মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরির ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি। এর মধ্যে রয়েছে দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার।
গত ১৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বড়লেখা থানাধীন দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা সিএনজিচালক জসিম উদ্দিন তাঁর বসতঘরে তালা দিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় গ্যাস নিতে বাইরে যান। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের জানালার ছিটকিনি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রোবে রাখা তাঁর ভাবির স্বর্ণের গলার হার ও কানের দুল এবং দুটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে বড়লেখা থানার পুলিশের একটি দল ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন জিল্লুর মিয়া (২৬), মনির হোসেন (৩৩) ও আব্দুল আহাদ (৪৪)। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পারভেজ আহমদকে (২৭) মৌলভীবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও তাঁদের সহযোগী সুমন আহমদ (৩৮) নামে আরও একজনকে জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্য অনুযায়ী পরবর্তীতে সিলেট থেকে সাইদুর রহমানকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের আজ ২১ অক্টোবর বিধিমতো আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।










