কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার নিখোঁজ তিন যুবক বাড়ি ফিরেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নিখোঁজ থাকার ১৮ দিন পর ওই যুবকেরা বাড়ি ফিরে আসেন।
জানা যায়, গেল ২০ মার্চ (রোববার) রাতে বাড়ি থেকে বের হন ওই তিন যুবক। এরপর থেকে তাঁদের আর খুঁজে পায়নি পরিবারের লোকজন। কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। ওই তিন যুবকের মধ্যে রয়েছেন কোটচাঁদপুর বড়বামনদহ গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে পারভেজ হোসেন, রকিব উদ্দিনের ছেলে রাব্বি হোসেন ও আনোয়ারের ছেলে রিয়াজ হোসেন।
এ ব্যাপারে রাব্বি হোসেন বলেন, ‘গত ২০ মার্চ (রোববার) যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে রিয়াজ আমাকে বলে তাবলিগে যাওয়ার কথা। নামাজ পড়ার অভ্যাস করার জন্য সে আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় দুধসরা গ্রামের আব্দুল বাশার নামের এক হুজুরের কাছে। আমি ওখানে এক দিন ছিলাম। রিয়াজ আমাকে ফোন রেখে যেতে বলে। আর খরচের টাকা নিতে বলে। ওই দিন রাতে কোটচাঁদপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাই আমরা। ওখানে আমাদের জন্য একজন অপেক্ষা করছিলেন। ট্রেন থেকে নামার পর তিনি আমাদের কমলাপুরের পাশেই এক বাসায় নিয়ে যান। বেশ কয়েক দিন ওই বাসাতেই থাকি। এরপর আমাদের আর ভালো লাগছিল না এখানে। আর বাড়ির দিকে চলছিল পুলিশের চাপ। পরে আমরা কক্সবাজারে চলে যাই।’
রাব্বি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের রেলস্টেশন থেকে নিয়ে যান, তাঁকে আমি চিনি না। রিয়াজ চিনতে পারে। কয়েক দিন যাওয়ার পর আমরা জিজ্ঞাসা করলে বলেন, আরও কিছুদিন এভাবে থাকতে হবে। তাঁর উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। হয়তো আমাদের দিয়ে কোনো দেশবিরোধী কাজ করাতে চেয়েছিলেন। আমরা বুঝতে পেরে চলে এসেছি।’
বাড়িতে না পাওয়ায় রিয়াজ ও পারভেজের সঙ্গে কথা বলা যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে কথা হয় পারভেজের বাবা মিজানুর রহমানের কঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রিয়াজ আমার ছেলেসহ দুজনকে নিয়ে যায় তাবলিগ করতে। গেল ২০ মার্চ তাঁরা বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। আর বৃহস্পতিবার সকালে আমার বাড়িতে ফিরে আসে। তবে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো কেউ বলেনি।’
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সঞ্চিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়া তিন যুবকই ফিরে এসেছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে ওই তিন যুবককে অভিভাবকদের কাছ হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার নিখোঁজ তিন যুবক বাড়ি ফিরেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নিখোঁজ থাকার ১৮ দিন পর ওই যুবকেরা বাড়ি ফিরে আসেন।
জানা যায়, গেল ২০ মার্চ (রোববার) রাতে বাড়ি থেকে বের হন ওই তিন যুবক। এরপর থেকে তাঁদের আর খুঁজে পায়নি পরিবারের লোকজন। কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। ওই তিন যুবকের মধ্যে রয়েছেন কোটচাঁদপুর বড়বামনদহ গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে পারভেজ হোসেন, রকিব উদ্দিনের ছেলে রাব্বি হোসেন ও আনোয়ারের ছেলে রিয়াজ হোসেন।
এ ব্যাপারে রাব্বি হোসেন বলেন, ‘গত ২০ মার্চ (রোববার) যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে রিয়াজ আমাকে বলে তাবলিগে যাওয়ার কথা। নামাজ পড়ার অভ্যাস করার জন্য সে আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় দুধসরা গ্রামের আব্দুল বাশার নামের এক হুজুরের কাছে। আমি ওখানে এক দিন ছিলাম। রিয়াজ আমাকে ফোন রেখে যেতে বলে। আর খরচের টাকা নিতে বলে। ওই দিন রাতে কোটচাঁদপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাই আমরা। ওখানে আমাদের জন্য একজন অপেক্ষা করছিলেন। ট্রেন থেকে নামার পর তিনি আমাদের কমলাপুরের পাশেই এক বাসায় নিয়ে যান। বেশ কয়েক দিন ওই বাসাতেই থাকি। এরপর আমাদের আর ভালো লাগছিল না এখানে। আর বাড়ির দিকে চলছিল পুলিশের চাপ। পরে আমরা কক্সবাজারে চলে যাই।’
রাব্বি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের রেলস্টেশন থেকে নিয়ে যান, তাঁকে আমি চিনি না। রিয়াজ চিনতে পারে। কয়েক দিন যাওয়ার পর আমরা জিজ্ঞাসা করলে বলেন, আরও কিছুদিন এভাবে থাকতে হবে। তাঁর উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। হয়তো আমাদের দিয়ে কোনো দেশবিরোধী কাজ করাতে চেয়েছিলেন। আমরা বুঝতে পেরে চলে এসেছি।’
বাড়িতে না পাওয়ায় রিয়াজ ও পারভেজের সঙ্গে কথা বলা যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে কথা হয় পারভেজের বাবা মিজানুর রহমানের কঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রিয়াজ আমার ছেলেসহ দুজনকে নিয়ে যায় তাবলিগ করতে। গেল ২০ মার্চ তাঁরা বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। আর বৃহস্পতিবার সকালে আমার বাড়িতে ফিরে আসে। তবে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো কেউ বলেনি।’
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সঞ্চিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়া তিন যুবকই ফিরে এসেছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে ওই তিন যুবককে অভিভাবকদের কাছ হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
১৫ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
২৪ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২৫ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে