সাগর হোসেন তামিম, মাদারীপুর

ঘরের বেড়ায় ঝুলছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতার সঙ্গে 'ওঠা-বসার' ছবি। অথচ মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই তাঁকে চেনে না। বলছি সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া 'বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ' নামে ভুঁইফোড় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দর্জি মনির খানের কথা। নিজ এলাকা মাদারীপুরের জায়গীর গ্রামের মানুষের কাছেও তিনি এখন এক বিতর্কিত ব্যক্তি।
দর্জি মনির কীভাবে হলেন জাতীয় নেতা, কেনই বা তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলো? এ নিয়ে তাঁর নিজ গ্রাম মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের জায়গীর গ্রামে চলছে ব্যাপক গুঞ্জন। কালকিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকীর দাবি, ভূঁইফোড় সংগঠনের আড়ালে এমন ব্যক্তিরা দলের জন্য ক্যান্সরস্বরূপ। এদের দল থেকে বিতাড়িত করে দলকে শুদ্ধ করার দাবি জেলার নেতাদেরও।
সরেজমিনে মনির খানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের জায়গীর গ্রামে একটি আধপাকা রাস্তার পাশে মনির খানের বাড়ি। টিনের চালা আর কাঁচা মাটির তৈরি একটি দো-চালা ঘর তার। ঘরে ঢুকতেই থরে থরে সাজানো একের পর এক ছবি। কোনটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে মনির। কোনটায় দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কুশন বিনিময় করছেন। কোন ছবিতে নেতাদের মাথার ওপরে হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছেন। এমন দৃশ্য পুরো বেড়া জুড়ে। অভিযোগ উঠেছে, এসব ছবি কম্পিউটারের কারসাজিতে তৈরি করা হয়েছে। কিছু কিছু ছবিতে স্পষ্টই বোঝা যায় কৃত্রিম কাজের চিহ্ন।
জায়গীর গ্রামের একাধিক বাসিন্দা ও তার আত্মীয়-স্বজন জানান, জায়গীর গ্রামের খান বাড়িতে হারুন খানের ঘরে মনির খানের জন্ম হয়। মনিরের বয়স প্রায় ৪২ বছর। তার দুই ভাই ও তিন বোন রয়েছে। তার ৫ চাচা রয়েছে, মনিরের বাবা সবচেয়ে বড়। তাঁর পরিবার এলাকায় কিছুটা প্রভাবশালী হওয়ায় ছোট থেকেই মনির কিছুটা ডানপিটে স্বভাবের। ২০-২২ বছর বয়সেই তিনি বিয়ে করেন। এর কিছুদিন পরে স্ত্রী নাসিমা বেগমকে নিয়ে ঢাকা চলে যান। এরপর মাঝে মাঝে গ্রামের বাড়িতে আসতেন। তবে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে কখনোই জড়াননি। মাঝে মাঝে স্থানীয় সূর্যমুখী বাজারে চা-পান খেতেন। বাজারের একটি জায়গা দখল করার চেষ্টারও অভিযোগ রয়েছে মনিরের বিরুদ্ধে।
মনির খানের প্রথম স্ত্রী নাসিমা বেগম বলেন, 'আমার সঙ্গে মনিরের বিয়ে হয় প্রায় ১৫ বছর আগে। তারপরে কয়েক বছর আমরা ঢাকাতে থেকেছি। তখন দেখতাম তিনি রাজনীতি করেন। এরপর সাত-আট বছর ধরে আমি বাড়িতে আমার এক মেয়ে নিয়ে থাকি। মনির ঢাকাতে আবার বিয়ে করেছে। তিন-চার মাস পরে মাঝে মাঝে বাড়িতে আসে। মাস গেলে বিকাশে সংসার খরচও পাঠায়। এর চেয়ে বেশি জানি না। শুনছি, ঢাকায় রাজনীতির কারণে গ্রেপ্তার হয়েছে। আমি সেসবের খবর রাখি না। তার ঢাকার স্ত্রী সব দেখা-শোনা করছে।'
এ বিষয়ে ছোট চাচা শহিদুল ইসলাম খান জানান, কিছুদিন পর পর বাড়িতে এসে ছবিগুলো মনির নিজেই ঘরে সাঁটিয়ে রেখে যেত। তাঁর প্রথম স্ত্রী ও এক মেয়ে থাকেন বাড়িতে। তাঁদের খোঁজ খবর নেন মাঝে মাঝে। তবে ঢাকাতেই তিনি আওয়ামী লীগের নেতা হয়েছেন। এলাকায় তেমন নাম-ডাক নেই বললেই চলে। তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় কোন উত্তাপ নেই। তবে মনির ঢাকাতে এমপি নির্বাচন করতে চাওয়াটাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে, সে ষড়যন্ত্রের শিকার।
তবে স্থানীয় লোকজন মনিরকে চেনে বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবেই। মাঝে সাঝে এলাকায় এসে বিতর্কিত কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িয়েছেন মনির। তাঁর গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, 'মনির একটা টাউট প্রকৃতির লোক। মাঝে মাঝে এলাকায় এসে খালি ছবি টাঙাতো। বাজারের জায়গা দখলের চেষ্টা করেছিল একবার। পরে ধাওয়া খেয়ে ঢাকা গেছে। এমন লোকের তো আগেই গ্রেপ্তার হওয়া উচিত ছিল।'
এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪২ এর সংসদ সদস্য অধ্যাপিতা তাহমিনা সিদ্দিকী বলেন, 'মনিরদের মতো ব্যক্তিদের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এরা দলের জন্য ক্যান্সারস্বরূপ। সংগঠনের সঙ্গে এদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি করছি। এই ছেলেকে মাঝে মাঝে দেখেছি, কালকিনির বর্তমান এমপি আব্দুস সোবাহান গোলাপের সঙ্গে আসত। এমপি আমাকে বলেছিল তাঁকে একটি কমিটিতেও রাখার জন্য, কিন্তু আমি তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা শুনে আর রাখিনি। এদের জন্য দলের বদনাম হয়।'
মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লা বলেন, 'যারা কোন দিন দলের সভা-সেমিনারে আসে না, তাঁরা ঢাকাতে গিয়ে নিজেদের পাল্টিয়ে বড় নেতা হন। এরপর দালালি আর ধান্দামি করে কোটি কোটি টাকা কামান। এরা মূলক দল নয়, স্বার্থের জন্য দলকে ব্যবহার করেন। এদের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন, তাকে ধন্যবাদ জানাই।'
প্রসঙ্গত, গত ২ আগস্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মনির খান ওরফে দর্জি মনিরকে গ্রেপ্তার করেন। চার দিনের রিমান্ড শেষে মনির বর্তমানে জেল-হাজতে রয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় শান্তির দাবি রাজনৈতিক মহলের।

ঘরের বেড়ায় ঝুলছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ক্ষমতাসীন দলের একাধিক নেতার সঙ্গে 'ওঠা-বসার' ছবি। অথচ মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই তাঁকে চেনে না। বলছি সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া 'বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ' নামে ভুঁইফোড় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দর্জি মনির খানের কথা। নিজ এলাকা মাদারীপুরের জায়গীর গ্রামের মানুষের কাছেও তিনি এখন এক বিতর্কিত ব্যক্তি।
দর্জি মনির কীভাবে হলেন জাতীয় নেতা, কেনই বা তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলো? এ নিয়ে তাঁর নিজ গ্রাম মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের জায়গীর গ্রামে চলছে ব্যাপক গুঞ্জন। কালকিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকীর দাবি, ভূঁইফোড় সংগঠনের আড়ালে এমন ব্যক্তিরা দলের জন্য ক্যান্সরস্বরূপ। এদের দল থেকে বিতাড়িত করে দলকে শুদ্ধ করার দাবি জেলার নেতাদেরও।
সরেজমিনে মনির খানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের জায়গীর গ্রামে একটি আধপাকা রাস্তার পাশে মনির খানের বাড়ি। টিনের চালা আর কাঁচা মাটির তৈরি একটি দো-চালা ঘর তার। ঘরে ঢুকতেই থরে থরে সাজানো একের পর এক ছবি। কোনটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে মনির। কোনটায় দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কুশন বিনিময় করছেন। কোন ছবিতে নেতাদের মাথার ওপরে হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছেন। এমন দৃশ্য পুরো বেড়া জুড়ে। অভিযোগ উঠেছে, এসব ছবি কম্পিউটারের কারসাজিতে তৈরি করা হয়েছে। কিছু কিছু ছবিতে স্পষ্টই বোঝা যায় কৃত্রিম কাজের চিহ্ন।
জায়গীর গ্রামের একাধিক বাসিন্দা ও তার আত্মীয়-স্বজন জানান, জায়গীর গ্রামের খান বাড়িতে হারুন খানের ঘরে মনির খানের জন্ম হয়। মনিরের বয়স প্রায় ৪২ বছর। তার দুই ভাই ও তিন বোন রয়েছে। তার ৫ চাচা রয়েছে, মনিরের বাবা সবচেয়ে বড়। তাঁর পরিবার এলাকায় কিছুটা প্রভাবশালী হওয়ায় ছোট থেকেই মনির কিছুটা ডানপিটে স্বভাবের। ২০-২২ বছর বয়সেই তিনি বিয়ে করেন। এর কিছুদিন পরে স্ত্রী নাসিমা বেগমকে নিয়ে ঢাকা চলে যান। এরপর মাঝে মাঝে গ্রামের বাড়িতে আসতেন। তবে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে কখনোই জড়াননি। মাঝে মাঝে স্থানীয় সূর্যমুখী বাজারে চা-পান খেতেন। বাজারের একটি জায়গা দখল করার চেষ্টারও অভিযোগ রয়েছে মনিরের বিরুদ্ধে।
মনির খানের প্রথম স্ত্রী নাসিমা বেগম বলেন, 'আমার সঙ্গে মনিরের বিয়ে হয় প্রায় ১৫ বছর আগে। তারপরে কয়েক বছর আমরা ঢাকাতে থেকেছি। তখন দেখতাম তিনি রাজনীতি করেন। এরপর সাত-আট বছর ধরে আমি বাড়িতে আমার এক মেয়ে নিয়ে থাকি। মনির ঢাকাতে আবার বিয়ে করেছে। তিন-চার মাস পরে মাঝে মাঝে বাড়িতে আসে। মাস গেলে বিকাশে সংসার খরচও পাঠায়। এর চেয়ে বেশি জানি না। শুনছি, ঢাকায় রাজনীতির কারণে গ্রেপ্তার হয়েছে। আমি সেসবের খবর রাখি না। তার ঢাকার স্ত্রী সব দেখা-শোনা করছে।'
এ বিষয়ে ছোট চাচা শহিদুল ইসলাম খান জানান, কিছুদিন পর পর বাড়িতে এসে ছবিগুলো মনির নিজেই ঘরে সাঁটিয়ে রেখে যেত। তাঁর প্রথম স্ত্রী ও এক মেয়ে থাকেন বাড়িতে। তাঁদের খোঁজ খবর নেন মাঝে মাঝে। তবে ঢাকাতেই তিনি আওয়ামী লীগের নেতা হয়েছেন। এলাকায় তেমন নাম-ডাক নেই বললেই চলে। তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় কোন উত্তাপ নেই। তবে মনির ঢাকাতে এমপি নির্বাচন করতে চাওয়াটাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে, সে ষড়যন্ত্রের শিকার।
তবে স্থানীয় লোকজন মনিরকে চেনে বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবেই। মাঝে সাঝে এলাকায় এসে বিতর্কিত কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িয়েছেন মনির। তাঁর গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, 'মনির একটা টাউট প্রকৃতির লোক। মাঝে মাঝে এলাকায় এসে খালি ছবি টাঙাতো। বাজারের জায়গা দখলের চেষ্টা করেছিল একবার। পরে ধাওয়া খেয়ে ঢাকা গেছে। এমন লোকের তো আগেই গ্রেপ্তার হওয়া উচিত ছিল।'
এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪২ এর সংসদ সদস্য অধ্যাপিতা তাহমিনা সিদ্দিকী বলেন, 'মনিরদের মতো ব্যক্তিদের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এরা দলের জন্য ক্যান্সারস্বরূপ। সংগঠনের সঙ্গে এদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি করছি। এই ছেলেকে মাঝে মাঝে দেখেছি, কালকিনির বর্তমান এমপি আব্দুস সোবাহান গোলাপের সঙ্গে আসত। এমপি আমাকে বলেছিল তাঁকে একটি কমিটিতেও রাখার জন্য, কিন্তু আমি তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা শুনে আর রাখিনি। এদের জন্য দলের বদনাম হয়।'
মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লা বলেন, 'যারা কোন দিন দলের সভা-সেমিনারে আসে না, তাঁরা ঢাকাতে গিয়ে নিজেদের পাল্টিয়ে বড় নেতা হন। এরপর দালালি আর ধান্দামি করে কোটি কোটি টাকা কামান। এরা মূলক দল নয়, স্বার্থের জন্য দলকে ব্যবহার করেন। এদের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন, তাকে ধন্যবাদ জানাই।'
প্রসঙ্গত, গত ২ আগস্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মনির খান ওরফে দর্জি মনিরকে গ্রেপ্তার করেন। চার দিনের রিমান্ড শেষে মনির বর্তমানে জেল-হাজতে রয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় শান্তির দাবি রাজনৈতিক মহলের।

লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে বড় ভাইদের বেধড়ক পিটুনির শিকার হয়ে তোফায়েল আহম্মদ (৪৫) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় তিন ভাইকে আটক করা হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আজ শনিবার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ...
২২ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ) আসনে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) জোটের সভাপতি ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ শনিবার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়া উদ্দিনের কার্যালয়ে আসনটির প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই...
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের পারকি সমুদ্রসৈকতে ভেসে এসেছে বিরল প্রজাতির দুটি মৃত কচ্ছপ। দুই দিন আগে থেকে সমুদ্রসৈকতের বালু চরে এসব কচ্ছপ পড়ে থাকতে দেখেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। প্রায় তিন ফুট দৈর্ঘ্যের কচ্ছপ দুটির গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে জাহাজ বা জেলেদের জালের আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে