লালমনিরহাট প্রতিনিধি

১০ টাকা কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগ তুলে নরসুন্দর বাবা-ছেলেকে মারধরের পর পুলিশে সোপর্দের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার লালমনিরহাট পৌরসভার গোশালা বাজার হানিফ পাগলার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ বাবা-ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন নরসুন্দর পরেশ চন্দ্র শীল (৬৯) ও তাঁর ছেলে বিষ্ণ চন্দ্র শীল (৩৫)।
জানা গেছে, পৌরসভার গোশলা বাজারের হানিফ পাগলার মোড়ে সেলুনের দোকান দিয়ে চলে পরেশ চন্দ্র শীলের পরিবার। ওই দোকানে কাজ করেন তাঁর ছেলে বিষ্ণ চন্দ্র শীল। গতকাল রোববার দুপুরে দোকানে কাজ করাতে আসা এক তরুণের সঙ্গে হিন্দু ও মুসলিম ধর্ম নিয়ে উভয়ে রসিকতা শুরু করেন; যা নিয়ে একপর্যায়ে বিতর্ক বাধে এবং তা তাৎক্ষণিক মিটে যায়। পরে কাজ করে নেন ওই তরুণ। কাজ শেষে মজুরি ১০ টাকা কম দিলে আবার তাঁদের মধ্যে বিতর্ক বাধে, যা অমীমাংসিত থেকে যায়।
এটাকে কেন্দ্র করে ওই তরুণ বিষ্ণ চন্দ্র শীলের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ তুলে স্থানীয়দের বলাবলি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা এসে নরসুন্দর বিষ্ণ চন্দ্র শীল ও তাঁর বাবাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে ‘মব’ তৈরি করে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ে পাশে শহরের কালেক্টরেট মাঠে ইসলামী শাসনতন্ত্র বাংলাদেশের নায়েবে আমিরের জনসভায়। জনসভার কিছু লোক ও স্থানীয় মুসল্লিরা তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সদর থানা ঘেরাও করে ধর্মীয় কটূক্তির বিচার দাবি করে। খবর পেয়ে সদর থানা-পুলিশ হামলায় আহত নরসুন্দর বাবা-ছেলেকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আসে এবং রাতে মামলা নিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখায়।
আজ (সোমবার) দুপুরে কারাগারে বাবা-ছেলেকে দেখতে গিয়ে ঘটনার মূল রহস্য ফাঁস করেন নরসুন্দর বিষ্ণ চন্দ্র শীলের স্ত্রী দীপ্তি রানী রায়। তিনি বলেন, ‘ওই তরুণ কাজ করে নিয়ে ১০ টাকা কম দিয়েছেন; যা পূরণ করতে আমার স্বামী ওই তরুণকে অনুরোধ করে পরে তা পরিশোধ করতে বলায় তিনি খেপে যান এবং পাশের নামাজ শেষ করে আসা মসজিদের মুসল্লিদের কাছে মিথ্যা ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগ দেন। এতেই মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামী ও শ্বশুরকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশে দেয়।’ সুষ্ঠু তদন্ত করে ন্যায়বিচার দাবি করেন তিনি। এমন দাবি করার একটি ভিডিও মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরনবী মিয়া বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার ধারায় বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মব তৈরি হয়েছে কি না বা সে ধরনের কোনো অভিযোগ ছিল কি না—এমন প্রশ্নে কোনো মন্তব্য না করে তিনি ফোন কেটে দেন।
লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষ্ণু চন্দ্র শীল এর আগেও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করেছিল বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। মবও সৃষ্টি করা হয়েছিল। আমরা আপাতত মামলা নিয়ে তদন্ত করছি। মব সৃষ্টির তথ্য পেলে সেটারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষ্ণু শীলের স্ত্রী যা বলছে তা সঠিক নয়, বাঁচানোর জন্য প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১০ টাকা কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগ তুলে নরসুন্দর বাবা-ছেলেকে মারধরের পর পুলিশে সোপর্দের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার লালমনিরহাট পৌরসভার গোশালা বাজার হানিফ পাগলার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ বাবা-ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন নরসুন্দর পরেশ চন্দ্র শীল (৬৯) ও তাঁর ছেলে বিষ্ণ চন্দ্র শীল (৩৫)।
জানা গেছে, পৌরসভার গোশলা বাজারের হানিফ পাগলার মোড়ে সেলুনের দোকান দিয়ে চলে পরেশ চন্দ্র শীলের পরিবার। ওই দোকানে কাজ করেন তাঁর ছেলে বিষ্ণ চন্দ্র শীল। গতকাল রোববার দুপুরে দোকানে কাজ করাতে আসা এক তরুণের সঙ্গে হিন্দু ও মুসলিম ধর্ম নিয়ে উভয়ে রসিকতা শুরু করেন; যা নিয়ে একপর্যায়ে বিতর্ক বাধে এবং তা তাৎক্ষণিক মিটে যায়। পরে কাজ করে নেন ওই তরুণ। কাজ শেষে মজুরি ১০ টাকা কম দিলে আবার তাঁদের মধ্যে বিতর্ক বাধে, যা অমীমাংসিত থেকে যায়।
এটাকে কেন্দ্র করে ওই তরুণ বিষ্ণ চন্দ্র শীলের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ তুলে স্থানীয়দের বলাবলি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা এসে নরসুন্দর বিষ্ণ চন্দ্র শীল ও তাঁর বাবাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে ‘মব’ তৈরি করে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ে পাশে শহরের কালেক্টরেট মাঠে ইসলামী শাসনতন্ত্র বাংলাদেশের নায়েবে আমিরের জনসভায়। জনসভার কিছু লোক ও স্থানীয় মুসল্লিরা তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সদর থানা ঘেরাও করে ধর্মীয় কটূক্তির বিচার দাবি করে। খবর পেয়ে সদর থানা-পুলিশ হামলায় আহত নরসুন্দর বাবা-ছেলেকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আসে এবং রাতে মামলা নিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখায়।
আজ (সোমবার) দুপুরে কারাগারে বাবা-ছেলেকে দেখতে গিয়ে ঘটনার মূল রহস্য ফাঁস করেন নরসুন্দর বিষ্ণ চন্দ্র শীলের স্ত্রী দীপ্তি রানী রায়। তিনি বলেন, ‘ওই তরুণ কাজ করে নিয়ে ১০ টাকা কম দিয়েছেন; যা পূরণ করতে আমার স্বামী ওই তরুণকে অনুরোধ করে পরে তা পরিশোধ করতে বলায় তিনি খেপে যান এবং পাশের নামাজ শেষ করে আসা মসজিদের মুসল্লিদের কাছে মিথ্যা ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগ দেন। এতেই মুসল্লিরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামী ও শ্বশুরকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশে দেয়।’ সুষ্ঠু তদন্ত করে ন্যায়বিচার দাবি করেন তিনি। এমন দাবি করার একটি ভিডিও মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরনবী মিয়া বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার ধারায় বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মব তৈরি হয়েছে কি না বা সে ধরনের কোনো অভিযোগ ছিল কি না—এমন প্রশ্নে কোনো মন্তব্য না করে তিনি ফোন কেটে দেন।
লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষ্ণু চন্দ্র শীল এর আগেও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করেছিল বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। মবও সৃষ্টি করা হয়েছিল। আমরা আপাতত মামলা নিয়ে তদন্ত করছি। মব সৃষ্টির তথ্য পেলে সেটারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষ্ণু শীলের স্ত্রী যা বলছে তা সঠিক নয়, বাঁচানোর জন্য প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
৩ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
৯ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
২৬ মিনিট আগে