নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) নবনির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকারের বাসায় গিয়ে তাঁর কাছ থেকে দোয়া নিয়েছেন।
আজ সোমবার বিকেলে তৈমুর আলম খন্দকারের বাসায় যান নবনির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। এ সময় তৈমুরের পা ছুঁয়ে দোয়া নেন আইভী। তৈমুর আলম খন্দকারও তাঁকে বুকে জড়িয়ে নেন। সে সময় চাচা-ভাতিজির মাঝে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
নাসিক নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘বিজয়ী হওয়ার জন্য আমি আইভীকে মোবারকবাদ জানাই। তাঁর সঙ্গে আমার যে সম্পর্ক, এটা আত্মিক ও আন্তরিক। আমি যেখানেই থাকি, আলী আহাম্মদ চুনকা ও তাঁর পরিবারের জন্য দোয়া করি। যখনই হাত তুলি, তখনই তাঁর জন্য দোয়া করি।’
তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকে আলী আহাম্মদ চুনকা ভাইয়ের হাত ধরেই বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত হয়েছি। তাঁর মাধ্যমে আমার রাজনীতিতে উত্থান। চুনকা ভাই আমার মাকে মা বলতেন, আমি তাঁকে ভাই বলতাম। তাঁর মেয়ের সঙ্গে আমি আছি। সে যেকোনো জায়গায় থাকুক, তার যেকোনো বিপদে-আপদে অদৃশ্য শক্তির মতো তার মাথায় আমার হাত আছে। আগামীতেও থাকবে। তার আগামী দিন যেন সুন্দর হয়, সেই দোয়া করি। আমার শ্রদ্ধাবোধ চুনকা ভাইয়ের জন্য আজীবন থাকবে।’
আইভী বলেন, ‘রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। পারিবারিক সম্পর্কে কখনো ঘাটতি হবে না। পূর্বে যে রকম ছিল তেমনই থাকবে। আমার তরফ থেকে বিঘ্ন হবে না। কাকার কাছ থেকেও বাধাগ্রস্ত হবে না। ভবিষ্যতে আমি তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েই চলব। পৌরসভার আমল থেকেই কাকা আমাকে অনেক সহায়তা করেছেন। হীরালাল খাল, বোয়ালিয়া খালের জন্য তিনি অনেক সাহায্য করেছেন। আমরা সবাই নারায়ণগঞ্জের মানুষ।’
এ সময় একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান তৈমুর ও আইভী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৈমুরের স্ত্রী ফারজানা খন্দকার, কন্যা মার-ই-য়াম খন্দকার, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) নবনির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকারের বাসায় গিয়ে তাঁর কাছ থেকে দোয়া নিয়েছেন।
আজ সোমবার বিকেলে তৈমুর আলম খন্দকারের বাসায় যান নবনির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। এ সময় তৈমুরের পা ছুঁয়ে দোয়া নেন আইভী। তৈমুর আলম খন্দকারও তাঁকে বুকে জড়িয়ে নেন। সে সময় চাচা-ভাতিজির মাঝে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
নাসিক নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘বিজয়ী হওয়ার জন্য আমি আইভীকে মোবারকবাদ জানাই। তাঁর সঙ্গে আমার যে সম্পর্ক, এটা আত্মিক ও আন্তরিক। আমি যেখানেই থাকি, আলী আহাম্মদ চুনকা ও তাঁর পরিবারের জন্য দোয়া করি। যখনই হাত তুলি, তখনই তাঁর জন্য দোয়া করি।’
তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকে আলী আহাম্মদ চুনকা ভাইয়ের হাত ধরেই বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত হয়েছি। তাঁর মাধ্যমে আমার রাজনীতিতে উত্থান। চুনকা ভাই আমার মাকে মা বলতেন, আমি তাঁকে ভাই বলতাম। তাঁর মেয়ের সঙ্গে আমি আছি। সে যেকোনো জায়গায় থাকুক, তার যেকোনো বিপদে-আপদে অদৃশ্য শক্তির মতো তার মাথায় আমার হাত আছে। আগামীতেও থাকবে। তার আগামী দিন যেন সুন্দর হয়, সেই দোয়া করি। আমার শ্রদ্ধাবোধ চুনকা ভাইয়ের জন্য আজীবন থাকবে।’
আইভী বলেন, ‘রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। পারিবারিক সম্পর্কে কখনো ঘাটতি হবে না। পূর্বে যে রকম ছিল তেমনই থাকবে। আমার তরফ থেকে বিঘ্ন হবে না। কাকার কাছ থেকেও বাধাগ্রস্ত হবে না। ভবিষ্যতে আমি তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েই চলব। পৌরসভার আমল থেকেই কাকা আমাকে অনেক সহায়তা করেছেন। হীরালাল খাল, বোয়ালিয়া খালের জন্য তিনি অনেক সাহায্য করেছেন। আমরা সবাই নারায়ণগঞ্জের মানুষ।’
এ সময় একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান তৈমুর ও আইভী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৈমুরের স্ত্রী ফারজানা খন্দকার, কন্যা মার-ই-য়াম খন্দকার, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে