মাদারীপুর প্রতিনিধি

ঈদ উপলক্ষে গত বছরেও মাদারীপুর সদরে ভিজিএফের ১০ কেজি করে চাল পেয়েছে ১৯ হাজার ৭৩৯টি দুস্থ পরিবার। কিন্তু বছর না ঘুরতেই এই বছর ঈদ উপলক্ষে সেই বরাদ্দ এসেছে ২ হাজার ১৫২ টিতে। যার ফলে সেই ভিজিএফের চাল গ্রহণ করেনি উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলা পরিষদের চত্বরে এক প্রতিবাদ সভা করেন বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা।
প্রতিবাদ সভায় মাদারীপুর জেলা ইউপি চেয়ারম্যানদের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সেলিম বলেন, এ বছর সদর উপজেলায় ইউনিয়নে গড়ে ৯০ থেকে ১৫০টি ভিজিএফের চাল বরাদ্দ এসেছে। যা গতবারের চেয়ে খুবই সামান্য। এই নিয়ে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাইনুদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের বলেন, ‘‘সরকারের জরিপ মতে মাদারীপুর জেলা ধনীর দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে থাকায় বরাদ্দ কম এসেছে।’ ’
ইউপি চেয়ারম্যানদের সভাপতি বলেন, ‘বাস্তবে আপনারা সাংবাদিকেরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে জরিপ করে দেখেন কতজন গরিব গত এক বছরে ধনী হয়েছে। আমাদের জানামতে ১ শতাংশ গরিব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। তাহলে এত কম চাল কীভাবে দুস্থ মানুষের মধ্যে বিতরণ করব। এ জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ বছর এ ভিজিএফের চাল গ্রহণ করব না।’
এ সময় চেয়ারম্যানদের সভাপতি আরও বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহর বানানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। গ্রামকে শহর বানাতে হলে প্রথমে মাটি দিয়ে রাস্তা তৈরি করতে হবে। কিন্তু আমাদের যে ৪০ দিনের মাটির তৈরির রাস্তার কর্মসূচি ছিল হতদরিদ্রদের দিয়ে কাজ করানো, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এলজিএসপির যে টাকা বরাদ্দ আসত তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কাবিখা ও টিআরের বরাদ্দ নামে মাত্র আছে। আমরা দাবি জানাই অতি দ্রুত এই প্রকল্পগুলো পুনরায় চালু করা হোক। নয়তো আমরা জেলার সকল চেয়ারম্যানরা কঠোর আন্দোলনে নামব।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, মজিবুর রহমান হাওলাদার, ফারুক খান, নাসিরউদ্দিন মোল্লা (টুকু), শাহ্ মো. রায়হান কবীর, মাহফুজুর রহমান, মো. ফায়েকুজ্জামান, সোহরাব হোসেন খান, মাহফুজুর রহমান লাভলু তালুকদার।

ঈদ উপলক্ষে গত বছরেও মাদারীপুর সদরে ভিজিএফের ১০ কেজি করে চাল পেয়েছে ১৯ হাজার ৭৩৯টি দুস্থ পরিবার। কিন্তু বছর না ঘুরতেই এই বছর ঈদ উপলক্ষে সেই বরাদ্দ এসেছে ২ হাজার ১৫২ টিতে। যার ফলে সেই ভিজিএফের চাল গ্রহণ করেনি উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলা পরিষদের চত্বরে এক প্রতিবাদ সভা করেন বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা।
প্রতিবাদ সভায় মাদারীপুর জেলা ইউপি চেয়ারম্যানদের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সেলিম বলেন, এ বছর সদর উপজেলায় ইউনিয়নে গড়ে ৯০ থেকে ১৫০টি ভিজিএফের চাল বরাদ্দ এসেছে। যা গতবারের চেয়ে খুবই সামান্য। এই নিয়ে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাইনুদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের বলেন, ‘‘সরকারের জরিপ মতে মাদারীপুর জেলা ধনীর দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে থাকায় বরাদ্দ কম এসেছে।’ ’
ইউপি চেয়ারম্যানদের সভাপতি বলেন, ‘বাস্তবে আপনারা সাংবাদিকেরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে জরিপ করে দেখেন কতজন গরিব গত এক বছরে ধনী হয়েছে। আমাদের জানামতে ১ শতাংশ গরিব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। তাহলে এত কম চাল কীভাবে দুস্থ মানুষের মধ্যে বিতরণ করব। এ জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ বছর এ ভিজিএফের চাল গ্রহণ করব না।’
এ সময় চেয়ারম্যানদের সভাপতি আরও বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহর বানানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। গ্রামকে শহর বানাতে হলে প্রথমে মাটি দিয়ে রাস্তা তৈরি করতে হবে। কিন্তু আমাদের যে ৪০ দিনের মাটির তৈরির রাস্তার কর্মসূচি ছিল হতদরিদ্রদের দিয়ে কাজ করানো, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এলজিএসপির যে টাকা বরাদ্দ আসত তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কাবিখা ও টিআরের বরাদ্দ নামে মাত্র আছে। আমরা দাবি জানাই অতি দ্রুত এই প্রকল্পগুলো পুনরায় চালু করা হোক। নয়তো আমরা জেলার সকল চেয়ারম্যানরা কঠোর আন্দোলনে নামব।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান, মজিবুর রহমান হাওলাদার, ফারুক খান, নাসিরউদ্দিন মোল্লা (টুকু), শাহ্ মো. রায়হান কবীর, মাহফুজুর রহমান, মো. ফায়েকুজ্জামান, সোহরাব হোসেন খান, মাহফুজুর রহমান লাভলু তালুকদার।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে