাজের সন্ধানে এই হাটে এসে দাঁড়াই। বর্তমানে চাহিদা কিছুটা কম। পাঁচশ টাকার কম বা একটু বেশিতে কাজে যেতে হচ্ছে। সকাল, দুপুর, বিকেলের খাবারসহ যাতায়াত খরচও গৃহস্থ দেয়।’
কৃষক হারুন বলেন, ‘সারা বছর ওই হাটে শ্রমিক পাওয়া যায়। আশপাশের কয়েক গ্রামের কৃষক এখান থেকে শ্রমিক নিতে ভিড় জমায়। ভোরে না আসলে শ্রমিক পাওয়া যায় না। হাটে এসে পাঁচশ টাকায় একজন শ্রমিক নিলাম।’
উপজেলার মেথিকান্দা, হাঁটুভাঙা, হাইরমরার, আমিরগঞ্জ, মরজাল বাসস্ট্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি বাজারে প্রতিদিন কামলার হাট বসে। দৈনিক কয়েক হাজার শ্রমিক দৈনিক চুক্তিতে কাজে যান।

কাক ডাকা ভোরে নরসিংদীর রায়পুরার মুছাপুর পাগলাবাজারে নিয়মিত বসে দিনমজুরদের হাট। এখানে শ্রমিকেরা আসেন সারা দিনের জন্য শ্রম বিক্রি করতে। হাট থেকে কৃষকেরা দরদাম মিটিয়ে শ্রমিকদের নিয়ে যান। অনেকে দূর দুরান্ত থেকে আসেন। চুক্তি মিটিয়ে শ্রমিক নিয়ে রওনা হন যানবাহনে।
আজ শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে সরেজমিনে পাগলাবাজারের হাট ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা যায়। এ অঞ্চল সবজি এবং ধান চাষের জন্য পরিচিত। এখন চলছে আমনের ভরা মৌসুম। পাশাপাশি সবজি খেতের পরিচর্যার কাজ। তাই এখন শ্রমিকের চাহিদা ব্যাপক। প্রতিদিন কাজের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক শ শ্রমিক সমবেত হন এই হাটে। স্থানীয় কৃষকেরা চাহিদা মতো শ্রমিক নিয়ে যান।
উপজেলার মুছাপুর পাগলা বাজারের কৃষিশ্রমিক আবদুল কাদির (৩৫) বলেন, ‘নেত্রকোনা থেকে কাজের সন্ধানে নিয়মিত আসি। এখানে আমার মতো আরও অনেকে একটি ঘরে ২০ টাকা করে জনপ্রতি ভাড়ায় রাত্রি যাপন করি। প্রতিদিন কাজের সন্ধানে এই হাটে এসে দাঁড়াই। বর্তমানে চাহিদা কিছুটা কম। পাঁচশ টাকার কম বা একটু বেশিতে কাজে যেতে হচ্ছে। সকাল, দুপুর, বিকেলের খাবারসহ যাতায়াত খরচও গৃহস্থ দেয়।’
কৃষক হারুন বলেন, ‘সারা বছর ওই হাটে শ্রমিক পাওয়া যায়। আশপাশের কয়েক গ্রামের কৃষক এখান থেকে শ্রমিক নিতে ভিড় জমায়। ভোরে না আসলে শ্রমিক পাওয়া যায় না। হাটে এসে পাঁচশ টাকায় একজন শ্রমিক নিলাম।’
উপজেলার মেথিকান্দা, হাঁটুভাঙা, হাইরমরার, আমিরগঞ্জ, মরজাল বাসস্ট্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি বাজারে প্রতিদিন কামলার হাট বসে। দৈনিক কয়েক হাজার শ্রমিক দৈনিক চুক্তিতে কাজে যান।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে