
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে দেওয়া বেফাঁস বক্তব্যের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন গ্রহণ করেছেন নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত।
আজ রোববার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুর রহমানের আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুর রহমানের আদালতে মামলার এ আবেদন করেন মো. ফারুক (৩৯)। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিপি শাকিল রহমান।
মামলার বাদী ফারুক হোসেন চেঙ্গাকান্দী পাইকপাড়া এলাকার আবুল হাশেমের ছেলে। তিনি বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য।
বিষয়ে মামলার বাদী ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদে সাবেক সদস্য ফারুক হোসেন বলেন, ‘বারদী চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লায়ন বাবুল প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি ওয়াজ মাহফিলে বেফাঁস বক্তব্য দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁকে নিয়ে বেফাঁস বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বেফাঁস বক্তব্যে মানহানি হয়েছে। এ জন্য লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন করেছিলাম। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’
উল্লেখ্য, সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের পাইকপাড়া দেওয়ান বাড়ির বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান বাবুল তার বক্তব্যে বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নে যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আসেন তাহলেও অনুমতি লাগবে’। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমাকে কেউ টাকা দিয়ে কিনতে পারবে না। আমার এলাকাতে আমি ম্যাজিস্ট্রেট। আমি যা বলবো তাই হবে। আমি যদি সুইচ অফ বলি তাহলে সেটাই হবে। প্রশাসন আমার পক্ষে কাজ করবে। কারও ফোনে প্রশাসন আসবে না।’

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে দেওয়া বেফাঁস বক্তব্যের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন গ্রহণ করেছেন নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত।
আজ রোববার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুর রহমানের আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুর রহমানের আদালতে মামলার এ আবেদন করেন মো. ফারুক (৩৯)। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিপি শাকিল রহমান।
মামলার বাদী ফারুক হোসেন চেঙ্গাকান্দী পাইকপাড়া এলাকার আবুল হাশেমের ছেলে। তিনি বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য।
বিষয়ে মামলার বাদী ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদে সাবেক সদস্য ফারুক হোসেন বলেন, ‘বারদী চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লায়ন বাবুল প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি ওয়াজ মাহফিলে বেফাঁস বক্তব্য দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁকে নিয়ে বেফাঁস বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বেফাঁস বক্তব্যে মানহানি হয়েছে। এ জন্য লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার আবেদন করেছিলাম। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’
উল্লেখ্য, সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের পাইকপাড়া দেওয়ান বাড়ির বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান বাবুল তার বক্তব্যে বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নে যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আসেন তাহলেও অনুমতি লাগবে’। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমাকে কেউ টাকা দিয়ে কিনতে পারবে না। আমার এলাকাতে আমি ম্যাজিস্ট্রেট। আমি যা বলবো তাই হবে। আমি যদি সুইচ অফ বলি তাহলে সেটাই হবে। প্রশাসন আমার পক্ষে কাজ করবে। কারও ফোনে প্রশাসন আসবে না।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে