কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের নিয়োগ সংক্রান্তসহ বিভিন্ন অডিও ফাঁসের ঘটনায় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ. এম. আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
অফিস আদেশে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের নামে অডিও ধারণ করে ফেক আইডি খুলে তা গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মিডিয়া ও পত্র-পত্রিকায় প্রচার করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মাইক বাজিয়েও এ ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। বিষয়গুলো সামগ্রীকভাবে খতিয়ে দেবে এসবের নেপথ্যের মানুষদের চিহ্নিত করে যথাশীঘ্র একটি প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দেওয়ার লক্ষ্যে উপাচার্য পাঁচ সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
কমিটিতে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে ও সদস্য সচিব করা হয়েছে আইসিটি সেলের সিস্টেম এনালিস্ট মো. নাঈম মোরশেদকে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন আই আই ই আরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রহমান, গণিত বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক ড. সাদেক আলী।
এই কমিটি প্রয়োজনে যেকোন সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তর ও পেশাদারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সহযোগিতা নিতে পারবে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ৭ মার্চ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে উপাচার্যের ‘কণ্ঠের মতো’ একে একে আটটি অডিও ফাঁস হয়েছে। এ ঘটনায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি উপাচার্যের নির্দেশে ইবি থানায় সাধারণ ডায়েরি করে রেজিস্ট্রার। সবগুলো অডিওতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের একপাক্ষিক কণ্ঠ শোনা গেছে।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩৩ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৩৯ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে